ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৪ জানুয়ারি ২০২১ ১০ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার রোববার ২৪ জানুয়ারি ২০২১

ট্রাম্প কেবল নিজেকে নয়, পরাজিত করছেন যুক্তরাষ্ট্রকেও
ফরিদুল আলম
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ১১:৪৫ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 26

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হলেও এর রেশ রয়ে গেছে এখন পর্যন্ত। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পরাজয় মেনে নেবেন বলে মনে করা হলেও এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি কিন্তু সে কথা বলছে না। সবকটি রাজ্যের নির্বাচনি ফলাফলে সুস্পষ্ট ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জো বাইডেন বিজয়ী হলেও ট্রাম্প এখন পর্যন্ত রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত রাজ্যগুলোর আইনপ্রণেতাদের মাধ্যমে কিছু রাজ্যের নির্বাচনি ফলাফল সেসব রাজ্যের আইনসভার মাধ্যমে অনুমোদন না করাতে তৎপর রয়েছেন। এদিকে অবস্থাদৃষ্টে ট্রাম্পের এ ধরনের প্রচেষ্টাও বিফল হতে শুরু করেছে। গত ২১ নভেম্বর পেনসিলভানিয়া রাজ্যের ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে নির্বাচনি অনিয়ম সংক্রান্ত এক মামলা খারিজ করে দিয়ে বিচারক তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন ট্রাম্পকে। ট্রাম্পের এ ধরনের দাবিকে ‘ফ্রাংকেনস্টাইনের দানব’ বলে অভিহিত করেছেন বিচারক। এদিকে নির্বাচনে পরাজয়ের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প চেয়েছিলেন জর্জিয়া, মিশিগান এবং পেনসিলভানিয়ার ফলাফলকে তার অনুকূলে নিয়ে আসতে। সে লক্ষ্যে নানা প্রচেষ্টা যখন ভেস্তে যেতে বসেছে এমন পরিস্থিতিতেও তার এই অনড় অবস্থান এখন খোদ তার নিজ দল রিপাবলিকান নেতাদের হতাশ করছে। মার্কিন গণতন্ত্রের বিশ^াসযোগ্যতাকে বিশে^র কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে তাদের অনেকেরই অভিমত। এমন বেশ কিছু রিপাবলিকান নেতা এবং বিভিন্ন রাজ্যের রিপাবলিকান গভর্নররা এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। পরিস্থিতি যখন এমন অবস্থায় দাঁড়িয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প তারপরও কেন নির্বাচনের ফলাফলকে না মেনে তার নিজস্ব সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন সেটা এই মুহূর্তে এক বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন।
আমরা যদি অতীতের মার্কিন নির্বাচনের ইতিহাসগুলো পর্যালোচনা করি তাহলে জানব যে নির্বাচনে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত সবপক্ষই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দিত করতে সময় নেন না। বিগত নির্বাচনে হিলারি ক্লিনটনের মতো হেভিওয়েট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৬০ লাখেরও অধিক পপুলার ভোট পেলেও ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট কম পেয়ে ট্রাম্পের কাছে পরাজিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফল মেনে নিয়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দিত করেন। মার্কিন নির্বাচনে এর আগেও এমনটা হয়েছে। জর্জ ডব্লিউ বুশ যখন প্রথমবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন সেই ২০০০ সালের নির্বাচনের কথা নিশ্চয়ই আমাদের মনে আছে। সে সময়ের নির্বাচনে একের পর এক রাজ্যের ভোটে যখন তার প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আল গোর বিজয়ী হতে থাকলেন, বুশ তার বিজয়ের সম্ভাবনা বাদ দিয়ে গোরকে অভিনন্দন জানিয়ে বসেন। পড়ে দেখা গেল ফ্লোরিডা রাজ্যের ফলাফলে বুশ সেখানকার সবকটি ইলেক্টোরাল কলেজের ভোট পাওয়াতে গোরের চেয়ে ১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে গেলেন। পরাজিত প্রার্থী গোরও তার পরাজয় মেনে নিয়ে বুশকে অভিনন্দিত করেন। যদিও সে সময় ফ্লোরিডার ভোট পুনরায় গণনার দাবিতে মামলা হয়েছিল এবং সেই মামলার রায় বুশের পক্ষেই গিয়েছিল, তারপরও বিজয়ী প্রার্থীর অন্তর্বর্তী সময়ে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রস্তুতি কর্মগুলো সম্পন্ন করতে সে রকম বেগ পেতে হয়নি। এবার সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি সবার নজরে এসেছে তা হচ্ছে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে পরাজয় মেনে না নেওয়ার ফলে ট্রানজিশন সময়টাতে বিজয়ী প্রার্থী প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না, যা বাইডেনকে তার অন্তর্বর্তী প্রশাসন সাজাতে বাধাগ্রস্ত করছে। এই ট্রানজিশন সময়ের জন্য বিজয়ী প্রার্থীদের জন্য সরকারের তরফ থেকে লোকবল এবং বাজেট বরাদ্দ থাকে, যার কোনোটিই পাচ্ছেন
