ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর ২০২০ ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ২৪ নভেম্বর ২০২০

রনি ড্রাইভার থেকে শরণাঙ্ক থের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০, ১১:২২ পিএম আপডেট: ২০.১০.২০২০ ১১:৫৬ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 1009

মা-বাবার বিচ্ছেদের পর কিশোর রনির ঠাঁই হয় শুল্কবহর পাঁচকড়ি বাবুর গ্যারেজে। গ্যারেজে থেকেই শিখেছিল গাড়ি ড্রাইভিং। তারপর চট্টগ্রামের রাউজান মুন্সিরহাটের এক গাড়ির মালিক তাকে প্রথম গাড়ির চাবি দিয়ে রাউজানে নিয়ে আসে। রাউজানে রনি ড্রাইভারের ড্রাইভিং জীবন বেশ কিছুদিন স্থায়ী ছিল। তারপর গাড়ির মালিক গাড়িটি রাঙ্গুনিয়া পদুয়ার জয়সেন বড়ুয়া নামক এক ভদ্রলোকের কাছে বিক্রি করে দিলে রনি ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে প্রথম পদুয়া আসে এবং গাড়ির নতুন ড্রাইভার জসিমের (স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আপেল আহমেদের মেয়ের জামাই) সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। যেহেতু রনি ড্রাইভার বেকার সেহেতু জসিম ড্রাইভার তার অবর্তমানে গাড়িটির চাবি রনিকে দিয়ে বেকার সময়টাতে সহযোগিতা করত। কিন্তু নতুন জায়গায় অন্য কেউ রনিকে গাড়ি দেয়নি। তারপর শ্রমণ হয়ে বৌদ্ধমন্দিরে সন্যাস জীবন শুরু করে শরণ। দ্বিতীয়বার সন্ন্যাসী হয়ে পদুয়ার ফলহরিয়া সংরক্ষিত বনে সন্ন্যাস জীবন শুরু করে এবং রনি নাম পাল্টিয়ে শরণাঙ্কর নাম ধারণ করে। দ্বিতীয়বার পদুয়াকে বেছে নেওয়ার কারণ হয়তো পদুয়ার মানুষের অতিথিপরায়ণতা অসাম্প্রদায়িকতা।
প্রথমে হলুদ একটি কাপড় আর ওপরে ত্রিপল দিয়ে শুরু করলেও পরে আসতে আসতে বেড়ার স্থাপনা, পরবর্তী সময়ে ইটপাথরের স্থাপনা করা শুরু করে এবং ধীরে ধীরে সাত-আট বছরের ব্যবধানে ১০০ একরেরও বেশি জায়গা দখল করে। এই সময়টাতে ফলহরিয়া যাওয়ার দুর্গম রাস্তা সুগম হয়, শিলক নদীর ওপর ব্রিজ ও কাঁচা রাস্তা পাকাকরণসহ নানা উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে তার কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রচার-প্রসারের পাশাপাশি অনুদানপ্রাপ্তির পরিমাণও বাড়তে থাকে। এই দখলযজ্ঞ চলতে থাকলে বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় হিন্দুদের শ্মশান নিয়ে এবং বিহার থেকে আড়াই থেকে ৩ কিলোমিটার আগে কালিন্দিরানী সড়কে মুসলিমদের জায়গার ওপর বৌদ্ধমূর্তি সমেত একটি তোরণ স্থাপনকে কেন্দ্র করে মুসলিমদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে শরণাঙ্ক থের। দিনদিন দখলকৃত ভূমির আয়তন বাড়ানোর কারণে বন বিভাগের সঙ্গেও বিরোধ বাজে শরণাঙ্ক থেরর, ফলশ্রুতিতে বন বিভাগ মামলা শুরু করে, প্রথম মামলা হয় ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর। মামলা নম্বর-পি.আর.ও. (১সুখ)/ ৬ খুরু অব ২০১৯-২০) এবং জিআর-২৬, তারিখ ৩০-১০-২০১৯, যা উদ্ভূত ঘটনার অনেক আগে।
শরণাঙ্ক থের এই অবৈধ দখলযজ্ঞে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে তার পাশে আশা করে এবং তাকে পাশে না পেয়ে শত্রু ভাবতে শুরু করে। ঠিক একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকেও তার এই অবৈধ কর্মযজ্ঞে সহযোগী হিসেবে না পেয়ে তাকেও শত্রু বিবেচনা করতে শুরু করে।
এই অবৈধ কাজে সমর্থন না পেয়ে বাংলাদেশ বৌদ্ধকৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ভদন্ত বৌদ্ধপ্রিয় মহথেরকে প্রতিপক্ষ ভাবছেন। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অনলাইনে পেইড দালাল দিয়ে নানা কুৎসা ও অপবাদ রটাচ্ছেন। একটি যৌক্তিক বিবেচনায় শরণাঙ্ক থেরকে লাল সালু ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না। কমপক্ষে ২০ বছর ভান্তে বা সন্ন্যাসজীবন পার না করলে মহাথের হিসেবে বিবেচনারই সুযোগ নেই। অথচ দেখা যায়, শরণাঙ্কর ভিক্ষু মাত্র ১২ বছর সন্ন্যাসের পরই এখন নিজে নিজেই মহাথের পদবি ধারণ করেছে। এই কাল্পনিক পদবি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পত্রও দিয়েছে।
অন্যদিকে সংরক্ষিত বনের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ এবং ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করায় শরনাঙ্ক থেরর বিরুদ্ধে উত্তাল চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া। বছরের পর বছর বনভূমির পাহাড় কেটে পাকা স্থাপনা, রাস্তা নির্মাণ, নলকূপ স্থাপন ও অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হলেও চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের খুরুশিয়া রেঞ্জের সুখবিলাস বিট অফিস ছিল চুপ।
