ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ৮ মে ২০২১ ২৪ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ৮ মে ২০২১

আগামী বাজেটে তিনটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন : ড. বিনায়ক সেন
প্রকাশ: রোববার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ১০:১১ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 19

বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন বলেন, আমাদের আগামী বাজেট তিনটি বিষয়কে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। আর এই তিনটি বিষয় হচ্ছেÑ স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও কৃষি। স্বাস্থ্য খাতে প্রতিবছর বেশ মোটা অঙ্কের টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, বরাদ্দ দেওয়া হলেও, ব্যয় করতে পারে না। বর্তমানে যে করোনা কাল চলছে তা বলা যায়, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এই ঢেউ যে কবে শেষ হবে তা কেউ বলতে পারে না। আর এই দ্বিতীয় ঢেউ শেষ হলেই যে, তৃতীয় ঢেউ আসবে না তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়। সুতরাং আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সেই বরাদ্দকৃত অর্থ যেন যথাযথ ব্যবহার হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।
অর্থনীতিবিদ ড. বিনায়ক সেন কথা প্রসঙ্গে জানান, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও, কেন ব্যয় করতে পারে না তার একটি জবাবদিহিতা থাকা দরকার। ব্যয় করার সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এমনকি কোনো মন্ত্রণালয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে কতটুকু সক্ষমতা রয়েছে তার একটি ইনডেক্স তৈরি করা প্রয়োজন। স্বাস্থ্য খাত কী গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে তা হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া যাচ্ছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে ভগ্ন অবস্থা ফুটে উঠেছে। তবে স্বাস্থ্য খাতে যে কেনাকাটার বিষয় রয়েছে তা আরও স্বচ্ছ থাকা দরকার।
তিনি সামাজিক সুরক্ষার ব্যাপারে বলতে গিয়ে জানান, এই খাতে আমাদের খুব বেশি ব্যয় হয় না। এ ছাড়া যে পরিমাণ ব্যয় হয় তা খুব বেশি সামাজিক সুরক্ষায় কাজে আসে না। কারণ, এই খাতে ব্যয় করতে গিয়ে দেখা যায়, যারা প্রাপ্য তারাই বঞ্চিত হচ্ছে। পাচ্ছে অন্য শ্রেণি। সামাজিক সুরক্ষার জন্য যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয় তা কতটুকু ডিজিটাল হয়েছে তা অনেকের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। কথা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা জানি না পাবর্ত্য মানুষ সামাজিক সুরক্ষা পাচ্ছে কি না। আমরা জানি না চা বাগানের শ্রমিকরা তাদের সামাজিক সুরক্ষা পাচ্ছে কি না। এমনকি হাওর অঞ্চলের মানুষরা কতটুকু সামাজিক নিরাপত্তা পাচ্ছে তাও আমাদের সঠিক জানা নেই। তাই এসব মানুষ সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে।
ড. বিনায়ক সেন কৃষি খাতকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ১৮ কোটির দেশের মানুষের মধ্যে অর্ধেক মানুষ গ্রামে বসবাস করে। সেই গ্রামের মানুষ কৃষি নিয়ে জীবনযাপন করে। শুধু কৃষি বলতে ধান পাট নয়, মৎস্য, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল পালন করেও অনেকে জীবনযাপন করছে। সুতরাং আগামী বাজেটে এই কৃষি খাতে একদিকে যেমন বরাদ্দ বাড়ানো প্রয়োজন,  তেমনি প্রয়োজন কৃষির জন্য আধুনিক যান্ত্রিক ব্যবস্থা করা। এখন শুরু হবে ধান মাড়াইয়ের কাজ। কিন্তু এখন যদি ধান মাড়ানোর জন্য পর্যাপ্ত মানুষ পাওয়া না পাওয়া যায়, তাহলে কী হবে। এর জন্য প্রয়োজন ধান কাটার আধুনিকায়ন। যেন কোনোভাবে মধ্যস্বত্বভোগী মানুষ ফায়দা নিতে না পারে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]