ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর ২০২০ ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
ই-পেপার মঙ্গলবার ১ ডিসেম্বর ২০২০

নেপাল বধের প্রস্তুতি শুরু
প্রকাশ: রোববার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 23

ষ ক্রীড়া প্রতিবেদক
আসছে নেপাল, নভেম্বরে তাদের বিপক্ষে দুটো ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফিরতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শনিবার থেকে অনুশীলনেও নেমে পড়েছে জেমি ডের শিষ্যরা। এর আগে কুপার টেস্টের মাধ্যমে দেখা হয়েছে তাদের ফিটনেসের অবস্থা। পরখ করা হয়েছে হার্টরেট, স্ট্যামিনা আর গতি। সবকিছু দেখে সন্তুষ্ট ফিজিও ফুয়াদ হাসান হাওলাদার। দীর্ঘ বিরতির পর অনুশীলনে ফেরা ফুটবলারদের ফিটনেস লেভেল তার চোখে ‘আপ টু দ্য মার্ক’। অর্থাৎ বিরতি লম্বা হলেও বেশ ভালো অবস্থাতেই আছেন সাদ-রহমতরা।
ফুটবলারদের ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ফুয়াদ বলেছেন, ‘এটা আমাদের প্রথম ধাপ ছিল। পরবর্তীতে আরও কিছু ধাপ অনুসরণ করব। এর আগে কোচের মাধ্যমে যে শিডিউল খেলোয়াড়দের দেওয়া হয়েছিল, আমরা সন্তুষ্ট। মোটামুটি সবাই অ্যাভারেজ, আপ টু দ্য মার্ক ছিল।’ সঙ্গে যোগ করেন, ‘আমরা যে মিনিমাম টার্গেট দিয়েছিলাম, খেলোয়াড়রা তা পূরণ করতে পেরেছে। তবে সবেমাত্র একটা ডাটা কালেক্ট করলাম। এটা দেখে পরে বলতে পারব, কে কোন পর্যায়ে আছে।’
তবে সবার ডাটা কালেক্ট করা হয়নি ফুয়াদের। কারণ সবাই ছিলেন না প্রথম দিনের অনুশীলনে। বসুন্ধরা কিংস তাদের ১৪ ফুটবলারকে তিনদিন পর ছাড়বে, ৩৬ জনের স্কোয়াডে থাকা বাকিদের শুক্রবার রিপোর্ট করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট না পাওয়ায় ওইদিন ১৪ জনের বেশি রিপোর্ট করতে পারেননি। পরবর্তীতে আরও দুজন রিপোর্ট করেছেন। এই ১৬ জনকে নিয়েই শনিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে নেপাল বধের প্রস্তুতি।
আগের দুবারের সাক্ষাতে নেপালের কাছে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই হার এখনও তাতিয়ে রেখেছে জেমির শিষ্যদের। এবার ঘরের মাঠে প্রতিশোধ নিতে চায় তারা। অনুশীলন শেষে সাদউদ্দিন যেমন বললেন, ‘লক্ষ্য একটাইÑ সামনে ভালো করা। সামনে আমাদের জাতীয় দল এবং ক্লাবের ম্যাচ আছে। দেশকে ভালো কিছু দেওয়ার লক্ষ্য আমাদের সবার আছে। শেষ দুইটা ম্যাচে আমরা ওদের কাছে হেরেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য প্রতিশোধ নেওয়ার। চেষ্টা করব ম্যাচগুলো জেতার। খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট আছে একসঙ্গে ভালো পারফর্ম করার। জয়ের জন্য মাঠে নামব। চেষ্টা থাকবে নেপালকে হারানোর।’
লম্বা বিরতি থেকে ফিরলেও প্রস্তুতির জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল। ফিজিও ফুয়াদও জানালেন, তিন সপ্তাহের মধ্যে খেলোয়াড়দের শতভাগ প্রস্তুত করে তোলা কঠিন। তবে নিজেদের সামর্থ্যে অগাধ আস্থা রহমত মিয়ার। স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিকে পুঁজি করেই নেপালকে হারাতে আশাবাদী তিনি। সাইফ স্পোর্টিংয়ের এই ডিফেন্ডারের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই, ‘কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। যখন আমরা এশিয়ান গেমসে গিয়েছিলাম, তখন কি ভাবতে পেরেছিলাম যে কাতারকে হারাতে পারব। অবশ্যই না। কারণ র‌্যাঙ্কিংয়ে কাতারের চেয়ে আমরা অনেক পিছিয়ে। (নেপালের বিপক্ষে) আমরা চেষ্টা করব সেরাটা দেওয়ার। ভালো ফল পাওয়ার।’
নিয়মিত অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এখনও ঢাকায় আসেননি, আসেননি কাজী তারিক রায়হানও। তারওপর বসুন্ধরা কিংস ছাড়েনি তাদের ফুটবলারদের। তাতে ক্যাম্পের শুরুর অনুশীলনে দলীয় সমন্বয়ের ঘাটতি কিছুটা হলেও থেকে যাচ্ছে। সাদউদ্দিনও মানছেন বিষয়টা, ‘এত অল্প সময়ে নিজেদের ফিরে পাওয়া অনেক কঠিন। দীর্ঘ ৮-৯ মাস পর আমরা মাঠে ফিরেছি। এতদিন আমরা একক অনুশীলন করেছি। এখন দলীয় অনুশীলন করছি। একটু সময় লাগবে আগের জায়গায় আসতে। আশা করি, ট্রেনিং শিডিউল ঠিকঠাক মেনে চললে তাড়াতাড়ি ফিট হয়ে মাঠে নামতে পারব। সবাই একসঙ্গে অনুশীলন করতে পারলে ভালো হতো। আশা করি, তারা দ্রুত আমাদের সঙ্গে যোগ দেবে।’
লম্বা সময় পর মাঠে ফিরেছেন বলে শুরুতেই সেভাবে চাপ নেননি ফুটবলাররা। তেমনটাই জানালেন রহমত, ‘এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে আমাদের সুস্থ থাকা, ফিট থাকা। এখনই যদি সবাই চাপ দিয়ে ইনজুরিতে পড়ে যায়, তা হলে রিকভার করার সময় পাওয়া যাবে না। তাই চাপ কম দিতে বলছে, যেন আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করতে পারি।’ সাদউদ্দিনের মতো রহমতও আশাবাদী, অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেদের নেপাল ম্যাচের জন্য তৈরি করে ফেলতে পারবেন, ‘সাত-আট মাস পর যেহেতু আমরা মাঠে ফিরছি, খেলোয়াড়রা সবাই মাঠে ফিরতে উদগ্রীব হয়ে আছে। আমাদের হাতে সময় কম। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি। সামনে কয়েকটা দিন আছে, কঠোর পরিশ্রম করে ভালো কিছু করার।’









সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]