ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১ ১৪ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১

লোকসানের মুখে আশুলিয়ায় বন্ধ হলো পাঁচ গার্মেন্টস
সাভার প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৯ পিএম আপডেট: ০৩.১২.২০২০ ১১:৩৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 23

মহামারি করোনার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে দেশের বৈদেশিক রফতানিনির্ভর তৈরি পোশাক খাতে। ক্রয় আদেশ কমে যাওয়ায় ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ে আশুলিয়ার ৫টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকপক্ষ। এর মধ্যে ৩টি কারখানা স্থায়ী বন্ধ এবং অপর দুটি লে-অফ ঘোষণা করা হয়। বন্ধ হয়ে যাওয়া এসব কারখানায় কাজ করত প্রায় ২ হাজারের অধিক শ্রমিক। বৃহস্পতিবার সকালে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সরোয়ার হোসেন।
 
জানা গেছে, আশুলিয়ার ধনাইদ এলাকার সিগমা ফ্যাশনস লিমিটেড কারখানা স্থায়ী বন্ধ ও জামগড়া এলাকার মদিনা অ্যাপারেলস কারখানা ৪৫ দিনের লে- অফ ঘোষণা করা হয়। এ ছাড়াও আশুলিয়ার ন্যাচারাল সোয়েটার ও পূর্বা সোয়েটার স্থায়ী বন্ধ ঘোষণার খবর পাওয়া গেছে। ন্যাচারাল সোয়েটারে ১ হাজার ১০০ শ্রমিক ও পূর্বা সোয়েটারে ২৫০ জন শ্রমিক কাজ করত। অন্যদিকে নিউ আইডিএস সোয়েটার কারখানার একটি সেকশন লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে কাজ করে ১০০ জন শ্রমিক।
সিগমা ফ্যাশনসের দেওয়া নোটিসে বলা হয়েছে, বাংলাদেশসহ সারা বিশে^ করোনা পরিস্থিতির কারণে কারখানা কর্তৃপক্ষ শত চেষ্টা করেও পর্যাপ্ত অর্ডার সংগ্রহ করতে পারেনি। ক্রমাগত ক্রয়াদেশ কমে যাওয়ার ফলে বর্তমানে কাজ শূন্যের কোঠায় নেমেছে। এ কারণে কারখানা চরম আর্থিক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে, দিন দিন ঋণের বোঝা বৃদ্ধি পাওয়ায় ৩০ নভেম্বর থেকে কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ করে শ্রমিকদের ত্রিপক্ষীয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আইনানুগ যাবতীয় সুবিধা আগামী ৭ ডিসেম্বর পরিশোধ করা হবে।
অপরদিকে মদিনা অ্যাপারেলস কারখানার নোটিসে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতি ও আকস্মিক বিপত্তির কারণে কারখানার বিভিন্ন সেকশনে কাজ না থাকায় বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১২ ধারা মোতাবেক ১ ডিসেম্বর থেকে ৪৫ দিনের লে-অফ ঘোষণা করা হলো। এই আইন অনুযায়ী কারখানায় কাজ না থাকলে অথবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্তৃপক্ষ লে-অফ ঘোষণা করতে পারে। এ সময়কাল মাসিক হারে ১ বছর ধরে চাকরি করা শ্রমিকরা তাদের মূল বেতনের অর্ধেক পাবেন।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ বস্ত্র ও পোশাক শিল্প শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সরোয়ার হোসেন বলেন, করোনার কারণে কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এ কথা সত্য, তবে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া অশনিসঙ্কেত। শ্রমিকদের মুখের দিকে তাকিয়ে ক্রয়াদেশ বাড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টির দাবি জানান তিনি।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]