ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ১৮ জানুয়ারি ২০২১ ৪ মাঘ ১৪২৭
ই-পেপার সোমবার ১৮ জানুয়ারি ২০২১

পিকেএসএফ সেমিনারে বক্তারা
ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:৫৬ পিএম আপডেট: ১৪.০১.২০২১ ১১:১২ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 14

প্রান্তিক পর্যায়ের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ আসছে। এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় ৪ শতাংশ সুদে ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে। প্রণোদনা প্যাকেজটি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদনের জন্য আজই পরিষদ বিভাগে পাঠানো হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার এক ওয়েবিনারে এসব তথ্য জানান আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম। ‘করোনাকালে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ভ‚মিকা’ শীর্ষক ওই ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন আসাদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড.
 
হাছান মাহমুদ। সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘একটি প্রণোদনা প্যাকেজ অর্থমন্ত্রী অনুমোদন করেছেন। ১০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিতে যাচ্ছি। এটা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাব। অক্টোবর মাসে এটি নিয়ে একটি নীতিমালা তৈরি করতে বলা হয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘২০ হাজার কোটি টাকার যে প্রণোদনা দেওয়া হয়েছিল সেটার ডিসবার্সমেন্টটা ভালো ছিল না। অনেক চাপ প্রয়োগ করেছি, ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটা অনীহাও ছিল। আর একটা পরিস্থিতি তারা ফেল করেছে, সেটা হলো তাদের কাছে (ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা)
তথ্য ছিল না। এসএমই সেক্টরের গ্রাহকদের সঙ্গে তাদের পরিচিতিটা কম।’
সিনিয়র সচিব বলেন, ‘আমরা ধরছি, সেই অংশটা (যাদের প্রণোদনা দেওয়া হবে); কুটির, ক্ষুদ্র এবং মাইক্রো এভাবেই আমরা ধরছি। মাঝারি পর্যায়েরটাও (মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তা) আমরা আনছি না। ডাউন দ্য লাইন যারা আছে, যাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। সেই গ্রæপটাকে রিচ করার জন্যই আমরা এই প্যাকেজটা পরিকল্পনা করেছি।’
আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও বলছিলেন এই ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা যারা আছেন, ক্ষুদ্র উৎপাদক যারা আছেন তাদের কাছে আমাদের পৌঁছানোটা খুব জরুরি। আমরা যদি ক্ষুদ্র লেভেলের ডিমান্ডটা বাঁচিয়ে রাখতে না পারি বা সেখানে সাপ্লাই চেইন ধরে রাখতে না পারি, তবে সেটা আমাদের জন্য সমস্যা হবে। আমরা যদি সময়মতো তাদের চাহিদা পূরণ করতে পারি, সেই উদ্দেশেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পিকেএসএফ করোনাকালে অত্যন্ত বলিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে। প্রধানমন্ত্রীর আহŸানে সবাই সম্মিলিতভাবে এভাবে কাজ না করলে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ সফল হতে পারত না। তিনি আরও বলেন, পিকেএসএফ দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কাজ করে চলেছে এবং দারিদ্র্য বিমোচন হচ্ছে। আগে দারিদ্র্যের হার ৪১ শতাংশ ছিল, এখন সেটা ২০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। অতি দারিদ্র্যও প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছে। পিকেএসএফের মতো প্রান্তিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ করা এবং সরকারের নানামুখী উদ্যোগের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে।
পিকেএসএফের চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, সরকার পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিতরণের জন্য ৫০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। এর মধ্যে দেওয়া ২৫০ কোটি টাকা আমরা বিতরণ করেছি। আরও ২৫০ কোটি টাকা আমরা পাচ্ছি দুয়েকদিনের মধ্যে, সেটাও বিতরণ করা হবে। ওয়েবিনারে পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহসহ সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]