ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১৬ জুন ২০২১ ২ আষাঢ় ১৪২৮
ই-পেপার  বুধবার ১৬ জুন ২০২১

রাবিতে অবৈধ নিয়োগ : তালিকায় সাংবাদিক ও শিক্ষকদের স্বজন
শ.ম সাজু রাজশাহী
প্রকাশ: শনিবার, ৮ মে, ২০২১, ১০:৪৮ পিএম আপডেট: ০৮.০৫.২০২১ ১:১৭ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 44

মেয়াদ শেষের এক দিন আগে রাজশাহী বিশ^^বিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক আবদুস সোবহান যে ১৪১ জনের অস্থায়ী নিয়োগে সই করেছেন, সেই তালিকায় বিশ^^বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সন্তান-স্ত্রী-স্বজন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে একাধিক সাংবাদিক নেতাও রয়েছেন। নিয়োগের জন্য প্রস্তুতকৃত ভিসির সই করা কাগজগুলো বিশ্লেষণ করে পাওয়া গেছে এসব তথ্য। তবে ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে বিশাল অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য করে বিশ^^বিদ্যালয়ের ইতিহাসে বিতর্কিত নিয়োগকাণ্ড ঘটিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন ভিসি। এমন মন্তব্য করেছেন প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। আর দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রলীগ নেতাদের অধিকাংশকে তৃতীয় শ্রেণির পদে চাকরি দিয়ে তাদের অপমান করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রলীগ নেতারা। এদিকে অবৈধ এসব নিয়োগকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, সেই কমিটি রোববার রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আসবে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার ছিল ভিসির শেষ কর্মদিবস। এ দিনই তিনি ক্যাম্পাস ছেড়ে গেছেন। এরপরই নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তবে নিয়োগ হতে পারে, এমন গুঞ্জন সপ্তাহ ধরেই ছিল। এর পক্ষে-বিপক্ষে সংঘর্ষও হয়েছে। বৃহস্পতিবারও দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে ক্যাম্পাসে। তারপরও ভিসি অন্তত ১৪১ জনের চাকরি নিশ্চিত করে গেছেন। নিয়োগে ছাত্রলীগের কথা বললেও ১৪১ জনের তালিকায় বিশ^^বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেকসহ আশপাশের বিভিন্ন শাখা ছাত্রলীগের ৪৩ জনের বেশি নেতাকর্মীর নাম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খোদ ছাত্রলীগের চাকরিপ্রার্থী নেতারা। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত ছাত্রলীগ নেতাদের অধিকাংশকে তৃতীয় শ্রেণির পদে চাকরি দিয়ে তাদের অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এসব পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ছাত্রলীগ নেতারা কেউ কেউ আবার চাকরিতে যোগদানও করেননি। যদিও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই নিয়োগকে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত হিসেবে উল্লেখ করে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
রাবি ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সাদিকুল ইসলাম স্বপন বলেন, আমি ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেছি। তারপর জাতীয় বিশ^^বিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছি। তারপরও আমাকে নিম্নমান সহকারীর একটি তৃতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সে কারণে চাকরিতে যোগদান করতে চাই না। এতে শুধু আমাকে নয়, ছাত্রলীগ ও অনেক সিনিয়র নেতাকে অপমান করা হয়েছে।
বিশ^^বিদ্যালয় অ্যাগ্রোনোমি অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের ফারুক হাসান নামে ছাত্রলীগের সহসভাপতিকে ফার্স্টক্লাস ফার্স্ট হওয়া সত্ত্বেও উচ্চমান সহকারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাবি ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী টুম্পা সাহা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘১৪১ জনের মধ্যে ৩০ জন শাখা ছাত্রলীগের। এতে সবাই ডগমগ করছে। এ ছাড়াও ছাত্রলীগকে নিম্নমানের পদ দেওয়া হয়েছে। ১৪১ জনের মধ্যে ১০০ জনই ছাত্রলীগ পেল না কেন? এর আগে তো ছেলেমেয়ে ও জামাই কোটায় নিয়োগ দিয়েছেন। এবার বউমা কোটায় কাদের শিক্ষক বানালেন ভিসি। এর জবাব কে দেবে?’
