ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১ ৬ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১

মানুষের বাড়িঘর
মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ
প্রকাশ: শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৯:৫১ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 37

 ঢাকা শহরে আমার নিজের কোনো বাড়ি নেই। সন্তানের মায়ার বাঁধনে আটকা পড়ে নিজের শহর ছেড়ে তবু আজ সেই ঢাকায়ই থাকতে হয়। বেশিরভাগ সময় কাটে পেশায় স্থপতি ছোটছেলের মালিবাগের একটি ফ্ল্যাটে। সেখানে থেকে শহর অভ্যন্তরে যাতায়াতে কিছুটা সুবিধা রয়েছে। রিকশা বা স্কুটারে চড়ে পত্রিকা অফিসগুলোতে ও আত্মীয়স্বজনের বাসায় গিয়ে সহজে সৌজন্য সাক্ষাৎ করা যায়। সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক বড়ছেলের পুরান ঢাকার গেÐারিয়ায় মাঝেমধ্যে গিয়েও থাকা হয় পিতৃত্বের নিবিড় বন্ধনের কারণে। ছোটছেলের ঘরে আমার নাতি ওর দাদাকে বড্ড ভালোবাসে। যেখানেই থাকি আমার দুই পুত্রের সেবাযতেœ আমার মন ভরে যায়। আমার সন্তানেরা আমাকে খুব আরাম আয়েশে রাখে যতটা আমি আশা করিনি কোনোদিন। মালিবাগে অবস্থিত বাড়িটির পাঁচ তলায় আমি থাকি। কখনও ছাদে গিয়ে পুরো ঢাকা শহরে গিজগিজ করে গড়ে ওঠা বাড়িগুলো দেখতে পাই। একটি বাড়ির মধ্যে আরেকটি বাড়ির নেই কোনো ফাঁকা জায়গা। আলো-বাতাস চলাচলের কোনো ব্যবস্থা। ঘরে বসে আকাশ পর্যন্ত দেখার কোনো উপায় নেই। আলো জ¦ালিয়ে সারা দিন থাকতে হয় ঘরে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া এখন আর বাইরে বেরোনো হয়ে ওঠে না। হাট-বাজার,
খাওয়া-দাওয়া নিয়ে ভাবনার আমার কোনো সুযোগ নেই। এসব দেখে মনে হয় আমি যেন দুনিয়ার এক বেহেশতে আছি। এ দীর্ঘ জীবনে আমি এমন ভালো কিছু করিনি যার জন্য আমার এতসব পাপ্য হতে পারে।
ষাটের দশকে ঢাকায় এসেছিলাম চাকরির সুবাদে। কর্মস্থল লাগোয়া বেশ বড় সরকারি বাড়ি পেয়েছিলাম। একমাত্র শিশুপুত্র ও স্ত্রীকে নিয়ে স্বল্প বেতনে বেশ আনন্দেই কাটছিল দিনগুলো। তেজগাঁও শিল্প এলাকায় পিলারের ওপর দাঁড়ানো যে বাড়িটায় থাকতাম সেটাও আমার নিজের ছিল না, সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার্স। সেই সময়ে ফাঁকা শহর ঢাকার তেজগাঁওয়ের মতো নির্জন এলাকায় অতি স্বল্পমূল্যে এক টুকরো জমি কেনা খুব কঠিন কাজ ছিল না যেটা আমার দূরদর্শী আত্মীয়স্বজন ও সহকর্মীরা সহজে করে ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। এ নিয়ে আমার কোনো দুঃখবোধ নেই। বরং আমি তাদের সুদূরপ্রসারী ভাবনা দেখে আনন্দ পাই। সম্পদ কেন তেমন কোনো কিছু সঞ্চয়ে বিশ^াস ছিল না কোনোদিন আমার। এ জন্য আমার একান্ত স্বজনরা অনেকেই দুঃখ প্রকাশ করেন। বিস্মিতও হন কেউ কেউ আমার ঘরে পুরনো কালের আসবাবপত্র দেখে। এত বছর বিদেশে থেকে আমার চালচলনে কোনো পরিবর্তন নেই! তারা বলেন, আমি নাকি ‘বৈষয়িক’ নই। এই বৈষয়িক ভাবনাটা অর্থ আমি আজও খুঁজে পাইনি। তাদের এ ধরনের সহানুভ‚তিতে আমার মনে কোনো প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয় না। জীবন সম্বন্ধে মানুষে মানুষে ভিন্ন মত থাকতেই পারে এবং সেটা হওয়াই স্বাভাবিক।