স্থানীয়রা তথ্য দিয়েছেন, সুখবিলাস বিট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করে ছোটখাটো স্থাপনা তৈরি করে আসছিল শরণাঙ্কর। নিজ সম্প্রদায়ের একজন কর্মকর্তা সুখবিলাস বিটের বিট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে বৃহৎ স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে দেন তিনি। একপর্যায়ে ২০১৯ সালের অক্টোবরের দিকে সুখবিলাস বিটের বিট কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন ফরেস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম। দায়িত্ব নিয়েই তিনি সুখবিলাস বিটের আওতাধীন বনভূমি একে একে পরিদর্শন করা শুরু করেন। সে সময় তিনি দেখতে পান, ফলহরিয়ায় ‘জ্ঞানশরণ মহাঅরণ্য বৌদ্ধবিহারের’ নামে ১৫০ বিঘা একর বনভূমি দখল করে পাকা স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে।
বন বিভাগের সঙ্গে বিরোধ শুরুর বিষয়ে বৌদ্ধভিক্ষু শরণাঙ্কর থের গণমাধ্যমকে বলেছে, ‘এক মাস না যেতে বন বিভাগের লোকজন বলে ২০ হাজার টাকা দাও, ৩০ হাজার টাকা দাও। টাকা না দেওয়ায় তারা আস্তে আস্তে আমাদের প্রতি আক্রমণাত্মক ব্যবহার করা আরম্ভ করে। আমরা আর কত দেব? প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দিচ্ছি।’
ঘুষ দেওয়াও অপরাধ, এ ছাড়া বৌদ্ধভিক্ষুদের টাকা ব্যবহারের অনুমতি থাকে নাÑ এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে শরণাঙ্কর থের বলেন, ‘টাকা তো আমি দিইনি। আমার ভক্তরা দেয়। তারা বন বিভাগকে ম্যানেজ করে।’
অন্যদিকে চলতি বছরের গত ৫ জুলাই ফলহারিয়ার সংরক্ষিত বনে আরেকটি বৌদ্ধমূর্তির নির্মাণ কাজ শুরু করে শরণাঙ্কর। সেদিন বন বিভাগ ও পুলিশের নির্দেশনা পেয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ না করে পুলিশের সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়ে শরণাঙ্কর থের। এমনকি সেদিনের কিছু ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশকে মারতে তেড়ে যাচ্ছে শরণাঙ্কর থের ও তার অনুগত ভিক্ষু-শ্রমণরা।
বনকর্মীদের ওপর হামলা, বনভূমি দখল, সরকারি চারাগাছ কেটে ফেলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করে বন বিভাগ। এ ছাড়া নতুন করে বনভূমিতে পাকা স্থাপনা নির্মাণে বাধা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনড় থাকে প্রশাসন। অন্যদিকে ৫০ একর বনভূমিতে দুই ডজন স্থাপনা নির্মাণের পর নতুন করে আর কিছু নির্মাণ করতে না পেরে ও মামলার আসামি হয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে শরণাঙ্কর।
৮ জুলাই বন দখলে বন বিভাগ ও পুলিশের বাধা পাওয়ার পরদিন ৯ জুলাই মধ্যরাতে ফেসবুকে ১৪ মিনিটের একটি ভিডিও বার্তা দেয় বৌদ্ধভিক্ষু শরণাঙ্কর থের। এতে সে রাঙ্গুনিয়ার পদুয়ার ফলহারিয়ায় বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে প্রভাবশালীদের নির্যাতন ও তাদের হাটবাজারে যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলে কাল্পনিক অভিযোগ আনে। ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে শরণাঙ্কর। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় ফলহারিয়া গ্রামের মণীন্দ্রপাড়ার হিন্দুদের শ্মশান-ভূমি জোর করে দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই নন, সংখ্যাগুরু মুসলিম জনগোষ্ঠীর কয়েকজনেরও শরণাঙ্কর থেরর বিরুদ্ধে জায়গা দখল ও দখলের চেষ্টার অভিযোগ আছে।
ফলহারিয়ার আব্দুল গফুরের স্ত্রী জাইতুন নুর বেগম জানিয়েছেন, তার স্বামীর মৌরশী সূত্রে পাওয়া ৮০ শতক পাহাড়ি জায়গায় খামার করে ও গাছ লাগিয়ে ভোগ দখলে আছেন তিনি। ওই জায়গা দখল করার জন্য শরণাঙ্কর ভান্তে একের পর এক অপচেষ্টা চালাচ্ছে। দখল করতে এলে প্রতিবারই তারা বাধা দিলে গালাগালি, মারধর করছে। এ নিয়ে রাঙ্গুনিয়া থানায় অভিযোগ করলে এএসআই কবির হোসেনকে তদন্ত করতে দেওয়া হয়। কিন্তু তারা কোনো বিচার পাচ্ছেন না।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১১ জুলাই সকাল থেকে শরণাঙ্কর থেরর ছবিযুক্ত ‘রুমন হিমু’ ও ‘রানা সাধু’ নামে দুটি ফেসবুক আইডি থেকে রাসুল (সা.) ও ইসলামকে কটূক্তি ও অবমাননামূলক পোস্ট ও কমেন্ট করা শুরু হয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠী। এ পরিস্থিতিতে তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশে কঠোর অবস্থান নেয় পুলিশ প্রশাসন। একইদিন সন্ধ্যায় ওই দুই ফেসবুক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রেকর্ড করে দৃশ্যমান তদন্তে নেমে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ।