বৃহস্পতিবার নিয়োগের জন্য প্রস্তুতকৃত ভিসির সই করা কাগজগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বিশ^^বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিবারের ৩ জন সদস্য শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন। যে বিভাগগুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, সেই বিভাগই বিষয়টি জানে না। সেই বিভাগের প্ল্যানিং কমিটিও হয়নি। এর বাইরে কর্মকর্তা পদেও নিয়োগ পেয়েছেন একাধিক শিক্ষকের স্বজন।
শিক্ষক পদে নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে একজন বিশ^^বিদ্যালয়টির বাংলা বিভাগের খন্দকার ফরহাদ হোসেনের ছেলে ঋত্বিক মাহমুদ। যিনি সঙ্গীত বিভাগে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। নিয়োগ তালিকায় ৫ নম্বরে নাম তার। খন্দকার ফরহাদ হোসেন লেখালেখির জগতে অনীক মাহমুদ নামে পরিচিত।
বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটি থেকে ঋত্বিক মাহমুদের নিয়োগের সুপারিশ গেছে কি না সে বিষয়ে জানতে চাইলে সঙ্গীত বিভাগের প্ল্যানিং কমিটির সদস্য পদ্মীনি দে বলেন, নিয়োগ নিয়ে বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির কোনো সভা হয়নি। কীভাবে নিয়োগ দিয়ে গেছেন উপাচার্য, সেটা সবাই জানেন।
ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ^^বিদ্যালয়টির ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. চিত্তরঞ্জন মিশ্রর ছেলে ইন্দ্রানিল মিশ্র। নিয়োগ তালিকার ৩ নম্বরে আছে তার নাম। এ ছাড়া দুই শিক্ষকের স্ত্রী নিয়োগ পেয়েছেন আবাসিক শিক্ষিকা হিসেবে। বিশ^^বিদ্যালয়ের সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন টিচিং অ্যান্ড লার্নিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক (আইটি) হিসেবে বিশ^^বিদ্যালয়ের ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলামের স্ত্রী ড. সাবিহা ইয়াসমিনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বিশ^^বিদ্যালয়ের সাবেক সিন্ডিকেট সদস্য এবং প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম সাউদ বলেন, শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিভাগীয় প্ল্যানিং কমিটির পক্ষ থেকে সুপারিশ দরকার হয়। তবে তাদেরকে নিয়োগে বিভাগগুলোর প্ল্যানিং কমিটির কোনো সুপারিশ নেওয়া হয়নি। তাই এই নিয়োগ অবৈধভাবে ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে হয়েছে।
কলেজ পরিদর্শক ও অধ্যাপক ড. আব্দুল গণির স্ত্রী ফারহানা একরাম নিয়োগ পেয়েছেন তাপসী রাবেয়া হলের আবাসিক শিক্ষিকা হিসেবে। সহকারী আবাসিক শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেন রিয়াজির স্ত্রী বুরুজ ই জোবাইরা।
শেষ সময়ের এই নিয়োগে অধ্যাপক আবদুস সোবহান বিশ^^বিদ্যালয়ে ৪ জন সাংবাদিকের নিয়োগপত্রেও সই করেছেন। তাদের মধ্যে দুজন সাংবাদিক নেতা। রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের (আরইউজে) নির্বাহী সদস্য আনিসুজ্জামানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বিশ^^বিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতরের সহকারী রেজিস্ট্রার পদে। তিনি রাজশাহী বিশ^^বিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, রাজশাহী মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক নির্বাহী সদস্য।
বৃহস্পতিবার ভিসির সইয়ে নিয়োগ পেয়ে কাজে যোগ দিয়েছেন মেহেদী হাসান শ্যামল নামে আরেক সাংবাদিক নেতা। তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সেকশন অফিসার হিসেবে। তিনি রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আরটিজেএ) সভাপতি।
সেকশন অফিসার হিসেবে আরও নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক এনায়েত করিম ও আমজাদ হোসেন শিমুল। এনায়েত করিম রাজশাহী বিশ^^বিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (রাবিসাস) সাবেক সভাপতি। বর্তমানে তিনি উত্তরা প্রতিদিন নামে একটি স্থানীয় দৈনিকে কাজ করেন। আমজাদ হোসেন শিমুল রাবিসাসের সাবেক সহসভাপতি।
