ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১ ৫ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার সোমবার ১৯ এপ্রিল ২০২১

কুষ্টিয়ায় এনআইডি জালিয়াতি : পাঁচ নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৯ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৩ পিএম আপডেট: ০৮.০৩.২০২১ ১০:৫৬ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 28

কুষ্টিয়ায় এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) জালিয়াতির ঘটনায় এক উপসচিবসহ পাঁচ নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত বছর জালিয়াতির মাধ্যমে ছয়জনের এনআইডি পরিবর্তন করে কুষ্টিয়া শহরের মজমপুর গেট এলাকার কয়েক কোটি টাকা মূল্যের ১৭ কাঠা জমি আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ওই সময় জমির মালিক ওয়াদুদ কুষ্টিয়া মডেল থানায় ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনের নামে মামলা করেন।
এরপর এনআইডি জালিয়াতির ঘটনায় নির্বাচন অফিসের পক্ষ থেকে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের সত্যতা মেলায় গেল ৪ মার্চ কুষ্টিয়া মডেল থানায় এই মামলা করেন জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাবিদ হাসান বলেন, এতে আসামি করা হয়েছে, ঢাকার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপসচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, মাগুরা সদরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস, কুষ্টিয়া নির্বাচন অফিস সহকারী জিএম সাদিক সত্যবাদী। একই দিনে অন্য একটি মামলা হয়েছে কুমারখালী থানায়, যার নং-৪। এতে আসামি করা হয়েছে কুষ্টিয়া সদরের নির্বাচন কর্মকর্তা সামিউল ইসলাম। ঘটনার সময় তিনি কুমারখালী উপজেলা নির্বাচনি কর্মকর্তা ছিলেন। এসব মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৮/১০৯ ধারা ছাড়াও ২০১০ সালের ভোটার তালিকা আইন এবং ডিজিটাল নির্বাচন আইনে অভিযোগ আনা হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কুষ্টিয়া শহরের এনএস রোডে ওয়াদুদ ও তার পরিবারের এনআইডি কার্ড জালিয়াতি করে শত কোটি টাকার সম্পত্তি বিক্রি করে দেয় একটি জালিয়াত চক্র। এ ঘটনায় কুষ্টিয়াসহ সারা দেশে তোলপাড় শুরু হয়। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসতে থাকে জালিয়াত চক্রের মূল হোতাদের নাম। এনআইডি জালিয়াতি করে শতকোটি টাকার জমি দখলের মূল হোতা বড় বাজারের হার্ডওয়ার ব্যবসায়ী মহিবুল এবং যুবলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান সুজনসহ ৭ জনকে গ্রেফতার হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলার বিচার চলছে। বাকিরা এখনও পলাতক। শতকোটি টাকার জমি দখল ও এনআইডি জালিয়াতি চক্রের পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করেন এসব নির্বাচন কর্মকর্তা। তদন্তে প্রমাণ পাওয়ায় এখন তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলো বলে জানান বাদী জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক: হারুন উর রশীদ, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]