ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ৭ মার্চ ২০২১ ২২ ফাল্গুন ১৪২৭
ই-পেপার রোববার ৭ মার্চ ২০২১

জয়রথেই আবাহনী-বসুন্ধরা কিংস
প্রকাশ: রোববার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:৩১ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 15

ষ ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ফুটবলের
তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনের তিন ম্যাচই শেষ হলো ১-০ ব্যবধানে। এক গোলের জয়েই ঘরোয়া শীর্ষ লিগে টানা তিন ম্যাচ জয়রথে চেপে পার হলো আবাহনী লিমিটেড আর বসুন্ধরা কিংস। এতে টেবিলের শীর্ষ দুটি স্থান দখলে রেখেছে তারা। গোল ব্যবধানে শীর্ষে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন কিংস, দুইয়ে আসরের সব থেকে সফল দল আবাহনী। দিনের আরেক ম্যাচে উত্তর বারিধারাকে হারিয়েছে পুলিশ এফসি। টানা দুই হারে আসর শুরুর পর জয় দেখল দলটি।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে আবাহনী ঘাম ঝরানো জয় পেয়েছে রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস অ্যান্ড সোসাইটির বিপক্ষে। আগের দুই ম্যাচে পুলিশ এবং ব্রাদার্সকে হারানো মারিও লেমোসের শিষ্যরা এদিনও উপহার দেয় আক্রমণাত্মক ফুটবল। কিন্তু আক্রমণের পসার সাজিয়েও শেষতক জিততে হয় ১-০ ব্যবধানে। ফরোয়ার্ডদের সুযোগ নষ্টের মহড়ায় ৭৯ মিনিটে আবাহনীকে জয়সূচক গোলটি উপহার দেন জুয়েল রানা। নিজেদের মাঠ কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ স্টেডিয়ামে ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে বসুন্ধরা কিংস জয় পেয়েছে রবসন ডি সিলভা রবিনহোর গোলে।
ব্রাদার্সের এবারের দলটা সাদামাটা। বসুন্ধরা সেখানে বরাবরের মতোই শক্তিধর। ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিজেদের শক্তি দেখিয়েই খেলেছে তারা। কিন্তু স্কোরলাইনে তার প্রতিফল ঘটেনি। অস্কার ব্রুজনের শিষ্যরা বেশকিছু ভালো সুযোগ তৈরি করেছে। কখনও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট আবার কখনও ব্রাদার্স গোলরক্ষক তিতুমীর চৌধুরীর কারণে সেই সুযোগগুলোর সদ্ব্যবহার করতে পারেনি তারা। ১৬তম মিনিটে দারুণ এক শট নিয়েছিলেন রবিনহো, সেটা রুখে দেন তিতুমীর। চার মিনিট পর লক্ষ্যভ্রষ্ট ব্যাকহিলে সুযোগ নষ্ট করেন বেসেরা। আর্জেন্টাইন বংশোদ্ভূত এই চিলিয়ান ফরোয়ার্ড ২৬ মিনিটে যে হেডটি নিয়েছিলেন, সেটিও লক্ষ্যে ছিল না।
প্রথমার্ধের শেষদিকে তপু বর্মণের নেওয়া হেডটিও চলে যায় ক্রসবার উঁচিয়ে। ফলে হতাশা নিয়েই বিরতিতে যায় বসুন্ধরা কিংস। সেই হতাশা কাটতে ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে। ব্রাদার্স ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন মোহাম্মদ ইব্রাহিম, বাইলাইন থেকে তার কাটব্যাকে বল পেয়ে নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন রবিনহো। এরপর দারুণ দুটো শট নিয়েছিলেন বেসেরা। কিন্তু প্রতিবারই বাধার দেওয়াল হয়ে দাঁড়ান তিতুমীর। মূলত এই গোলরক্ষকের কারণেই জয়ের ব্যবধানটা বড় করতে পারেনি ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। শিরোপা পুনরুদ্ধারের মিশনে থাকা আবাহনীও বড় জয় পায়নি রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক রাসেল মাহমুদ লিটনের দারুণ কিছু সেভের কারণে।
বেলফোর্টের হেড লক্ষ্যে থাকলে ম্যাচের ২৩ মিনিটেই লিড নিতে পারত আবাহনী। মিনিট পাঁচেক পর ফ্রান্সিসকো ডি সৌজা ফিলহোর হেডও ছিল না লক্ষ্যে। তবে ৩৩ মিনিটের মাথায় যে শটটা এই ব্রাজিলিয়ান নিয়েছিলেন, সেটিতে লিটন গ্লাভস ছোঁয়াতে না পারলে জালেই জড়াত বল। প্রথমার্ধের অন্তিম মুহূর্তে ফিলহোর হেডে উড়ে আসা বল সহজের গ্লাভবন্দি করেন লিটন। এই অর্ধে রহমতগঞ্জ একমাত্র সুযোগটি তৈরি করে ৩৯ মিনিটে। বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় তারা। দারুণ শট নিয়েছিলেন তাজিক ডিফেন্ডার দিলসদ ভাসিয়েভ। তার সেই শট আবাহনীর রক্ষণ দেওয়ালকে ফাঁকি দিলেও বল বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে। দ্বিতীয়ার্ধে সোহেল মিয়ার শট একইভাবে বেরিয়ে যায় আবাহনীর আফগান ডিফেন্ডার মাসিহ সাইঘানির গায়ে লেগে।
এমন সুযোগ নষ্টের মহড়ায় ম্যাচটি ধীরে ধীরে শেষের পথে এগিয়ে যেতে থাকলে মরিয়া হয়ে উঠে আবাহনী। অবশেষে ৭৯তম মিনিটে স্বস্তি ফেরে নীল-হলুদ শিবিরে। রায়হান হাসানের লম্বা থ্রো ইনে বেলফোর্ট ব্যাক হেডে বল বাতাসে ভাসে। ডি বক্সে থাকা বদলি ফরোয়ার্ড জুয়েল সেই বল হেডেই পাঠান রহমতগঞ্জের জালে। তাতেই জয় নিশ্চিত হয় আবাহনীর। দিনের আরেক ম্যাচে বারিধারার বিপক্ষে পুলিশ এফসির জয় নিশ্চিত হয় ৮১ মিনিটে ফ্রেডেরিক পোডার ডাইভিং হেডে করা গোলে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]