ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১ ১৪ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১

ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ
আট আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট
নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট
প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৯ পিএম আপডেট: ০৩.১২.২০২০ ১১:৪০ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 25

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি সাইফুরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ২ মাস ৭ দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আবুল কাশেমের আদালতে ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। মোট ৩৪৭ পৃষ্ঠার চার্জশিটে সাক্ষী রাখা হয়েছে ৪৯ জনকে।
 
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত ৮ আসামির মধ্যে ৬ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও ২ জনের বিরুদ্ধে সহায়তার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে দাখিলকৃত চার্জশিটে। এ ছাড়া ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানের রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধারের আরেক মামলায় সাইফুর এবং মাহবুবুর রহমান রনিকে আসামি করে অপর একটি চার্জশিটও আদালতে দাখিল করেছে পুলিশ।
গত ২৯ অক্টোবর ৮ আসামির ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে পৌঁছায়। এতে ৬ জনের সংশ্লিষ্টতা পায় তারা। ঘটনাস্থলের আলামত, বাদী ও ভিকটিমসহ অন্য সাক্ষী ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং ডিএনএ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে চার্জশিট দাখিল করা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধায় সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূকে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই রাতেই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ ৮-৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার নিশারুল আরিফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তদন্তকালীন ঘটনাস্থলের আলামত, বাদী ও ভিকটিমসহ অন্য সাক্ষী ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং ডিএনএ প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য মতে, ধর্ষণে সরাসরি যুক্ত আসামিরা হচ্ছে, সাইফুর রহমান, শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, মো. রবিউল হাসান ও মাহফুজুর রহমান মাসুম। অন্যদিকে ধর্ষণে সহযোগিতার জন্য আসামি করা হয়েছে মো. আইনুদ্দিন ও মিসবাউল ইসলাম রাজনকে। তাদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চার্জশিট তৈরি করা হয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর অভিযুক্ত ৮ আসামির ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছে। ডিএনএ রিপোর্টে ৬ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে বলে পুলিশের একটি বিশেষ সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর ২ দিনে এ মামলায় গ্রেফতার ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহের পর ঢাকায় সিআইডির একটি বিশেষায়িত ল্যাবে তা পরীক্ষা করা হয়। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রথমে আদালতে এসে পৌঁছায়। পরবর্তী সময়ে এ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার হাতে আসে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]