ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১ ৩ আষাঢ় ১৪২৮
ই-পেপার বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১

সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, আরও ৪০ জনের মৃত্যু,
টেস্ট বাড়ালে মিলবে প্রকৃত চিত্র
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১, ১০:৩৬ পিএম আপডেট: ১১.০৬.২০২১ ১২:২০ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 25

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার আশঙ্কাজনক হার লক্ষ করা যাচ্ছে সারা দেশে। এর মধ্যে বেশি খারাপ অবস্থা রাজশাহী বিভাগে। চোখ রাঙাচ্ছে খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতেও। বৃহস্পতিবার দেশে আরও ২ হাজার ৫৭৬ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বুধবার শনাক্ত হয়েছিল ২ হাজার ৫৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে আরও ৪০ জনের। বুধবার মারা যায় ৩৬ জন। এদিকে করোনা টিকার আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী সহজে সংরক্ষণ ও পরিবহনযোগ্য টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলায় ৫ হাজার ১১০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে করোনা পজিটিভ হয় ৮১৫ জন। আর খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১ হাজার ৪৮৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণ পাওয়া গেছে ৫৭৮ জনের শরীরে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সীমান্ত জেলাগুলোতে করোনা পরীক্ষা করা কম হওয়ায় রোগী শনাক্ত কম হচ্ছে। এতে আরও ঝুঁকি বাড়ছে। এজন্য সীমান্ত জেলাগুলোতে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার পরামর্শ দিয়েছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।
স্বাস্থ্য অধিদফতর বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজারের কাছাকাছি। নতুন আক্রান্তদের নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৮ লাখ ২০ হাজার ৩৯৫ জন হয়েছে। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৯৮৯ জন।
এদিকে করোনা টিকার আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে স্থানীয় আবহাওয়ার উপযোগী সহজে সংরক্ষণ ও পরিবহনযোগ্য টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ। কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ডোজের বেশি টিকা পাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। এর মধ্যে ফাইজার-বায়োএনটেকের তৈরি ১ লাখ ৬২০ ডোজ টিকা গত ১ জুন হাতে পেয়েছে বাংলাদেশ। কিন্তু ওই টিকা সংরক্ষণ করতে হয় হিমাঙ্কের নিচে মাইনাস ৯০ থেকে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। ফলে এ টিকা সংরক্ষণ করতে আল্ট্রাকোল্ড ফ্রিজারের প্রয়োজন হয়। আর পরিবহনের জন্য থার্মাল শিপিং কন্টেইনার বা আল্ট্রা ফ্রিজার ভ্যান লাগে। সাধারণ রেফ্রিজারেটরে ২ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রাখা হলে এই টিকা ৫ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের উপযোগী থাকে। আর রেফ্রিজারেটরের বাইরে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এ টিকা মাত্র ২ ঘণ্টা সংরক্ষণ করা সম্ভব।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এবিএম খুরশীদ আলম গণমাধ্যমকে জানান, কোভ্যাক্স থেকে দেওয়া টিকা বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী না হলে ব্যবস্থাপনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। ফাইজারের টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সংরক্ষণে রাখা হয়েছে। এটা গলানোর জন্য ডাইলুয়েন্ট লাগে। টিকা বানিয়ে তা মানুষের শরীরে দিতে হয়। এটা টেকনিক্যালি আমাদের জন্য ঝামেলা। মাইনাস ৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখা এবং গ্রাম পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন। তিনি জানান, কোভ্যাক্সের চিঠি পাওয়ার পর ইতোমধ্যে তারা টেলিফোনে কথা বলেছেন। শিগগিরই চিঠি দিয়েও বাংলাদেশের প্রত্যাশার বিষয়গুলো জানিয়ে দেওয়া হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]