ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১ ৬ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১

প্লাস্টিক ও করোনাবর্জ্যে নদনদী-সাগরের
পানির মাত্রাতিরিক্ত দূষণ
সৈয়দ ফারুক হোসেন
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৯:৫৮ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 56

 বৈশি^ক মহামারির এ সময় বিশে^র অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের হতাশার চিত্র হলো ব্যবহৃত প্লাস্টিক ও করোনাবর্জ্যে নদনদী ও সাগরের পানি মাত্রাতিরিক্ত দূষিত হচ্ছে। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মানুষের ব্যবহৃত মাস্ক ও গøাভসের ৯২ শতাংশ খাল বিল নালা হয়ে নদীতে পড়ছে। বিশ^ব্যাংকের হিসাবে, সামগ্রিকভাবে প্লাস্টিক দূষণের দিক থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা, পদ্মা ও যমুনা নদী বিশে^র দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। বিশ^ বন্যপ্রাণী তহবিলের গত আগস্টের হিসাবে, বিশে^ গত এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে ১২ হাজার ৯০০ কোটি মাস্ক ও ৬ হাজার ৬০০ গøাভস নদী হয়ে সাগরে পড়ছে। এর আগে বিশে^ বছরে ৮০ কোটি টন প্লাস্টিক নদী হয়ে সাগরে জমা হতো, যা বছরে ১০ লাখ সামুদ্রিক পাখি ও ১ লাখ মাছের মৃত্যু ডেকে আনে। বঙ্গোপসাগরে ৩০০ ধরনের প্লাস্টিকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে করা ‘উৎস থেকে সাগরে’ শীর্ষক চলমান এক গবেষণায় আরও ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। বিশে^র শীর্ষস্থানীয় পরিবেশ বিষয়ক নারী বিজ্ঞানীদের নিয়ে গড়ে ওঠা ওই দলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পদ্মা থেকে ৩০০ ধরনের প্লাস্টিক পণ্য বঙ্গোপসাগরে পড়ছে। কোমল পানীয়ের বোতল থেকে শুরু করে থালা, প্রসাধন সামগ্রীর মোড়ক এবং নিত্যব্যবহার্য প্লাস্টিক সামগ্রীও ছিল ওই তালিকায়। ব্যবহার করার পর তা বিভিন্ন জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। গবেষণাটি কয়েকটি ধাপে করা হচ্ছে। এর মধ্যে গত বছর দুটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।
অধিক জনসংখ্যা আর অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশের মানুষ প্লাস্টিকের ব্যবহার বেশি করে। ফলে একই সঙ্গে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সস্তা পরিবেশবান্ধব পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে। প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তা সংগ্রহ করে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। যেসব দেশ প্লাস্টিক তৈরি করছে, তাদেরও এই দূষণের দায় নিতে হবে। ফলে সব মিলিয়ে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে। আর পলিথিনের কারখানা ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানও চালাতে হবে। গত জুনে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউএনইপি ‘বিশে^র প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিস্থিতি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, প্রতিদিন প্রায় ৭৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে। পরিমাণের দিক থেকে এটি বিশে^ পঞ্চম। এই বর্জ্যরে উৎস গঙ্গা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার দেশ চীন, ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা, যমুনা হয়ে এগুলো সাগরে যায়। বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডিও) ২০১৯ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের জলে-স্থলে বর্তমানে ৬৫ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়েছে। প্রতিদিন এর সঙ্গে ৩ হাজার টন করে যোগ হচ্ছে। সংস্থাটি দেশের পরিবেশের জন্য অন্যতম প্রধান হুমকি হিসেবে প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যাগকে চিহ্নিত করেছে। তারা বলছে, দেশে যেখানে জৈব বর্জ্য বৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ২ শতাংশ, সেখানে প্লাস্টিক বর্জ্য বৃদ্ধির হার সাড়ে ৭ শতাংশ। