ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১৬ জুন ২০২১ ১ আষাঢ় ১৪২৮
ই-পেপার  বুধবার ১৬ জুন ২০২১

আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার চান রফতানিকারকরা
প্রকাশ: শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১১:১২ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 13

ষ নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে আমদানি পর্যায়ে ভ্যাটের আগাম কর ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। আগাম করের কারণে ব্যবসায়িক খরচ বৃদ্ধি পায়। এজন্য বাজেট পাসের আগে আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন রফতানিকারকরা। রফতানিকারকদের সংগঠন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) পক্ষ থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে।
গত ৩ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পেশের পর শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ইএবির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বর্তমানে রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প খাতসহ নিটওয়্যার ও ওভেন গার্মেন্টসের করপোরেট করহার গ্রিন কারখানার জন্য ১০ শতাংশ এবং গ্রিন কারখানা ব্যতীত অন্যান্য কারখানার জন্য ১২ শতাংশ হারে বিদ্যমান রয়েছে। বাজেট প্রস্তাবনায় এই হার আগামী দুবছরের জন্য অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই খাতের সঙ্গে চামড়া ও চামড়াজাত রফতানি শিল্পকেও একই নীতিমালার সঙ্গে সংযুক্ত করা দরকার।
ইএবির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, রফতানিমুখী শিল্প বিশেষ করে পোশাক শিল্পের উৎসে কর কমিয়ে ০.২৫ শতাংশ আগামী ৫ বছর অব্যাহত রাখতে হবে। সর্বমোট প্রাপ্তি ৩ কোটি টাকা বা ততধিক হলে ব্যক্তি আয়কর দাতাদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম করের হার ০.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.২৫ শতাংশ করা হয়েছে। সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ ন্যূনতম করের হার ০.২৫ শতাংশ করা দরকার।
ইএবি সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, অগ্রিম আয়কর ব্যবসায়িক খরচ বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে। ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এই অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের জন্য আমরা অনুরোধ জানাচ্ছি। সব প্রকার উৎস কর ও অগ্রিম কর চূড়ান্ত কর হিসেবে সমন্বয় করা জরুরি। তিনি বলেন, আমদানি পর্যায়ে ভ্যাটের আগাম কর ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে। আগাম করের কারণে ব্যবসায়িক খরচ বৃদ্ধি পায় বিধায় আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের পরিণত করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টার সফল বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এ বিবেচনা থেকে আমরা অর্থমন্ত্রীকে সব প্রকার সুতার ওপর ৩ টাকা মূল্য সংযোজন কর ধার্য্যসহ সুতা তৈরিতে ব্যবহৃত সব ফাইবারকে শুল্কমুক্তভাবে আমদানির সুবিধা প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি।
ইএবি সভাপতি বলেন, অর্থমন্ত্রী ২০২১-২২ অর্থবছরের এবং বাংলাদেশের ৫০তম চমৎকার একটি বিনিয়োগ এবং ব্যবসাবান্ধব ও জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭.২ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৫.৩ শতাংশ নির্ধারণ করে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাবনা জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করেন। এজন্য ইএবির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রস্তাবিত বাজেটে বাস্তবতার নিরিখে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিতকরণ অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল ও গতিশীল এবং অক্ষুণ্ন রাখার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]