ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ৮ মে ২০২১ ২৪ বৈশাখ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ৮ মে ২০২১

আমেরিকার বাড়তি ৬০ মিলিয়ন টিকা আনার প্রক্রিয়া চলছে
যেকোনো দেশ থেকেই টিকা আনতে প্রস্তুত আমরা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হতে হতে অন্তত দুই সপ্তাহ লাগবে
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১, ৬:২১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 36

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, আমাদের এখনো ৩ মিলিয়ন টিকার চাহিদা রয়েছে। এই চাহিদা পূরণে চুক্তি অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে আমরা নিয়মিত যোগাযোগ করছি। কিন্তু তাদের কোনো সাড়া পাই নি। তাই এখন দেশীয় চাহিদা মেটাতে যেকোনো দেশ থেকেই টিকা আনতে প্রস্তুত আমরা। তবে যেখান থেকেই আনা হউক না কেনো অন্তত দুই সপ্তাহ সময় লাগবে।

মঙ্গলবার ৬ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ভার্চুয়াল বৈঠক শেষে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী বলেন, আমরা শুনেছি আমেরিকায় প্রায় ৬০ মিলিয়ন টিকা সারপ্লাস আছে। সেগুলো থেকেও আনার জন্য আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।

একই সঙ্গে চীন, রাশিয়া থেকেও টিকা আনার সব প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চীন আমাদের কিছু টিকা উপহার দিলেও কিছু কিনতেও হবে। তবে সব প্রক্রিয়া শেষে টিকা আসতে দুই সপ্তাহ সময় লাগবে। এর আগে কোথাও থেকে টিকা আসছে না।

এসময় মন্ত্রী বলেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আয়োজনে এই সভায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দিয়েছেন। এসময় আমরা করোনা মোকাবেলায় সাউথ এশিয়া কোভিড ইমার্জেন্সি মেডিকেল ফ্যাসিলিটি করার প্রস্তাবনা করেছি। যখন যে দেশের প্রয়োজন হবে এখান থেকে সহযোগিতা নেবে।

তাছাড়া আরও দুইটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর একটি পোস্ট কোভিড অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য একটা পোস্ট কোভিড পোভার্টি এলাভেশন সেন্টার করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে। আর অন্যটা হলো ই-কমার্স। যেহেতু করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চয়তা জরুরি তাই ই-কমার্স অত্যন্ত কার্যকরী। এর প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা একমত হয়েছেন।

এসময় চায়না ভারতকেও এই আয়োজনে যুক্ত হওয়ার জন্য দাওয়াত দিয়েছে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সাউথ এশিয়া কোভিড ইমার্জেন্সি মেডিকেল ফ্যাসিলিটিতে যোগ দিয়ে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিতে ভারতকেও আহ্বান জানিয়েছেন চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আবারও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ইস্যু তোলা হয়েছে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা সবাই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।

ভ্যাকসিন নিয়ে কোনো কথাবার্তা বৈঠকে হয়েছে কি না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন যেখান থেকেই হোক ভ্যাকসিন আমদানি করতে হবে। যেহেতু ভারতে মহামারী চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে তারা নিজেদের চাহিদা মিটাতে আমাদের রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে। তাই আমাদের এখন বিকল্প পথ বের করতে হচ্ছে। তাই বৈঠকে আমরা বলেছি আমাদের প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন তাদেরকে দিতে। চীন তো দিতে চেয়েছেই। তবে এখনো কবে নাগাদ চীনের ভ্যাকসিন পৌঁছাবে তার দিন-তারিখ চূড়ান্ত হয় নি।

মন্ত্রী বলেন, আগে আমরা চীন কিংবা রাশিয়ার কাছ থেকে ভ্যাকসিন নেই। কারণ আমাদের কিছু বাধ্য বাধকতা ছিলো। তাদের ভ্যাকসিনেরও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন ছিলো না। তাই দেশের জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে আমরা তখন এ ব্যাপারে অগ্রসর হইনি। এখন যেহেতু এসব সমস্যা নেই তাই রাশিয়ার ‘স্পুটনিক ভি’ দেশেই তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। চীন থেকেও ভ্যাকসিন চলে আসবে। সব মিলিয়ে ভ্যাকসিনের ক্রাইসিস হবে না।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]