ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭
ই-পেপার শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১

করোনা মহামারিতেও চা উৎপাদনে রেকর্ড
হৃদয় দেবনাথ শ্রীমঙ্গল
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:১৫ পিএম আপডেট: ২৪.০১.২০২১ ১১:২৬ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 70

২০২০ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তনের চা বাগান থেকে মোট ৮ কোটি ৬৩ লাখ ৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। তবে গত বছর শুধু উত্তরবঙ্গে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তনের চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১ কোটি ৩ লাখ কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে।
চা বোর্ড জানায়, গত বছর দেশে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭ কোটি ৫৯ লাখ ৪০ হাজার কেজি। ১৬৭টি ছোট-বড় চা বাগান মিলে ২০২০ সালে চা উৎপাদন হয়েছে ৮ কোটি ৬৩ লাখ ৯৪ হাজার কেজি। বিপরীতে ২০১৯ সালে চা চাষের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়। উৎপাদিত হয় ৯৬ দশমিক ০৭ মিলিয়ন কেজি বা ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি। ২০১৯ সালে চা উৎপাদন হয় ৯৬ লাখ কেজি। ২০২০ সালে চায়ের উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ কোটি ৫৯ লাখ ৪ হাজার কেজি। দেশের ১৬৭টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৫টি চা বাগানই সিলেট বিভাগে অবস্থিত, এর মধ্যে চায়ের রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত ১৯টি। এখানেও রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদিত হয়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম সময়ের আলোকে জানান, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল।
এ ছাড়াও উৎপাদনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২০ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
তিনি বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতেও উৎপাদনের এ ধারাবাহিকতা থেকে এটাই প্রতীয়মান হয়, যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের চা শিল্প উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম অর্থাৎ চা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, উত্তরবঙ্গে চা চাষিদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুল’-এর মাধ্যমে চা আবাদের বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
২০১৯ সালে বাম্পার ফলনের ফলে দেশে ৯ কোটি ৬ লাখ ৭ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। ২০২০ সালে করোনার কারণে হোটেল রেস্টুরেন্ট বা চায়ের দোকানে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চায়ের চাহিদা প্রায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হ্রাস পায়।
অন্যদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর চায়ের উৎপাদনও ১০ শতাংশ কমেছে। ফলে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চায়ের চাহিদা ও জোগানে ভারসাম্য বজায় রয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক : শাহনেওয়াজ দুলাল, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে
প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ। নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]