ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১ ৬ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১

নিউজিল্যান্ডে ভালো খেলা কঠিন!
প্রকাশ: রোববার, ৭ মার্চ, ২০২১, ১০:০৩ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 68

ক্রীড়া প্রতিবেদক
এমনিতেই দেশটি শীতপ্রধান। তাসমান সাগরের কূলবর্তী হওয়ায় বাতাসের বেগ স্বাভাবিকভাবেই বেশি, সেই বাতাস আবার কনকনে ঠান্ডা, রীতিমতো হাড়ে কাঁপন ধরিয়ে দেয়। এমন কন্ডিশনে ক্রিকেট খেলা এমনিতেই কঠিন। তার ওপর উইকেট থাকে সবুজ ঘাসে মোড়ানো। এমন বিরুদ্ধ কন্ডিশন আর উইকেটে ভালো খেলা কতটা কঠিন, বিগত দুই দশকে তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে টিম বাংলাদেশ।
সমান তিনটি করে ওয়ানডে আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে টিম বাংলাদেশ এখন নিউজিল্যান্ডে। এর আগে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যতবার তাসমান সাগরঘেঁষা দেশটিতে গেছে টাইগাররা, একের পর এক ম্যাচ হারে হারে কেটেছে তাদের। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২৬টি ম্যাচ (৯ টেস্ট, ৪ টি-টোয়েন্টি আর ১৩ ওয়ানডে) খেলেছে অতিথিরা, এর একটিতেও জয় নেই। প্রতিটি ম্যাচই হেরেছে টাইগাররা। অথচ এই নিউজিল্যান্ডকেই নিজেদের মাটিতে সবশেষ সাত ওয়ানডেতে হারিয়েছে তারা।
বাংলাদেশ দল নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে আইসিসির মেগা ইভেন্টে, নিরপেক্ষ ভেন্যুতে। তাই নিউজিল্যান্ডকে হারানো কিংবা তাদের বিপক্ষে ভালো খেলা টাইগারদের জন্য খুব কঠিন কিছু নয়। কিন্তু খেলা যদি হয় নিউজিল্যান্ডের মাটিতে, তা হলে বিষয়টা পুরোপুরি উল্টো। অতীতের ম্যাচগুলোয় তাদের পারফরম্যান্স, কোনো বিভাগেই স্বমহিমায় জ্বলে উঠতে না পারা এই সাক্ষ্য দেয়Ñ নিউজিল্যান্ডে ভালো খেলা টাইগারদের জন্য খুবই কঠিন। শনিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একই কথা বলেছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুও।
তা হলে কি এবারও টাইগারদের ললাটে হারের পর হারই লেখা? সম্প্রতিক সময়ে নিউজিল্যান্ড দল যে মানের ক্রিকেট খেলছে তাতে শঙ্কাটা উড়িয়ে দেওয়ার উপায় নেই। তবে টিম বাংলাদেশ যদি নিজেদের সেরা পারফরম্যান্সটা দেখাতে পারে, তা হলে ললাট লিখন নিশ্চিতই বদলে যাবে। শঙ্কার মেঘের ফাঁকেও তাই আশার সূর্যটা দেখতে চাইলেন প্রধান নির্বাচক নান্নু, ‘নিউজিল্যান্ডের কন্ডিশন অনেক কঠিন, এটা অবশ্যই আমাদের মাথায় রাখতে হবে। নিউজিল্যান্ডে ভালো ক্রিকেট খেলা খুবই কঠিন। তবে সবাই যদি সেরা দিতে পারে, আমরা আশাবাদী।’
ভবিষ্যতে চোখ রেখে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের ক্রিকেটারদের নিয়েও আশাবাদী নান্নু। আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে ইমার্জিং দলের পারফরম্যান্স দেখার জন্য বর্তমানে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন তিনি। এক আইরিশ ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় প্রথম ওয়ানডেটি ভেস্তে গেলেও চারদিনের ম্যাচটি মাঠে বসেই দেখেছেন প্রধান নির্বাচক। লাল বলের ক্রিকেটের জন্য সেখানে বেশ কয়েকজন প্রতিভাবান খেলোয়াড়ের দেখা পেয়েছেন তিনি, যারা আগামী দিনে জাতীয় দলকে সার্ভিস দিতে সক্ষম। নিবিড় পরিচর্যায় ওই প্রতিভাগুলোকে সেভাবেই প্রস্তুত করা হচ্ছে, এমনটাই জানালেন প্রধান নির্বাচক।
তরুণদের ঘিরে আগামীর স্বপ্ন বুনছেন নান্নু, ‘খুব অল্প সময়ের মধ্যে দলটা তৈরি করা হয়েছে। চারদিনের ম্যাচে ওরা বেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। খুব ভালো কিছু পারফরমার আমরা ওখানে পেয়েছি। আমাদের এইচপির কার্যক্রম হলো আগামী দিনের জন্য খেলোয়াড় তৈরি করা। সে হিসেবেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি আছে। লাল বলের খেলা শেষ, এখন সাদা বলে খেলা। এখান থেকে আমরা কিছু প্লেয়ারকে এমনভাবে তৈরি করছি, যাতে তারা এক থেকে দুই বছরের মধ্যে জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হতে পারে।’




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক: হারুন উর রশীদ, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]