ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ১৬ জুন ২০২১ ১ আষাঢ় ১৪২৮
ই-পেপার  বুধবার ১৬ জুন ২০২১

ডিএনএ মেলেনি ধর্ষেণের দায়ে ৯ মাস জেল খাটা মোস্তফার
প্রকাশ: শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ১১:২৭ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 2

ষ গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
দীর্ঘ ৯ মাস এক তরুরীকে ধর্ষণ করার অপরাধে জেল খেটেছেন মোস্তফা শিকদার (৪০) নামের এক ব্যক্তি। জামিনে ছাড়াও পেয়েছেন ১৭ দিন আগে। কিন্তু ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর পরিবার পক্ষ থেকে দাবি করা হয় মোস্তফা শিকদার ধর্ষণ করায় ওই তরুণী তিন মাস আগে কন্যা সন্তানের মা হয়েছে। পরে আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষায় করা হয়। রিপোর্ট দেখা যায় ওই কন্যা সন্তানের পিতাও নন মোস্তফা শিকদার।
জানা গেছে, গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর কোটালীপাড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, ২০২০ সালের ১৩ এপ্রিল তারাশী গ্রামের মৃত আজগার আলী শিকদারের ছেলে মোস্তফা শিকদার বাদীর বোনকে ধর্ষণ করে। এতে বাদীর বোন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পুলিশ মোস্তফা শিকদারকে গ্রেফতার করে ২৪ সেপ্টেম্বর আদালতে প্রেরণ করে। চলতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাদীর বোন ওই তরুণী একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।
এরপর দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস জেল খেটে চলতি বছরের ২৪ মে মোস্তফা শিকদার জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরই মোস্তফা শিকদারের পরিবারের পক্ষ থেকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য গোপালগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে আবেদন করা হয়। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের নির্দেশে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ বাংলাদেশ পুলিশ ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে ডিএনএ পরীক্ষা করে। ডিএনএ পরীক্ষার পর এখানকার ডিএনএ এক্সপার্ট দিপঙ্কর দত্ত রিপোর্ট প্রদান করেন। রিপোর্টে তিনি উল্লেখ করেন, ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে মোস্তফা শিকদার ওই তরুণীর গর্ভজাত সন্তানের জৈবিক পিতা নন।
এ বিষয়ে বাদীর বোন ওই তরুণীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে মামলার বাদী বলেন, আমরা এই ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট মেনে নিতে পারছি না। আমরা পুনরায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করব।
জেল থেকে বের হওয়ায় মোস্তফা শিকদার বলেন, আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ৯ মাস জেল খাটানো হয়েছে। আমাকে যে হয়রানি করা হয়েছে তার জন্য আমি বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই। কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর মোস্তফা শিকদারকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে মামলার ফাইনাল রিপোর্ট আদালতে দিয়েছি।







সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]