ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১ ৭ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১

স্বপ্নের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা
শিক্ষার আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০, ১১:১৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 20

 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে তাকিয়ে আছে পুরো বিশ^। কে হবেন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট বাইডেন না, ট্রাম্প। আর উচ্চশিক্ষার জন্য শ্রেষ্ঠ এই দেশে পড়তে চান মেধাবীরা। যোগ্যদের জন্য পৃথিবীর বহু দ্বার খুলে যায়। বিশে^র শীর্ষস্থানীয় বিশ^বিদ্যালয়গুলোর বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্রের। তাই উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পছন্দের তালিকায় রয়েছে দেশটি। এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও। গবেষণার তথ্য বলছে, গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে তিনগুণ হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির জন্য জিআরই ও টোফেল টেস্টের স্কোর থাকতে হবে। যদি কেউ বিজনেস প্রোগ্রামে গ্র্যাজুয়েট করতে চান, সে ক্ষেত্রে সাধারণত জিআরইর পরিবর্তে জিম্যাট স্কোর লাগে। ব্যাচেলর করতে হলে স্যাট ও টোফেল থাকতে হবে। স্যাট একটি স্ট্যান্ডার্ড এক্সাম। আন্ডারগ্র্যাডে ভর্তির জন্য এ দেশের ছেলেমেয়েদেরও এই পরীক্ষার স্কোর থাকতে হয়।
ভালো স্কুলগুলোতে ভর্তির জন্য ভালো ফলাফল থাকা গুরুত্বপূর্ণ। সরাসরি পিএইচডি পেতে হলে ভালো জিপিএ থাকতে হয়। অনেকের হয়তো ভালো জিপিএ থাকে না। সে ক্ষেত্রে জিআরই ও টোফেল টেস্টে ভালো স্কোর থাকলে সেটা সহায়ক হতে পারে। গবেষণায় অভিজ্ঞতা থাকাটা অনেক বেশি সাহায্য করে।
গবেষণার অভিজ্ঞতা থাকলে কিংবা বড় কোনো অধ্যাপকের অধীন কাজ করলে সেটা পিএইচডি স্কলারশিপ পেতে অনেক সাহায্য করে। বড় অধ্যাপক-গবেষকের সুপারিশপত্র এতে ভ‚মিকা রাখে। জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে যুক্তরাষ্ট্রে পড়া যাবে কি না এমন একটি প্রশ্ন প্রায়ই শুনতে হয়। চেষ্টা থাকলে অবশ্যই পড়া যাবে। যদি কেউ ভালো ফলাফল করেন এবং জিআরই, টোফেলে ভালো স্কোর তুলতে পারেন তাহলে সম্ভব। এ ক্ষেত্রে গবেষণার অভিজ্ঞতা খুবই কাজে আসে। স্বেচ্ছাসেবক কাজ ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাও ভর্তির জন্য সহায়ক হয়। অ্যাম্বাসি বিভিন্ন কারণেই ভিসার আবেদন বাতিল করে। তবে উচ্চশিক্ষার জন্য ভিসার আবেদন খুবই কম বাতিল হয়। যদি কোনো শিক্ষার্থী ভালো স্কুল থেকে সঠিক একসেপ্টেন্স লেটার পেয়ে থাকেন এবং নির্ভুলভাবে ভিসার জন্য আবেদন করেন তা হলে ভিসা বাতিলের সম্ভাবনা খুবই কম।
তাই অন্যের কথায় নিজের আস্থা না হারিয়ে সঠিকভাবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, আমাদের দেশ থেকেই হাজার হাজার ছেলেমেয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে গেছেন।
শিক্ষাবৃত্তি, গবেষণা বরাদ্দ ও গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত
সুযোগ-সুবিধা থাকায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গমনের হার বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃদ্ধিও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো এখানকার গবেষণা সুযোগ-সুবিধা। এখানে গবেষণার যে সুযোগ রয়েছে, তার বেশিরভাগই বাংলাদেশে নেই। বাংলাদেশি বিশ^বিদ্যালয়গুলোর বার্ষিক বরাদ্দের
৫০-৬০ শতাংশই যায় বেতন-ভাতা খাতে। গবেষণায় ১-২ শতাংশও থাকে না। শিক্ষকরাই যেখানে গবেষণা বরাদ্দ পায় না, শিক্ষার্থীরা তা কীভাবে পাবে। এ ছাড়া বাংলাদেশি বিশ^বিদ্যালয়গুলোর বেশিরভাগ বিভাগের চাকরির বাজারে চাহিদা নেই। এখানে সে সমস্যা নেই।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পড়ার বিষয়ে বিষয়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পাসগুলোতে অধ্যয়নরত প্রায় ৭৫ শতাংশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এসটিইএম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) বিষয়গুলো নিয়ে পড়ছে। তাদের মধ্যে ৪০ দশমিক ৪ শতাংশ প্রকৌশল, ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ গণিত বা কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ১৫ শতাংশের বেশি ভৌতবিজ্ঞান বা লাইফ সায়েন্স নিয়ে পড়ছে। এ ছাড়া মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৮ শতাংশ পড়ছে ব্যবসা বা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]