না বাইডেন।
এবারের মার্কিন নির্বাচনটি ভবিষ্যতে মার্কিন গণতন্ত্রের ইতিহাস চর্চার জন্য অনেক দিক দিয়েই আলোচিত হয়ে থাকবে অনেকদিন পর্যন্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রব্যবস্থার যে চরিত্র এবং ক্ষমতার স্বতন্ত্রীকরণের যে কার্যকারিতা বিদ্যমান রয়েছে, এ অবস্থায় অন্য দেশের সঙ্গে তুলনা করতে গেলে বলতে হয় যে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়ে বাইডেনের কাছে ট্রাম্প যদি স্বেচ্ছার ক্ষমতা হস্তান্তর নাও করেন তারপরও আগামী বছরের ২০ জানুয়ারি বাইডেনের শপথ গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ পরিস্থিতিতে এই আলোচনার সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক দিকটি হলো, ট্রাম্প যত এই নির্বাচনি ফলাফলকে গ্রহণ করতে বিলম্ব করবেন, এর মধ্য দিয়ে তিনি কেবল যে নিজেকে বিতর্কিত করবেন তা নয়, এর ফলে বিতর্কিত করা হবে ভবিষ্যতের রিপাবলিকান নেতৃত্বকে, এবং সর্বোপরি মার্কিন গণতন্ত্রের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে। বর্তমান সময়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তাই তার নিজ দলের নেতাদের ক্রমেই সরব হয়ে ওঠার নেপথ্যে এই দিকগুলোই বেশি কাজ করছে। অবশ্য শুরুতে ট্রাম্পের এ ধরনের একগুঁয়েমি সিদ্ধান্তের পক্ষে কিছু রিপাবলিকান নেতৃত্বের সমর্থন তিনি পেয়েছিলেন। এর মূল কারণ ছিল ট্রাম্প শুরুতে তাদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন, কিছু রাজ্যের ভোট পুনরায় গণনা করাতে পারলে এটি তার পক্ষে যেতে পারে। সে লক্ষ্যে তারা এই শর্তেই ট্রাম্পের পক্ষাবলম্বন করেছিলেন। এ ক্ষেত্রে আইনি লড়াইয়ে কেবল জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ভোট আবার গণনা হয় এবং দ্বিতীয়বার গণনাতেও তিনি পরাজিত হন। বর্তমান সময়ে ট্রাম্প যা চাইছেন, অর্থাৎ সব ধরনের নির্বাচনি ব্যবস্থার বিপরীতে গিয়ে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত কিছু আইনসভার সদস্যদের প্রভাবিত করে আইনসভাতে নির্বাচনের ফলাফলকে আটকে দিত। সেটায় যে তিনি কেবল বিফল তাই নয়, বরং তার এ ধরনের নগ্ন উদ্দেশ্য গোটা মার্কিন সমাজকে ভয়াবহ লজ্জায় ফেলে দিয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও খুব ভালো করে জানেন যেকোনো অবস্থাতেই নির্বাচনের ফলফলকে প্রভাবিত করে তা নিজের পক্ষে তিনি নিয়ে আসতে সক্ষম হবেন না। এর মধ্য দিয়ে তার প্রেসিডেন্সির ৪ বছর সময়কালের যা কিছু ভালো অর্জন এর সবকিছুকেই তিনি মøান করতে বসেছেন। অবস্থা যদি আর কিছুদিন এরকম চলতে থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে মার্কিন গণতন্ত্রকে কলুষিত করার প্রয়াসে ইতিহাসে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ব্যক্তিগত জীবনে একরোখা স্বভাবের ট্রাম্পের সবচেয়ে অহমিকার জায়গাটি হচ্ছে জীবনে তিনি কখনও কোনো কিছু চেয়ে তা থেকে বঞ্চিত হননি। আর তাই পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী থেকে দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হওয়ার পর তার এই অহমিকার মাত্রা যেন আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। তিনি কখনও রিপাবলিকান দলের হয়ে সক্রিয় রাজনীতিতে ছিলেন না, বরং ১৯৯২ সাল পর্যন্ত রিফর্মিস্ট দলের সদস্য ছিলেন। অনেকটা অর্থের জোরে ২০১৬ সালের নির্বাচনে তিনি রিপাবলিকান দলের প্রাইমারিতে নিজের স্বপক্ষে দলের মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে সক্ষম হন। তা ছাড়া রিপাবলিকান দল থেকে সে সময়ে অপরাপর অনেকে হিলারি ক্লিনটনকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে তার সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতেও উৎসাহিত হননি। সে সময়ের নির্বাচনে ট্রাম্পের এই বিজয় তার আত্মবিশ^াসের মাত্রাকে অনেকগুণ বাড়িয়ে তুলেছিল। তিনি পরবর্তী নির্বাচনে পরাজিত হতে পারেন, এটি যেন কখনও স্বপ্নেও ভাবেননি! নির্বাচনের আগে প্রায় সবকটি জনমত জরিপে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও এটিকে সেরকম আমলে নেননি, কারণ ২০১৬ সালের নির্বাচনেও জনমত জরিপে পিছিয়ে থেকেও নির্বাচনের ফলাফলকে তার অনুকূলে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর তাই তো বরাবরই তিনি তার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পরাজিত হলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে কোনো প্রতিশ্রুতি দেননি।