ঢাকা থেকে প্রয়োজনে বরিশালে আসি লঞ্চে চড়ে। রাতের বেলায় সদরঘাট থেকে ছেড়ে পরদিন খুব সকালে বরিশাল ঘাটে এসে লঞ্চ পৌঁছায়। কেবিনে আসার সৌভাগ্য হয়েছে বলে সারা রাত কষ্ট ক্লেশ না করে ঘুমিয়ে আসা যায়। ডেকের যাত্রীদের কথা অবশ্য আলাদা। স্টিলের পাতের তৈরি লঞ্চের অসম্ভব ঠান্ডা ডেকে সারা রাত বসে কাটাবার অভিজ্ঞতা আমারও রয়েছে অনেকদিনের। বিদেশ থেকে ফিরেও সদরঘাট থেকে কলা-রুটি কিনে বউ-বাচ্চা নিয়ে খেয়ে মানুষের ভিড়ে গাদাগাদি করে ডেকে চাদর বিছানো সজ্জায় নির্ঘুম রাত কাটিয়ে বরিশাল আসার কথা আজ মনে পড়ে। আজও ভাবতে আনন্দ লাগে। স্মৃতিগুলো দুঃখের হলেও তার মধ্যে এক রকম আনন্দ খুঁজে পাওয়া যায়। আজকাল ঢাকা-বরিশাল যাতায়াতের প্রয়োজন হলে আমার ছেলেরাই সব ব্যবস্থা করে রাখে। পিতার জন্য ওদের অপরিসীম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা দেখে আমি বিস্মিত, মুগ্ধ। আমার সন্তানদের মতে এসব নাকি আমার ন্যায্য পাওনা। জীবনে বেশিকিছু চাইনি বলেই হয়তো যতটুকু পাই তাতেই বেশি মনে হয়। দীর্ঘ জীবনে এমন অনেক বড় মাপের মানুষের সন্ধান পেয়েছি যারা অনেক কিছু পাওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্তে¡ও রিক্ত হস্তে জীবন কাটিয়ে গেছেন। তাদের তুলনায় আমি যে বড় নগণ্য।
কদিন আগে ছোটছেলের মালিবাগের বাসা থেকে বেরোই সদরঘাটের উদ্দেশে বৃষ্টি ও ভীষণ ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যে। ওর গাড়িতে করে সদরঘাট রওনা হই। এবারের যাত্রায় গাড়ির ভেতর থেকে ঢাকার জলমগ্ন রাস্তায় মানুষের ছোটাছুটি আমার দৃষ্টি কেড়ে নেয়। বাসে ঝুলে
থাকা যাত্রী, রিকশা ভ্যানে চলাচলকারী মানুষকে ভেজা কাকের মতো অবস্থায় দেখে খারাপ লাগে যদিও এ অবস্থার মুখোমুখি আমাকে জীবনে কম হতে হয়নি। তবুও আজ বৃষ্টিভেজা মানুষগুলোর অসহায় অবস্থা দেখে মন ভারী হয়ে ওঠে। এই শহরে নিম্নবিত্তের খেটে খাওয়া মানুষের বড় কষ্ট। এদের বাড়িঘর, পরিবার-পরিজন ছেড়ে ঢাকায় পড়ে থাকতে হয় অন্নসংস্থানের জন্য। ওদের বেশিরভাগেরই থাকার কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। সদরঘাট, বাস টার্মিনাল আর ফুটপাথই এখন ওদের বাড়ি। এমনকি দিনে ভ্যান চালিয়ে ভ্যানের ওপরই রাতে শুয়ে থাকে শীতের রাতে কাঁথা মুড়ি দিয়ে। অন্যদিকে একদল উচ্চ বিত্তবান দেশ ছেড়ে পাড়ি জমায় বিদেশে। সেখানে গড়ে তোলে ‘সেকেন্ড হোম’। বিলাসবহুল বাড়িঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করে মহাসুখে! মনে করে ওটাই তার নিজের বাড়ি, আবাসভ‚মি। ভাবি, যে দেশটাই নিজের নয় সেখানকার বাড়ি নিজের হয় কেমন করে? এমনও অনেক দেখেছি, যিনি এত শ্রম দিয়ে একটি বাড়ি বানান পরম যতেœ সেখানে তিনি থাকারই সুযোগ পান না। থাকে তার পরবর্তী বংশধর। কখনও যতেœ গড়া বিরান বাড়িঘর ধীরে ধীরে ধ্বংসস্ত‚পে পরিণত হয়।