অন্যদিকে তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙ্গুনিয়ায় সম্প্রীতি বজায় রাখতে নানা উদ্যোগ নেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। নয়তো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া অসম্ভব ছিল না। এমনকি আরেকটি রামু ট্র্যাজেডিও ঘটতে পারত। কিন্তু তথ্যমন্ত্রীর তৎপরতায় অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি। শুধু শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে মাত্র। এসব বিষয় তদন্তে নেমে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন প্রাথমিকভাবে জানতে পারে, জ্ঞানশরণ বৌদ্ধবিহারের দুই শ্রমণই ‘রুমন হিমু’ ও ‘রানা সাধু’ নামে দুটি ফেইক আইডি থেকে পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও রাসুলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন। আর এতে ইন্ধন ও সাহস জুগিয়েছেন ওই বিহারের অধ্যক্ষ শরণাঙ্কর ভান্তে নিজেই। মূলত এর মধ্য দিয়ে তিনি রাঙ্গুনিয়ায় বড় ধরনের সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করে প্রকারান্তরে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করেছিল।
একটি গোয়েন্দা সংস্থার চট্টগ্রামের শীর্ষ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে সে সময় বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে ওই ভিক্ষু অনিয়মতান্ত্রিকভাবে গড়ে তোলা নিজের সাম্রাজ্য ধরে রাখার ভয়ঙ্কর চেষ্টায় মেতেছিল। কিন্তু গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে সেটি ভেস্তে গেছে।’
অন্যদিকে শরণাঙ্কর থের রাঙ্গুনিয়া ত্যাগ করার পর তার দখলকৃত বন বিভাগের সরকারি জায়গায় আবার সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেয় বন বিভাগ। যদিও আগে বিভাগ অনেকবার সাইনবোর্ড লাগালেও শরণাঙ্করের নেতৃত্বে তার অনুসারীরা এসব সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে দিত বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়াও বন বিভাগ ২০২০ সালের ২৮ জুলাই পত্রপত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় সেই বৌদ্ধভিক্ষু সংরক্ষিত বোনের কোন কোন দাগের ৫০ একর (১৫০ বিঘা) দখল করেছে এবং আরও ১৫০ বিঘা দখল করার যে পাঁয়তারা করেছে সেটাও বন বিভাগের গণবিজ্ঞপ্তি উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়াও বন বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য শরণাঙ্ক যে দেশে-বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারও প্রতিবাদ জানায়।
অন্যদিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় বৌদ্ধবিহার স্থাপনের নামে ভিক্ষু শরণাঙ্কর কর্তৃক অবৈধভাবে সংরক্ষিত বনভূমি দখল, পাহাড় ও গাছপালা কাটার সমালোচনা করে বিবৃতি দিয়েছেন দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শীর্ষ সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ।
বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুপ্ত ভূষণ বড়ুয়ার স্বাক্ষরে প্রেরিত ও বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ঢাকাস্থ কমলাপুর বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সভাপতি দিব্যেন্দু বিকাশ চৌধুরী বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয় এবং বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের মহাসচিব সাবেক ডিআইজি পিআর বড়ুয়া স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে এ কর্মকাণ্ডকে তারা বৌদ্ধ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সমর্থনযোগ্য নয় বলে বর্ণনা করেন।
তারা বলেন, মহামতী গৌতম বুদ্ধের আদর্শ ও বৌদ্ধ ধর্মের মর্মবাণী ‘অহিংসা পরম ধর্ম’। এ কারণে অবৈধভাবে বন ও অন্য ধর্মের উপাসনালয়, শ্মশান দখল ও কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা বৃহত্তর বৌদ্ধ সমাজ কখনই সমর্থন করে না বরং এহেন কাজ মহামতী বুদ্ধের অহিংসা, করুণা ও মৈত্রীর বাণীকে খর্বকারী বলেন তারা।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]