ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২০২১ ১০ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার শুক্রবার ২৩ এপ্রিল ২০২১

করোনা মোকাবিলায় ব্যাংকিং খাত
প্রকাশ: শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 46

রেজাউল করিম খোকন
করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কা ঠেকাতে আবারও সীমিত আকারে ব্যাংকিং সেবা চালু রাখার নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। লকডাউনের এক সপ্তাহ সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন চলছে। আর লেনদেনপরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শেষ করার জন্য ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। করোনা ঠেকাতে লকডাউন ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ডিজিটাল আর্থিক সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটিএম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসসহ (এমএফএস) সব মাধ্যমে গ্রাহকরা যেন সার্বক্ষণিক সেবা পান সে ব্যবস্থা করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এমএফএসের ব্যক্তি লেনদেনের সীমা ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। আর নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও ওষুধ বিক্রয়কারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যবসায়িক লেনদেনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেনের ক্ষেত্রে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত চার্জ নেওয়া যাবে না। সার্কুলারে বলা হয়েছে, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংকের ক্যাশ কাউন্টার, এটিএম, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের এজেন্ট পয়েন্ট এবং এমএফএসের এজেন্ট পয়েন্টে নগদ অর্থ ও ই-মানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্নভাবে নিশ্চিত করতে হবে। এসব লেনদেনের পয়েন্টকে জীবাণুমুক্ত করা ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার ব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও ওষুধ বিক্রয়কারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব, এমএফএস হিসাব, এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাব ও পিএসপি হিসাব ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করতে পারবে।
বৈশি^ক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমছে না কোনোভাবেই। এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে দিন দিন। যার আঘাতে দেশের অর্থনীতি মারাত্মক হুমকিতে পড়েছে। শিল্প-কারখানা, অফিস, আদালত ব্যাংক-বীমা খোলা হলেও মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়ে আছে শ্রমবাজার। একদিকে জীবন আশঙ্কা, অন্যদিকে জীবিকার তাগিদ। কোনদিকে যাবে মানুষ, ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না। করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট আরও চরম আকার ধারণ করবেÑ বিশ্লেষকরা মনে করছেন। করোনা পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বেকারত্বের সঙ্গে বাড়বে সামাজিক সঙ্কটও। ইতোমধ্যে দেশে লাখ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। সবার জীবন-জীবিকার যুদ্ধে পরাজিত লাখ লাখ মানুষ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা মহানগর ছেড়ে পরিবারসহ স্ব-স্ব গ্রামে ফিরে গেছে। করোনা মহামারি বিশ^ব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নজিরবিহীন বিরূপ প্রভাব ফেলেছে, যা থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়। তবে শুরু থেকেই বাংলাদেশ সতর্কতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে চলেছে। যার ফলে এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, মৃত্যুর হার এবং মহামারির কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ অধিকতর সাফল্য দেখাতে পেরেছে। গত বছরের অর্থাৎ ২০২০-এর মার্চ থেকে শুরু হয়ে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারসহ অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে আমাদের ব্যাংক ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনের পেছনে দেশের ব্যাংকিং খাতের অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাত নিজেই ধুকছে। যার নেতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক আর্থিক খাতের ওপরেই পড়েছিল। এর মধ্যে দেশের অর্থনীতির জন্য বড়সড় ধাক্কা হয়ে আসে করোনা মহামারির প্রকোপ। গত এক বছরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার ওঠানামা করছে। করোনা এক বছরেও বিদায় নেয়নি পৃথিবী থেকে। কিন্তু তারপরও একে মোকাবিলা করেই আমাদের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। তেমন পরিস্থিতিতে আমাদের ব্যাংকিং খাতকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হচ্ছে সামনের দিকে। অদৃশ্য এক ভাইরাস রাতারাতি বদলে দিয়েছে সারা বিশে^র চেহারা। করোনা দুনিয়াজুড়ে ব্যবসা-বাণিজ্য, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক, সমাজনীতি কিংবা লাইফস্টাইল সবকিছুই বেমালুম পাল্টে দিয়েছে কিংবা দিচ্ছে এখনও। গত বছরের করোনাকালে দেশের বিভিন্ন অফিস-আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, শপিং মল, মার্কেট দীর্ঘ ৬৫ দিন সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বন্ধ থাকলেও ব্যাংকিং কার্যক্রম সীমিত আকারে শুরু করে পুরোপুরিভাবে শুরু হয়ে গিয়েছিল ১৫ দিনের মধ্যে। ওই সময়ে রাস্তায় যানবাহন, লোকজনের চলাচল নিয়ন্ত্রিত ছিল কঠোরভাবে। কিন্তু তার মধ্যেও মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে ব্যাংক কর্মীরা তাদের কর্মস্থলে গেছেন এবং ব্যাংকে আগত গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করেছেন। এভাবে ব্যাংকিং সেবা অব্যাহত রাখতে গিয়ে প্রচুর ব্যাংক কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। যদিও করোনাকালে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে সেবা দিতে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকগুলো বিশেষ প্রণোদনা ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করেছিল। করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবে বিশ^ অর্থনীতির পাশাপাশি দেশীয় অর্থনীতিতে চরম স্থবিরতা নেমে এসেছিল। এর ফলে আমাদের ব্যাংকিং খাত অনেকটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একদিকে ব্যাংকগুলোকে ঋণ বিতরণের জন্য চাপ দেওয়া হলেও খেলাপি কিংবা নিয়মিত ঋণ কোনোটিই আদায় হয়নি। ফলে ব্যাংকের আয় অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। তা ছাড়া খেলাপি ঋণ, তারল্য সঙ্কট, মুনাফা কমে যাওয়াসহ নানা ধরনের সঙ্কট মোকাবিলা করতে হয়েছে ব্যাংকগুলোকে।
একটি দেশের ব্যাংকিং খাত যদি বিপর্যয়ের মুখে পড়ে তাহলে গোটা অর্থনীতিতেই চরম বিপর্যয় নেমে আসে অবশ্যম্ভাবীভাবে। করোনা মহামারির মতো বড় ধরনের সঙ্কটে দেশের ভঙ্গুর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের জন্য শক্তিশালী ব্যাংকিং খাতের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। তাই সম্ভাব্য সঙ্কট থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত উত্তরণের উপায় হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থনীতির চাকা চলমান রাখতে জরুরি সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।। করোনাকালে লকডাউনের কারণে সব ব্যবসা-বাণিজ্য কমবেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠানের কাছেই এই ধাক্কা সামলানোর মতো প্রয়োজনীয় সঞ্চয় কিংবা অর্থের সংস্থান ছিল না। ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া সরকারের প্রণোদনা প্যাকেট চলতি মূলধন সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর লকডাউন পূর্ববর্তী ও লকডাউন পরবর্তী সময়ের দুই ভিন্নতর আর্থিক অবস্থার মাঝখানে সেতুর মতো কাজ করেছে। এর পাশাপাশি এই অনিশ্চিত ও ব্যবসায়িক মন্দার সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যে গ্রাহকের ব্যাংক ঋণ শোধ না করার এক বছরব্যাপী ছুটি ঘোষণা করেছে, ঋণের নিম্নমান বা শ্রেণিকরণ স্থগিত রেখেছে, সেটা ব্যবসায়ী উদ্যোক্তাদের জন্য কাজ করেছে বিরাট সুবিধা হিসেবে। এর মাধ্যমে তারা প্রতিকূল ব্যবসায়িক পরিস্থিতি গুছিয়ে ওঠার বেশ কিছুটা সময় পেয়েছে।