এবারের বৃষ্টির কারণে ঢাকায় অন্যসব দিনের মতো যানজট না থাকায় অল্প সময়ে সদরঘাটে পৌঁছে যাই। ছেলেরাই বাক্স-প্যাটরা তুলে পিতাকে আগলে নিয়ে লঞ্চের নির্দিষ্ট কেবিনে বসায় পরম যতেœ। লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার পূর্বে অশ্রæসজল নয়নে বিদায় নিয়ে যায়। জীবনের এ যেন এক বড় ট্র্যাজেডি। বরিশাল লঞ্চঘাটে এসে সকালে জেগে উঠি। দ্রæততম সময়ে অটোরিকশায় করে বাসায় চলে এলে যিনি গেট খুলে দেন তিনি একজন কর্তব্যপরায়ণ নারী। দীর্ঘকাল বাসার কাজে আমার স্ত্রীকে সাহায্য সহযোগিতা করেন। ঢাকায় গেলে আমার পিতৃপ্রদত্ত বাড়ি পাহারা দেন। বাড়িটা তার নয় একবারেই তারপরও তিনি যতœ করে ধুয়েমুছে রাখেন নিজের বাড়ি মনে করে। গাছগাছালির যতœ নেন, ফুলে ফলে ভরে রাখেন বাড়িটি। এই সাদাসিদে নারীর প্রতি আমাদের
কৃতজ্ঞতাবোধের শেষ নেই।
বরিশাল শহরে প্রায় এক বিঘা জমির ওপর আমাদের পৈতৃক বাড়িটি। ওটা আমার নিজের নয়। বাবা তার সারা জীবনের কষ্টার্জিত স্কুল শিক্ষকতার চাকরির জমানো টাকা দিয়ে জায়গাটা কিনেছিলেন। অনেক শ্রমের বিনিময়ে গড়ে তুলেছিলেন একটি শক্ত মজবুত কাঠ দিয়ে দৃষ্টিনন্দন দোতলা টিনশেড ঘর। সেখানেই তিনি তার সাধ্যমতো আমাদের সাত ভাইবোনকে ভালো খাইয়েছেন, পরিয়েছেন। এন্ট্রান্স পরীক্ষায় মেধাস্থান অর্জন করে বাবা উচ্চশিক্ষা নিয়েছিলেন। তিনি সযতেœ আমাদের সুন্দর জীবন গড়ার জন্য উপযুক্ত পাঠদানে নিরলস কাজ করেছেন। তিনি চেয়েছিলেন তার সন্তানেরা মানুষ হোক। আমরা যে যার ইচ্ছামতো ছোটখাটো ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষক হয়েছি। তিনি তার সন্তানদের যথাযোগ্য সম্মানের জায়গায় দেখে যেতে চেয়েছিলেন। কলকাতার সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলে বেগম রোকেয়ার কাছে শিক্ষা নেওয়া আমার নিবেদিতপ্রাণ বিদুষী মা সব সঙ্কটে বাবার পাশে থেকেছেন। বাবা তার
আয়-রোজগারে অতি সাধারণ জীবন কাটিয়ে পরপারে চলে গেছেন আশির দশকে। চাকরিতে অবসর গ্রহণের পরও বাবা আমাদের ওপর নির্ভরশীল হননি। রেখে গেছেন সন্তানের জন্য ছোট্ট শহরে এক বিঘা জমিনের ওপর সযতেœ গড়ে তোলা একটি টিনের চালাঘর!
সেই সময়কার মধ্যবিত্তের জীবনটা এমনই ছিল। সামান্য কিছু শিক্ষাগ্রহণ করে দেশের চাকরি জীবনে চরম অসচ্ছলতার যন্ত্রণা আমাকে দেশের বাইরে যেতে বাধ্য করেছে। তবে যেখানেই গেছি সে জায়গাটাকে ক্ষণিকের জন্য হলেও আপন করে নিয়েছি। সেখানকার প্রকৃতি, মানুষজন, ঘরদোর সব নিজের বলে মনে হয়েছে। আগলে রেখেছি আপন করে। বাগদাদের সেই দোতলা ঘরে পরিবার নিয়ে দু’বন্ধুর মিলেমিশে থাকা, নাইজেরিয়ার বিশাল এক বাংলোর পাশে গাছপালা লাগিয়ে আপন সাজে সাজানো বা মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের ডুপ্লেক্স বাড়িটাকে কতই না আপন বলে মনে হয়েছে। নিউইয়র্কে থাকা ফ্ল্যাটটিকে ক্ষণিকের জন্যও মনে হয়নি, এ ঘর, চারিদিকের কোনোকিছু আমার নিজের নয়। অথচ একদিন সব কিছু ছেড়ে, সব মায়ার বাঁধন কাটিয়ে ঠিকই চলে আসতে হয়েছে। বাবার মৃত্যুর পর ছেলেবেলার স্মৃতিবিজড়িত