ট্রাম্প তথা তার দল রিপাবলিকান দলের জন্য এই মুহূর্তে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে পরাজিত হলেও ট্রাম্প বিগত ৪ বছর সময়কালে তার রাষ্ট্র পরিচালনায় বেশ কিছু বিষয়ে সাফল্যের দাবিদার। এই সাফল্যগুলোর কিছু কিছু আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমালোচনার সৃষ্টি করলেও দিন শেষে মার্কিন স্বার্থের জন্য সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। শুরুতেই ইরান পরমাণু চুক্তি, ট্রান্সপ্যাসিফিক পার্টনারশিপ, প্যারিস জলবায়ু চুক্তি ইত্যাদি থেকে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নিয়ে বিশে^র অনেক দেশ কর্তৃক সমালোচিত হলেও অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে এগুলো ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হতে থাকে। বিশেষত, ট্রাম্পের বিবেচনায় বিভিন্ন রকম অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থ বিসর্জনের বিপরীতে অংশীদার রাষ্ট্রগুলোর অর্থনৈতিক স্বার্থে বেশি কার্যকর বলে বিবেচিত হচ্ছিল। তা ছাড়া প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে ট্রাম্পের সরে আসার কারণ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বৈশি^ক জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অনেকের মতো দায়ী এবং এই দায় স্বীকার করে এই খাতে অর্থের জোগান দিয়ে যেতে হবে এটি তিনি মেনে নেননি, যা তার দেশের মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়। চীনের সঙ্গে যে বাণিজ্যযুদ্ধ তিনি শুরু করেন, এর ফলও কিন্তু প্রায় দুই বছরের আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেই এসেছিল। চীন অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে নিয়ে পরবর্তী দুই বছর সময়ের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়। বারাক ওবামার শাসনকালের প্রায় পুরোটা সময় ধরে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা যুক্তরাষ্ট্রসহ গোটা বিশ^কে ব্যাপক দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল। ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই কিমের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনামে দুই দফা আলোচনার মধ্য দিয়ে উত্তর কোরিয়াকে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসতে ভূমিকা পালন করেন। এ কথা সর্বজনবিদিত যে কিমের সব শক্তির উৎস চীন, তাই পুরোটা সময় ধরে বাণিজ্য ক্ষেত্রে চীনকে কোণঠাসা করে উত্তর কোরিয়ার বিষয়ে চীনকে নিবৃত রাখা ট্রাম্পের দারুণ কূটনৈতিক কৌশল হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। তার শাসনকালের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে তিনি এই পুরোটা সময় নতুন করে কোথাও কোনো সৈন্য মোতায়েন করননি; যুদ্ধে জড়াননি, বরং আফগানিস্তান, সিরিয়াসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে মোতায়েনকৃত সৈন্য কমিয়ে এনেছেন। অবশ্য তার শাসনকালে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের যথেষ্ট অবনতি হয়েছিল।
উপরিউক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে নানা বিষয়ে ব্যাপক সমালোচিত ট্রাম্পের এই চার বছর শাসনামল পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে তার সমালোচনাগুলো ছিল মূলত তার স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যজনিত। অভ্যন্তরীণ স্বার্থের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনায় তিনি কিন্তু যথেষ্টই পারদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন, সর্বাগ্রে মার্কিন স্বার্থকেই তুলে ধরতে প্রয়াসী হয়েছেন। আর তাই তো বহির্বিশে^র প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায় অনেকেই যেন অনেকটা হাফ ছেড়ে বেচেছে। তার পরাজয় কিংবা বাইডেনের বিজয়ের কারণটি ভিন্ন আলোচনার দাবি রাখে। তবে শেষটা তিনি আরও ভালো করতে পারতেন। মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী কোনো প্রার্থী দুবারের বেশি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে এবার শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে তিনি পরবর্তী ২০২৪ সালের নির্বাচনের জন্য নিজেকে প্রার্থী হিসেবে আবারও তুলে ধরতে পারতেন। তার সম্প্রতি কর্মকাণ্ডের আলোকে তাই বলতে হয় ট্রাম্প কেবল নিজেকে নয় পরাজিত করছেন তার নিজ দেশ যুক্তরাষ্ট্রকেও।

ষ  সহযোগী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক
     সম্পর্ক বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়









সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]