ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ৩০ নভেম্বর ২০২০ ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
ই-পেপার সোমবার ৩০ নভেম্বর ২০২০

ভোটের ফল নিয়ে শঙ্কা ট্রাম্পের
বর্তমান প্রেসিডেন্টের কারণেই হোয়াইট হাউস করোনার হট জোন : ওবামা
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৩৯ পিএম আপডেট: ২৮.১০.২০২০ ১১:৪৫ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 17

আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফল নিয়ে আবারও শঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, মেইল ইন ব্যালটে দেওয়া লাখ লাখ ভোট গণনার জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়াটা বেআইনি। ৩ নভেম্বরেই বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা উচিত। এদিকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসকে করোনার হট জোনে পরিণত করার অভিযোগ এনেছেন তার পূর্বসূরি বারাক ওবামা। মঙ্গলবার অরল্যান্ডোতে আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেনের নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিয়ে সাবেক এই প্রেসিডেন্ট এমন অভিযোগ করেন। সিএনএন, আল-জাজিরা।
৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে সাপ্তাহিক কর্মদিবসে নির্বাচন হয় বলে অনেক মানুষ সশরীরে ভোট দিতে পারেন না। কাজের সূত্রে দূরে থাকার কারণেও কারও কারও ভোট দিতে সমস্যা হয়। এমন সব মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে সে দেশে আগাম ভোট দিয়ে ডাকযোগে ব্যালট পাঠানোর বিধান রয়েছে। আবার সশরীরেও এ ভোট দেওয়া যায়। মঙ্গলবার নাগাদ আগাম ভোট পড়েছে ৭ কোটিরও বেশি। ফ্লোরিডা বিশ^বিদ্যালয়ের ইউএস ইলেকশন্স প্রজেক্টের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালের নির্বাচনে সর্বমোট যত ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে, এবার আগাম ভোটের সংখ্যা তার অর্ধেকেরও বেশি।
এত সংখ্যক মেইল ইন ভোটের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪ কোটি ৬০ লাখের বেশি ভোট গণনা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব ভোট গণনা শেষ করতে আরও বেশ কয়েকদিন বা কয়েক সপ্তাহ লেগে যেতে পারে। এর মানে হলো, ৩ নভেম্বর ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সে রাতেই বিজয়ী ঘোষণা নাও করা হতে পারে। এখানেই শঙ্কিত ট্রাম্প।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে ব্যালট গণনা না করে ৩ নভেম্বরেই বিজয়ীর নাম ঘোষণা করাটা যথার্থ কাজ হবে এবং তা খুব সুন্দর দেখাবে। দুই সপ্তাহ ধরে ব্যালট গণনা করাটা যথার্থ কাজ নয় এবং আমার বিশ^াস, এটি আইনসম্মত নয়।
ট্রাম্প বারবারই দাবি করে আসছেন, মেইল ইন ভোট যত বেশি হবে, নির্বাচনে তত বেশি জালিয়াতি হবে। যদিও ট্রাম্প তার দাবির স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে জালিয়াতির ঘটনা বিরল। ডেমোক্র্যাটিক নেতাদের আশঙ্কা, ট্রাম্প নির্বাচনে হেরে গেলে ফল মেনে নেবেন না। প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনও বলেছেন, এটিই তার সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গা।
অপরদিকে বারাক ওবামা বলেছেন, এই দেশে ২ লাখ ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে আরও লক্ষাধিক ছোট ব্যবসা। ভাবুন! শুধু এক ফ্লোরিডাতেই পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের চাকরি গেছে। ওবামা বলেন, এসব নিয়ে ভাবার পরিবর্তে উল্টো সংবাদমাধ্যমে করোনার কাভারেজ দেখে ট্রাম্পের ঈর্ষা হচ্ছে। তিনি সমাবেশ করে বলছেন লোকজন কোভিড নিয়ে বেশি চিন্তা করছে। কিন্তু শুরুতেই যদি তিনি এটি মোকাবিলার ওপর জোর দিতেন তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে করোনার রেকর্ড তৈরি হতো না।
এমন সময়ে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্পকে আক্রমণ করলেন ওবামা যখন করোনা ইস্যুতে দৃশ্যত আত্মসমর্পণ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ সহযোগী ও হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ মার্ক মিডোস স্বীকার করেছেন, ভ্যাকসিন বা থেরাপি ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব নয়। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিডোস দাবি করেছেন, একমাত্র ভ্যাকসিন ও থেরাপির মাধ্যমেই করোনাকে পরাজিত করা সম্ভব। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ৯ দিন আগেও যখন করোনার প্রকোপ বেড়ে চলেছে, তখনই এমন স্বীকারোক্তি দিলেন ট্রাম্পের এ সহযোগী। এমন পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউসকে করোনার হট জোনে পরিণত করার অভিযোগ করেন ওবামা।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]