করোনা মহামারিতে লকডাউনের সময় যখন সারা দেশ বলতে গেলে বন্ধ, অফিস-আদালত সব অচল তখনও হাসপাতাল ও আরও কিছু জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি জনগণের জন্য নিজেদের দরজা পুরো খোলা রেখেছিল ব্যাংকগুলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত দারুণ সাহসী ছিল এবং সময়ের বিবেচনায় তা সঠিকও ছিল। ব্যাংক খোলা রাখার কারণে সেভাবে হোঁটচ খায়নি দেশের ভেতরের ব্যবসা-বাণিজ্য, উৎপাদন প্রক্রিয়া কিংবা আমদানি-রফতানি। বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুই স্তম্ভের একটি তৈরি পোশাক রফতানি ও রেমিট্যান্সÑ দুই খাতেই ব্যাংক পালন করেছে সবচেয়ে বড় অনুঘটকের ভূমিকা। ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমেই বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে ভোক্তার কাছে, আবার ব্যাংক থেকে এলসি খুলেই বিদেশে রফতানি করা হয়েছে তৈরি পোশাক। করোনাকালে সাবধানতা অবলম্বন করতে মানুষ ডিজিটাল লেনদেনে অধিক হারে আকৃষ্ট হয়েছে। করোনার সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক গ্রাহকের সুবিধার জন্য চালু করেছে অনলাইন ব্যাংকিংয়ের নানা সুবিধা। বীমাযুক্ত আমানত পণ্য চালু, সহজে অনলাইনে টাকা স্থানান্তর, ঘরে বসে সহজে দ্রুত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা, অনলাইনে কেনাকাটাসহ বিশেষ কিছু নতুন পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি ব্যাংকে। এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক করোনাকালে গ্রাহকদের ব্যাংকে না এসে কীভাবে সেবা দেওয়া যায় তা উদ্ভাবনের নানা প্রক্রিয়া চালু রেখেছে। করোনাকালীন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলো শিখেছে কীভাবে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে প্রযুক্তির মাধ্যমে ভার্চুয়াল মিটিং, ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, কনফারেন্স ইত্যাদি সম্পন্ন করা যায়। করোনাকালে ব্যাংকগুলো তাদের বোর্ড মিটিংসহ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) সম্পন্ন করেছে। ভার্চুয়ালি বোর্ড মিটিং, ট্রেনিং, ওয়ার্কশপ, কনফারেন্স ইত্যাদি সম্পন্ন করার কারণে ব্যাংকগুলোর ব্যয় তুলনামূলকভাবে কমে গেছে। করোনার মন্দা সামাল দিতে বেশ কিছু ব্যাংক তাদের কর্মী ছাঁটাই করেছে, আবার কোনো কোনো ব্যাংক কর্মকর্তার বেতনভাতা কমিয়েছে। সাধারণত এ রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি আগে কখনও আমাদের দেশের ব্যাংক কর্মকর্তারা। এটাও আমাদের ব্যাংক ব্যবস্থায় নতুন এক তিক্ত অভিজ্ঞতা।
বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো করোনার ক্ষতি পুষিয়ে আবার শক্তভাবে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টায় কাজ করে যাচ্ছে অবিরাম। ব্যাংকগুলো সুষ্ঠুনীতি প্রণয়ন ও গ্রাহকবান্ধব হওয়ার মাধ্যমে অর্থনীতিতে করোনার আঁচড়কে অবশ্যই দ্রুত উপশম করতে পারবে বলে আশা করি। করোনার অপ্রত্যাশিত ধাক্কা সামাল দিতে গিয়ে এর মধ্যে আমাদের ব্যাংক ব্যবস্থা অনেক নতুন কলাকৌশল আয়ত্ত করে নিয়েছে। বাস্তবতা মোকাবিলা করে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ উতরে সামনে এগিয়ে যেতে যে দক্ষতা ও সক্ষমতা অর্জন করেছে, সেটাও কিন্তু কোনোভাবেই কম অর্জন নয়। করোনা নেতিবাচক প্রভাব বৈশি^ক ও দেশীয় অর্থনীতিতে প্রকট ও দীর্ঘস্থায়ী হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তেমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর নিজেদের ভূমিকাকে আরও গতিশীল করে তুলতে হবে। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে আমাদের অগ্রগতি ও উন্নয়নের ধারাকে টেকসই করতে চাইলে প্রয়োজন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রচেষ্টা আরও জোরদার করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতানুগতিকতার বাইরে যাওয়া, তথা উদ্ভাবনীমূলক চিন্তাভাবনার বিকাশ সাধন। টেকসই ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারলে পরিস্থিতি আমাদের গোটা অর্থনীতির জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনবেÑ এটা আমাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে।

ষ সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, নির্বাহী সম্পাদক: হারুন উর রশীদ, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]