ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ৮ মে ২০২১ ২৪ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ৮ মে ২০২১

টেকনাফে পাহাড়ি ঝর্ণার গতিপথ পরিবর্তনে ভোগান্তির আশঙ্কা দুই হাজার পরিবারের
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১, ১২:০০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 10

ষ শেখ রাসেল টেকনাফ (কক্সবাজার)
কক্সবাজার টেকনাফের বাহারছড়ার জাহাজপুরা, হাজামপারা ও মাথাভাঙা এলাকায় পাহাড়ে পাদদেশে বসবাসরত প্রায় ১৫ হাজার মানুষ দীর্ঘদিন বাহারছড়া-হ্নীলা ঢালার মাদারবনিয়া খালের ঝর্ণার পানির ওপর নির্ভরশীল।
মূলত সেখানকার মাটির নিচে থাকা শক্ত পাথর ভেদ করে পানির অবস্থান পাওয়া দুঃসাধ্য হওয়ায় লোকালয় থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার অদূরে গহীন পাহাড়ের ঝর্ণার পানিতে তাদের জীবনরক্ষা। এদিকে এ ঝর্ণার প্রবাহমান পানি একটা পাইপ দিয়ে লোকালয়ে আনতে প্রায় ১০ হাজার মিটার পাইপ তথা ৭০-৮০ হাজার টাকা খরচ হয়। স্থানীয়রা জানান, এই পাহাড়ি খালে পানি সরবরাহের জন্য অন্তত ২০ লাখ টাকা সমমূল্যের পাইপ রয়েছে।
কিন্তু গত ১৪ এপ্রিল টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হোসাইন আহমেদ এই ঝর্ণার পানি পানখালী বটতলী এলাকায় নিয়ে যেতে একটি বেসরকারি এনজিও সংস্থার মাধ্যমে কোটি টাকা ব্যয়ে পানির গতিপথ রুদ্ধ করার চেষ্টা করলে বাহারছড়ার সচেতন মহলের টনক নড়ে।
বাহারছড়ার এলাকার বাসিন্দা ও এনজিও সংস্থা মোয়াসের কো-অর্ডিনেটর শহীদ উল্লাহ শহীদসহ বেশ কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই নিয়ে প্রতিবাদ করে। এদিকে তারই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে প্রায় ১ ঘণ্টা সময় ধরে হেঁটে গহীন পাহাড়ের ওই ঝর্ণায় গ্রাম্য চিকিৎসক মোহাম্মদ রফিকের নেতৃত্বে কয়েকজন সচেতন ব্যক্তিরাসহ স্থানীয় দুয়েকজন সংবাদকর্মী মাদারবনিয়া ঝর্ণার উৎপত্তি স্থল ও প্রবাহের গতিপথ পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে পল্লী চিকিৎসক মোহাম্মদ রফিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ঝর্ণার পানির প্রবাহ বাহারছড়ার দিকে প্রবাহিত রয়েছে। মূলত দীর্ঘদিন এ জলধারায় পাইপ স্থাপন করে সুপীয় পানি সরবরাহ করে আসছেন স্থানীয় প্রায় ২ হাজার পরিবার। তা ছাড়া, কয়েকশ সুপারি বাগান, পানের বরজ, তরমুজ ক্ষেত, মরিচ ক্ষেতসহ বিভিন্ন ক্ষেত খামারের প্রাণ মাদারবাড়ী খালের এ ঝর্ণার পানি। এই ঝর্ণার গতিপথে বাঁধ নির্মাণ কিংবা কোনোভাবেই যাতে ঝর্ণাপ্রবাহ বাহারছড়ামুখী থেকে অন্যদিকে ঘুরানো না হয় তার জোর দাবি তোলেন স্থানীয় সচেতন মহল।
পানখালী ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হোসাইন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন যেহেতু বাহারছড়ার অনেক মানুষের অভিযোগ আছে তাই তা না করার চেষ্টা করা হবে। বিকল্প কোনো উৎস থেকে পানখালী বটতলী এলাকার জন্য পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করার কথা জানান তিনি।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]