ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০ ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
ই-পেপার শনিবার ২৮ নভেম্বর ২০২০

আন্দোলনে জবি শিক্ষার্থীরা
বেদখল হলগুলো উদ্ধারের দাবি
সোহাগ রাসিফ জবি
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৩৯ পিএম আপডেট: ২৯.১০.২০২০ ১১:১৫ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 61

বেদখল হওয়া হলগুলো উদ্ধারের দাবিতে আবারও আন্দোলনে নেমেছে জগন্নাথ বিশ^^বিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত বিশ^^বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’র ব্যানারে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এ সময় দখলদারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ¯েøাগান দিতে দেখা যায় তাদের। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আমরণ অনশনসহ অন্যান্য ধারাবাহিক কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে জানানো হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিশ^^বিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌসিব সোহান বলেন, জগন্নাথ বিশ^^বিদ্যালয়ের যে হল হাজী সেলিম দখল করে রেখেছেন সেটা বিশ^^বিদ্যালয় প্রশাসন অবিলম্বে যেন উদ্ধারের ব্যবস্থা নেয়। যতদিন পর্যন্ত প্রশাসন বেদখলে থাকা হল উদ্ধারে ব্যবস্থা না নেবে ততদিন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা মাঠে থাকবে।
বিশ^^বিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান মিশু বলেন, আগামী
 

এক যুগের মধ্যে বিশ^^বিদ্যালয়ের যে নতুন ক্যাম্পাসের কথা বলা হচ্ছে সেখানেও হল পাওয়া আর রূপকথার গল্প দুটোই সমার্থক। এক হল হতে ১০ বছর, নতুন ক্যাম্পাস হতে কত বছর লাগবে ভাবা যায়? আমরা বিশ^^বিদ্যালয়ের বেদখলে থাকা হলগুলো ফেরত চাই। প্রশাসনের যদি সদিচ্ছা থাকে এবং তারা যদি শিক্ষার্থীবান্ধব হয় আমরা মনে করি দ্রæতই হল উদ্ধারে পদক্ষেপ নেবে। হাজী সেলিমের লাঠিয়াল বাহিনীকে যে জবি প্রশাসন ভয় পায় না তার প্রমাণ হবে উদ্ধারের মাধ্যমে। আমরা বিশ^^বিদ্যালয়ের বেদখলে থাকা হলগুলো ফিরে পেতে চাই।
অন্যদিকে মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সাধারণ শিক্ষার্থীরা একই দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে।
উল্লেখ্য, কলেজ থাকাকালীন জগন্নাথের হল ছিল ১২টি। কিন্তু ১৯৮৫ সালে স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে হলগুলো বেদখল হয়। বিশ^^বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের পরও এসব হল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে বিশ^^বিদ্যালয়ের বেদখলে থাকা ১২টি হল উদ্ধারের দাবিতে ২০১৪ ও ২০১৬ সালে বড় দুটি হল আন্দোলন করলে পুলিশের টিয়ার গ্যাস-রাবার বুলেটের নির্যাতন সহ্য করেও সফল হতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ রয়েছে, হলগুলো প্রভাবশালী ও ক্ষমতাসীন ব্যক্তিরা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। বিশ^^বিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চিঠি চালাচালি করেই যাচ্ছে। কিন্তু আজ অবধি হল উদ্ধারে কোনো অগ্রগতি হয়নি।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]