সেই দোতলা টিনের ঘর ভেঙে দেওয়ার কষ্ট আমার মনে রয়ে গেছে। সেখানে আমার চিকিৎসক ছোটভাই একটি ছোট্ট একতলা পাকাঘর করেছে। পাশেই আমি বানিয়েছি পাকা দেওয়ালে ঘেরা একটি টিনশেড ঘর। নাম দিয়েছি ‘শ্যালে’। সুইজারল্যান্ডের বিশেষ এ ধরনের বাড়ির সঙ্গে আমার বাড়ির মিলের যথার্থতা বুঝতে চান অনেকে। নাইজেরিয়ায় চাকরিকালে এ ধরনের একটি ঘরে আমাকে থাকতে দেওয়া হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর। সেখানকার অর্জিত সামান্য অর্থের বিনিময়ে গড়া বাড়ির নাম সেই দেশের প্রতি আমার
কৃতজ্ঞতাবোধের বহিঃপ্রকাশ।
বরিশাল শহরে বাংলো প্যাটার্নের আমার ঘরের সামনে অসংখ্য ফুলে ফলে ভরা গাছপালা। বাবার আমলের অসংখ্য দুর্লভ ফলের গাছগাছালি রয়েছে এখানে। এ শহরে চালতা গাছ আর কটা আছে আমার জানা নেই। বাড়ির গেট পেরিয়ে খানিকটা পথের দুধারে দৃষ্টিনন্দন পাতাবাহার আর মেহেদি গাছের ঝাড়। সামনে একসময় বড় যতœ করে লাগিয়েছিলাম বেগুনি রঙের বুগেনভেলিয়া আর দুর্লভ মর্নিং গেøারি ফুলগাছ। এ বাড়িতে এখন আর নিয়মিত থাকা হয় না বলে ওসব আর নেই। হয়তো আমারই অবহেলায় অভিমান করে ওরা মরেই গেছে। এ ঘরে যারা আসেন এখনও যা আছে দেখে মুগ্ধ হন। বাড়ির সামনের বিশাল দৃষ্টিনন্দন মাছে ভরপুর পুকুর, যা ভরাট করতে হয়েছে। মাঝেমধ্যে সময়ের প্রয়োজনটা বড় নিষ্ঠুর মনে হয়। পুকুরের সেই জায়গায় শোভা পায় সুন্দর কাশফুলের উদ্যান। মানুষ সীমানা প্রাচীর ডিঙিয়ে চোখ ভরে এসব দেখে আর নির্মল আনন্দ পায়। গোটা বরিশাল শহরে এমনটি নাকি কোথাও মেলে না। ছায়াঘেরা ছোট্ট এক নীড়ে শীতল হাওয়ার মোহন পরশ, ফুলের মিষ্টি ঘ্রাণ, পাখিদের মুখর কলতান, বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে সুখনিদ্রা আর কোনো জায়গায় আছে? মালিবাগ বা গেÐারিয়ার বাসার যান্ত্রিক জীবনযাপনের খানিকটা অবসরে আমার সন্তানেরা আসে এই ঘরে। কটা দিন কাটিয়ে আবার চলে যায় ওদের নগর জীবনের কর্মব্যস্ততায়। বড় নিষ্ঠুর সময়।
ঢাকা বা বরিশালে কোথাও আমার নিজের বাড়ি নেই, এ নিয়ে আমার এতটুকু দুঃখবোধও নেই। যখন যেখানে থাকি আমি বড্ড সুখে থাকি। সবসময় পুরো বাংলাদেশই আমার নিজের বাড়িঘর বলে মনে হয়। গোটা পৃথিটাকেই জীবনের এই ক্ষণিক সময়ের জন্য নিজের ভাবতে ক্ষতি কি! জানি, আমি আজ আমার ছোট্ট এই শহরে যখন আসি তখন থাকি আমার বাবার বাড়িতে। আমার সন্তানরা মাঝেমধ্যে আসে ওদের দাদার বাড়িতে। আর আমার নাতি বলে, এটা নাকি ওর বাবার দাদাবাড়ি। আসলে এ বাড়িটি কার? কেন যেন বারবারই মনে হয় এই বিশাল বিশে^ ‘আমার’ বলতে কিছু নেই। সব জিনিসই সবার আবার কোনোটাই কারও নয়। মানুষ সবকিছু শুধু ভোগ করে ক্ষণিকের জন্য। মানুষ আসে এক অজানা ঠিকানায় আবার চলে যায় নির্দিষ্ট গন্তব্যে। আসলেও নিজের বলে কি সত্যি কিছু থাকে! বিচিত্র এ পৃথিবী, কি বিচিত্র মানুষের জীবন!

ষ প্রকৌশলী (অবসরপ্রাপ্ত)







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক: হারুন উর রশীদ, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]