ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ১৭ জানুয়ারি ২০২১ ২ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার রোববার ১৭ জানুয়ারি ২০২১

নড়াইলে মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের  বিরুদ্ধে দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ
মোস্তফা কামাল নড়াইল
প্রকাশ: শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:১৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 11

নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রওশন আলম খানের অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হতে বসেছে। তার
অনিয়ম-দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বরাবরসহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছে এলাকাবাসী।    
জানা গেছে, ইতোমধ্যে কলেজের অধ্যক্ষের নিয়োগ-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনসহ মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে অনিয়ম-দুর্নীতির ফিরিস্তি তুলে ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন অধ্যক্ষ রওশন আলম। তুলারামপুর আশার আলো মহাবিদ্যালয়ের সঙ্গে গড়ে তুলেছেন জেআর খান অটিজিয়াম ও প্রতিবন্ধী স্কুল। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রওশান আলম একজন দুর্নীতিবাজ ও রাজাকার পরিবারের সন্তান। তার বিরুদ্ধে নড়াইলসহ বিভিন্ন জেলায় রয়েছে নাশকতা মামলাসহ প্রায় ১১টি মামলা।    
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কলেজের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে নতুন করে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্য শুরু করেছেন অধ্যক্ষ। তার এ নিয়োগ-বাণিজ্য সম্পর্কে জানতে পেরে নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজা ডিও লেটার দিলেও পরবর্তীতে ওই ডিও লেটার বাতিল করার জন্য নতুন করে ডিও লেটার দেন।    
অভিযোগ, অধ্যক্ষ রওশন আলম খান শিক্ষক নিয়োগ-বাণিজ্য করার জন্য এলাকায় একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে নিয়োগ বাণিজ্য চালিয়ে আসছেন। অনিয়ম-দুর্নীতি সহজে বা বাধাহীনভাবে করার জন্য তার ভাইদেরসহ আত্মীয়-স্বজনদের ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব পূর্ণ স্থানে বসিয়েছেন। আশার আলো মহাবিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে সদরের পেড়লী গ্রামের মঞ্জুর সরদার, হাতিয়াড়ার ইভা রানী সরকার, বাকলীর মৃনাল অধিকারীর কাছ থেকে টাকা নিলেও তাদের চাকরি দেননি। তুলারামপুরের মালেক মোল্যার ছেলে নূর আলী মোল্যাকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাদের ১৬ শতক জমি মহাবিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের মধ্যে নিয়েছেন। পরবর্তীতে ওই ছেলের চাকরি না দেওয়ায় মনের কষ্টে বাবা মালেক মোল্যা আত্মহত্যা করেন। এ ছাড়া উল্টো নিজের মেঝ ভাইকে জমির দাতা দেখিয়ে কলেজের সভাপতি বানিয়েছেন।
অভিযোগ প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ রওশন আলম বলেন, কলেজে যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের যোগ্যতায় নিয়োগ পেয়েছেন। কারো কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। নিজের পরিবারের চারজনের চাকরির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, তাদের যোগ্যতানুযায়ী চাকরি হয়েছে। এখানে কোনো স্বজনপ্রীতি করা হয়নি। একের পর এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য করা হয়নি বলে দাবি করেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]