এ ছাড়া সাংবাদিক সৌরভ হাবিবের ছোটবোন সোনিয়া তাসমিনও বিশ^^বিদ্যালয়ের প্রকৌশল শাখায় চাকরি পেয়েছেন সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে।
এর বাইরে অন্তত ২০ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীর নাম এই নিয়োগ তালিকায় রয়েছে। যারা পরিচিত মুখ চাকরি পেয়েছেন বিশ^^বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ইলিয়াস হোসেন, আতিকুর রহমান তমাল, সাবেক ছাত্রবৃত্তি বিষয়ক সম্পাদক টগর মো. সালেহ, বর্তমান সহসভাপতি মাহফুজ আলামিন, সুরঞ্জিত প্রসাদ দীপ্ত, ফারুক হোসেন, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও ছাত্রলীগ নেতা শামীম রেজা, ফিরোজ ও ডিল।
এদের নিয়োগের তালিকায় তার নিজের সই আছে। এর বাইরে আর একটি আইনও মানেননি সদ্যবিদায়ি উপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সোবহান। সিন্ডিকেট বৈঠক বসেনি, রেজিস্ট্রারও সই করেননি, তারপরও একরকম গায়ের জোরেই বিদায় বেলায় শতাধিক নিয়োগ দিয়ে গেছেন তিনি।
এ বিষয়ে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের কো-কনভেনার ড. সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজা বলেন, কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকে নিয়োগ না দিলে ভিসি নিয়োগ বাণিজ্য করতে পারতেন না। শুধু তাই নয়, এ অবৈধ নিয়োগকে বৈধ বানাতেই তিনি এ পন্থা বেছে নেন।
বিশ^^বিদ্যালয়ের দুর্নীতিবিরোধী শিক্ষকদের আহ্বায়ক প্রফেসর সুলতানুল ইসলাম টিপু বলেন, বিদায়ি ভিসির এটি ষড়যন্ত্র। ছাত্রলীগের নেমপ্লেট ব্যবহার করে নিয়োগ বাণিজ্য এবং ক্যাম্পাসের সুষ্ঠু পরিবেশকে বিশৃঙ্খল করে গেলেন।
জানতে চাইলে বিশ^^বিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক ড. মো. হাবীবুর রহমান বলেন, নিয়ম অনুসারে এই নিয়োগে সিন্ডিকেটের অনুমোদন দরকার। কিন্তু সেই বৈঠক হয়নি। স্থগিত করা বৈঠক ডাকতে হলেও তো সময় দরকার। সেই সময় তো তিনি (ভিসি) পাননি। তা হলে কীভাবে এই নিয়োগ বৈধ হয়?
 এই নিয়োগে বিশ^^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারও সই করেননি। প্রশাসনের একটি সূত্র জানিয়েছে, ভিসি নিয়োগে সই করতে বললেও রেজিস্ট্রার আবদুস সালাম তাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রাতারাতি ভিসি আবদুস সোবহান একজন ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে দিয়ে নিয়োগ সই করিয়ে নেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়ই এই নিয়োগকে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত বলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে। সেখানে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিদায়ি ভিসি বিভিন্ন পদে অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত জনবল নিয়োগ প্রদান করেছেন। অবৈধ জনবল নিয়োগের বৈধতা প্রাপ্তির সুযোগ নেই।
এতে বিশ^^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার থেকে তদন্তকাজের জন্য কমিটি রাজশাহী বিশ^^বিদ্যালয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান বিশ^^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক মুহম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলে দিয়েছে এই নিয়োগ অবৈধ ও বিধিবহির্ভূত। সুতরাং তাদের কাজটি সহজ হবে। শুধু দোষী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সুপারিশ করবেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে ভিসি অধ্যাপক আবদুস সোবহানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসের বাসা ছাড়ার পর তিনি রাবিসংলগ্ন চৌদ্দপাই এলাকায় শিক্ষকদের বিশ^^বিদ্যালয় হাউজিং সোসাইটির (বিহাস) বাসায় উঠেছেন। বিহাসের প্রবেশের মূল ফটকে পুলিশের পাহারা বসানো হয়েছে। অপরিচিত কাউকে সেখানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। কোনোভাবেই বিদায়ি ভিসির সঙ্গে কথা বলা যায়নি।
প্রসঙ্গত, সদ্যবিদায়ি ভিসি এম আবদুস সোবহান শেষ কার্যদিবসে ১৪১ জনকে অবৈধভাবে নিয়োগ দিয়েছেন। পরে পুলিশ প্রটোকলে ক্যাম্পাস ছেড়েছেন ভিসি সোবহান।








সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]