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক জেনেও দেশের ৬১ শতাংশ মানুষ পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করছে। অধিক জনসংখ্যা আর অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশের মানুষ প্লাস্টিকের ব্যবহার বেশি করে। ফলে একই সঙ্গে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সস্তা পরিবেশবান্ধব পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে। যারা প্লাস্টিকের ব্যবহার করছেন, তাদের সচেতন করতে হবে। যাতে তারা যত্রতত্র প্লাস্টিকসামগ্রী না ফেলে। মানুষ প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে কিংবা অসচেতনতার কারণে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলছেন নদ-নদী ও সাগরে। সে প্লাস্টিক বর্জ্য জোয়ার-ভাটার সঙ্গে ভেসে আটকে যাচ্ছে নদ-নদী এবং সমুদ্র তীরে। যার ফলে পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পতিত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন নদীর তীরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো সবুজ দেওয়াল খ্যাত ম্যানগ্রোভ বন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্লাস্টিক দূষণ হলো পরিবেশ কর্তৃক প্লাস্টিক পদার্থের আহরণ। যা মানবজাতির ওপর বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করে। মানুষের অসচেতনতাই প্লাস্টিক দূষণের প্রধান কারণ। প্লাস্টিক এমন এক রাসায়নিক পদার্থ যা পরিবেশে পচতে প্রচুর সময় লাগে। তাই একে অপাচ্য পদার্থ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। তাই প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব সৃষ্টি করে বলে পরিবেশবিদরা অভিমত ব্যক্ত করেন। পানির মধ্যে উদ্ভিদ কণা ও প্রাণী কণা থাকে। যা খালি চোখে দেখা যায় না। সাধারণত উদ্ভিদকুল, জলজপ্রাণী, দ্বীপ অঞ্চলের প্রাণীরা প্লাস্টিক বর্জ্যরে জন্য মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্লাস্টিক বর্জ্য নদীতে বসবাসকারী বিভিন্ন প্রাণীর বাসস্থান, খাদ্য সংগ্রহের স্থান ও উদ্ভিদের খাদ্যগ্রহণের পথে বাধার সৃষ্টি করে। শুধু উদ্ভিদ বা জলজ প্রাণী নয়, মানুষ প্লাস্টিক দূষণের কারণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞান মানুষকে অনেক কিছু উপহার দিয়েছে, যা জীবনযাপনকে করেছে সহজতর। কিন্তু বিজ্ঞানের সেই আশীর্বাদ মানুষের বিবেচনার অভাবে পরিণত হয়েছে অভিশাপে। প্লাস্টিক বর্জ্য তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। আর মাতৃজঠরের মধ্যেই পাওয়া যাচ্ছে প্রাণঘাতী মাইক্রোপ্লাস্টিকের নমুনা। সম্প্রতি রোমের সান জিওভান্নি ক্যালিবিটিয়া প্রসব হাসপাতালের চিকিৎসকদের গবেষণায় উঠে এলো এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। আর স্বাভাবিকভাবেই, আশঙ্কার যথেষ্ট কারণ আছে বলেই মনে করছেন গবেষকরা। ‘এনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ পত্রিকায় প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে চিকিৎসকরা দাবি করেছেন, ২০ জন প্রসূতির ওপর পরীক্ষা করে ৪ জনের প্ল্যাসেন্টাতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আল্ট্রা-সাউন্ড টেকনোলজির মাধ্যমে প্লাসেন্টার অন্যান্য অবস্থাও পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। যদিও প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্লাস্টিকের পরিমাণ ছিল বিপদসীমার নিচে। তবে মাতৃগর্ভে ১০ মাইক্রন বা তার থেকেও সূ² প্লাস্টিকের কণা কীভাবে প্রবেশ করল, তার সঠিক উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। তবে গবেষণা দলের সদস্য অ্যান্টোনিও রাগুসার মতে, সম্ভবত খাবারের সঙ্গেই প্রসূতির শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করেছে।
প্লাস্টিকের ভয়াবহ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে বিজ্ঞানীরা বিকল্প প্লাস্টিকের সন্ধান করছেন। বাংলাদেশে প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে পচনশীল পাটের ব্যাপক প্রচলনের চেষ্টা চলছে। এ ছাড়াও অতি সম্প্রতি সন্ধান মিলেছে প্লাস্টিকের বিকল্প জৈব প্লাস্টিক। খাদ্যদ্রব্যের বাদ দেওয়া, পরিত্যক্ত ফেলে দেওয়া অংশ থেকে জীবাণুর সাহায্যে বিয়োজিত করে, মাটিতে ও পরিবেশে মিশে যাওয়ার উপযুক্ত জৈব প্লাস্টিক তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে হনলুলুর হাওয়াই ন্যাচারাল এনার্জি ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী জেন ইউ। এ ছাড়া জিন প্রযুক্তির সাহায্যে এমন এক উদ্ভিদ জন্ম দেওয়া হয়েছে যা থেকে পাওয়া যাবে এক বিশেষ ধরনের পলিমার। এই পলিমারকে উত্তাপের সাহায্যে গলিয়ে তৈরি করা হবে প্লাস্টিক। এটাই জৈব প্লাস্টিক। এই জৈব প্লাস্টিক পরিবেশ দূষিত করবে না। কাগজের মতোই পরিবেশের সঙ্গে খাপে খাপে মিশে যাবে। সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন মানুষ সত্যিই দুষণমুক্ত এই প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহার করতে পারবে। তবে তার আগে ভাবতে হবে এখন কী উপায়। ডিজিটাল যুগে প্লাস্টিক দূষণ থেকে পরিত্রাণে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পচনশীল এবং অপচনশীল দ্রব্য আলাদা করার অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এটা বড়ই আশার কথা।
এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নানাবিধ কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়ে এরই মধ্যে জাতীয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘ত্রি আর’ (রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল) কৌশল গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদফতর পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নবায়নে কৌশল গ্রহণ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নবায়ন কাজ বড়ই কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এ কাজের জন্য সংগৃহীত প্লাস্টিক থেকে দূষিত পদার্থ শরীরে আসতে পারে। আবার পুনরায় ব্যবহারেও দূষণের সম্ভাবনা রয়ে যায়। কারণ, নবায়নে প্লাস্টিক গলানো হয়। গলানোর সময় ডায়াসিন, নাইট্রোবেঞ্জিন ইত্যাদি বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন হয়। এই গ্যাস কারখানার শ্রমিক ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আবার পোড়ালেও বিপদ কম নয়। পোড়ানোর ফলে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত জৈব ও অজৈব গ্যাস উৎপন্ন হয়।
এ সময় পরিবেশ দূষণকারী ডাই অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ক্লোরাইড, সিএফসি, সিডিএফ, সিডিডি ইত্যাদি মারাত্মক গ্যাসীয় যৌগ প্রচুর পরিমাণে বের হয়। মানুষের শরীরে ক্যানসার সৃষ্টির জন্য এগুলোর যেকোনো একটাই যথেষ্ট। প্লাস্টিকমুক্ত বিশ^ চাই সেøাগান আজ চারিদিকে। প্লাস্টিক আজ বিশ^ জলবায়ু সঙ্কটের প্রধান কারণ। প্লাস্টিক পণ্য যতই সস্তা, সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় হোক না কেন এর ব্যবহার কমাতে হবে। তা না হলে এই দূষণ মানবজাতির জন্য বয়ে আনবে অনিবার্য মহাপ্রলয়। প্রতিদিন কোটি কোটি পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার শেষে ফেলে দেওয়া হয়। ফেলে দেওয়া পলিথিন ব্যাগের একটা বিরাট অংশ কোনো না কোনোভাবে নদীতে গিয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের কোনো কোনো নদীর তলদেশে পলিথিনের পুরু স্তর জমেছে! এমনিতেই দেশের প্রায় সব নদ-নদীতে পলিথিন-প্লাস্টিক দূষণের প্রভাব তো আছেই। পলিথিন সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ঢাকাসহ বড় বড় শহর, জেলা শহর, পৌরসভা ও উপজেলা শহর এলাকায়। ফলে শহর এলাকার নদ-নদীগুলোই পলিথিন দূষণের শিকার হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। ঢাকার বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, বংশী, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ^রী নদী; বরিশালের কীর্তনখোলা নদী; চট্টগ্রামের কর্ণফুলী ও হালদা নদীর তলদেশে পলিথিনের পুরু স্তর পড়েছে। এ ছাড়া নরসুন্দা, নবগঙ্গা, সুরমা, করতোয়া, ইছামতীসহ বিভিন্ন নদ-নদী পলিথিন দূষণের কবলে পড়েছে। বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা, হালদা ও কর্ণফুলী নদীর তলদেশে কয়েক ফুট পুরু পলিথিনের স্তর জমার কারণে নদীর দূষণ তো বটেই, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণে মাছের জীবনচক্র হুমকির মুখে পড়ছে! এ ছাড়া পলিথিন দূষণের কবলে পড়ে নদ-নদীর সার্বিক পরিবেশ-প্রতিবেশ ব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়ছে।
শিল্প-কারখানায় প্লাস্টিক ব্যবহার চরমভাবে নিরুৎসাহিত করতে আইনের সঠিক প্রয়োগের পাশাপাশি জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা দরকার। এ ছাড়া পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধী জৈব-পচনশীল পাটজাত পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বাড়াতে হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে পাটের উৎপাদনের বহুমুখী ব্যবহার বাড়ানোর জন্য ধান, চালসহ কয়েকটি পণ্য প্যাকেজিংয়ে পাটজাত সামগ্রী ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে। যা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। বর্তমান সরকারের প্লাস্টিকবিরোধী কৌশলগত পলিকল্পনার কারণে, প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সরকার, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, পেশাজীবী, মিডিয়া, এনজিও ও সুশীল সমাজের ঐকমত্য অংশগ্রহণে প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। তাই প্লাস্টিক নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের গণসচেতনতা আগের চেয়ে বহুগুণ বেড়েছে। তবে শুধু আমাদের সচেতন হলেই চলবে না, বৈশি^কভাবেই এই সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

ষ ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জাগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক: হারুন উর রশীদ, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]om