ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ ৯ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

কালো টাকার বিদেশযাত্রা থামাবে কে?
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১, ১১:২০ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 23

অরূপ তালুকদার
বাংলাদেশে কালো টাকার চমৎকার একটা সাদা লেবাস পরানো নাম আছেÑ ‘অপ্রদর্শিত টাকা’। সরকারিভাবেই এই টাকা ১০ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে সাদা করা যায়। এই টাকাটা কোথা থেকে কীভাবে এলো বা অর্জিত হলো সে ব্যাপারে কেউ কোনো প্রশ্ন করবে না এটা এক চমৎকার ব্যবস্থা। ব্যবস্থাটা আমাদের দেশে বেশ কয়েক বছর ধরে চলে আসছে। শত শত অপ্রদর্শিত কালো টাকা সাদা হচ্ছে। তবে যে যা বলেই টাকা সাদা করছে পরবর্তীকালে সেই টাকা কোথায় কীভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে নাকি পাচার হয়ে যাচ্ছে কোথাও, সে খবর কেউ রাখার প্রয়োজন বোধ করছে না। এক্ষেত্রে সরকার যদি মনে করে থাকে যে, বিপুল পরিমাণ কালো টাকা এভাবে সাদা করার মধ্য দিয়ে দেশে উন্নয়নমূলক কাজে বিনিয়োগের জোয়ার নিয়ে আসবে, সে চিন্তাটা সম্ভবত কোনোভাবেই সঠিক বলে মেনে নেওয়া যাবে না। আমাদের সংবিধানে ২০(২) ধারায় কী বলা আছে দেখা যাক। সেখানে বলা আছে, ‘রাষ্ট্র এমন অবস্থা সৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসেবে কোনো ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক সকল প্রকার সৃষ্টিকারী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর মনের পরিচয় অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে, তাই কোনো ব্যক্তি যাতে তাহার অনুপার্জিত অর্থ ভোগ করিতে না পারেন তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবশ্য পালনীয় সাংবিধানিক কর্তব্য।’ তাহলে সংবিধান বর্ণিত অনুপার্জিত আয় মানেই তো কালো টাকা সে টাকা কীভাবে অর্জিত হয়েছে, এ প্রশ্নের উত্তর নেই। এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩০ হাজার ৮২৪ কোটি টাকা অপ্রদর্শিত আয় হিসেবে সরকার প্রদত্ত সুবিধা ব্যবহার করে প্রদর্শিত আয়ে পরিণত হয়েছে। সে বাবদ সরকার ৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা কর হিসেবে রাজস্ব পেয়েছে। তবে চলতি বছরের মতো পেছনের বছরগুলোতে এত টাকা সাদা হযনি যেমন ২০২০-২১ অর্থবছরে জুলাই-মার্চ প্রান্তিকের ১৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা অপ্রদর্শিত আয় ১০ শতাংশ কর দিয়ে প্রদর্শিত আয় হিসেবে বৈধ করা হয়েছে। ধারণা করা হয়, চলমান করোনা মহামারির কারণে বড় ব্যবসায়ীরা তাদের এই অপ্রদর্শিত বিপুল অর্থ তাদের পছন্দ মাফিক চ্যানেলে ঠিকভাবে বিনিয়োগ করতে পারেননি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ধরনের অনুপার্জিত আয় সাধারণত কর ফাঁকি, মানি লন্ডারিং এবং ইনফরমাল ইকোনমি অর্থাৎ দুর্নীতি থেকে উৎপাদিত হয়ে থাকে। তা ছাড়া এ প্রশ্নটাও তাদেরকে এনবিআর থেকে হয়তো করা হয় না যে, তিনি যদি করদাতা হয়ে থাকেন তাহলে তিনি যে রিটার্ন জমা দিয়েছেন তাতে যদি এই অপ্রদর্শিত আয়ের এবং টাকার বিবরণ প্রদর্শন না করে থাকেন তাহলে তো জমা দেওয়া রিটার্নটাই পুরোপুরি মিথ্যে হয়ে যাওয়ার কথা। তাহলে?
তাদের কেউ কেউ হয়তো এ রকমও ভাবতে পারেন যে, তারাও হয়তো একদিন বিশে^র বিখ্যাত সব ধনী যেমনÑ ইলন মাস্ক, মাইকেল ব্লুমবার্গ, ওয়ারেন বাফেট বা জেফ বেজোসের মতো কর ফাঁকি দিয়ে দিতে পারবেন। অতিসম্প্রতি বিবিসি, গার্ডিয়ান এবং নিউইয়র্ক টাইমস প্রভৃতি অতি প্রভাবশালী গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যে, কখনও কখনও বিশে^র বিখ্যাত অনেক ধনকুবের কর ফাঁকি দিয়েছেন। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই যাদের সংখ্যা ২৫ জনের মতো। প্রকৃতপক্ষে তাদের ব্যবসায়ী জীবনে খুব সামান্যই কর দিয়েছেন তারা। কখনও কখনও একেবারেই কোনো কর দেননি। বলা হয়েছে, ২০০৭ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রায় ১২ বছর ধরে তারা আয়করের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ফাঁকি দিয়ে এসেছেন। গত সপ্তাহে আমেরিকান ধনকুবেরদের আয়কর ফাঁকি দেওয়ার তথ্য ফাঁস করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘প্রেপাবলিকা’ নামে একটি অনুসন্ধানী সাহসী সংবাদমাধ্যম। তারা জানিয়েছে, প্রায় ১৫ বছর ধরে ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিসের সংগৃহীত বিপুল সংখ্যক ধনী ব্যক্তির ট্যাক্স রিটার্নের তথ্য উপাত্ত তাদের কাছে রয়েছে। তবে তথ্যগুলো প্রকাশ করার পূর্বে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এদিকে কর ফাঁকির তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে অবৈধ বলেছে হোয়াইট হাউস। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় সার্বিক বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিদেশের কথা থাক, আমাদের কথা বলি, এবারে সংসদে এবং বাইরে অর্থনীতিবিদ এবং অভিজ্ঞজনদের মধ্যে অপ্রদর্শিত কালো টাকা সাদা করার বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা হয়েছে। যে আলোচনা বলা যায় প্রায় সবটাই ছিল নেতিবাচক অর্থাৎ সাদা করার বিপক্ষে। তারা যে যুক্তি দেখিয়েছিলেন স্বাভাবিকভাবে তার মধ্যে বড় যুক্তি ছিল, বড় অঙ্কের নিয়মিত ট্যাক্স প্রদানকারী যারা, তারা পরবর্তীকালে নিয়মমাফিক ট্যাক্স প্রদানে নিরুৎসাহিত হতে পারেন। কথাটা যে অযৌক্তিক, তেমন নয়। কিন্তু যাদের মানার কথা, তারা বিষয়টাকে গুরুত্ব দেননি। তারা বিষয়টাকে অন্যভাবে দেখছেন, বলছেন, এভাবে আড়ালে থাকা কোটি কোটি অপ্রদর্শিত টাকা সাদা হয়ে দেশের উন্নয়নের কাজে ব্যবহৃত হবে। হাজার হাজার বেকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে, দেশ ও দশের উন্নতি হবে। চমৎকার যুক্তি সন্দেহ নেই। এক্ষেত্রে পূর্বে এভাবে সাদা হওয়া কোটি কোটি টাকা কোথায় কীভাবে কোন উন্নয়নের কাজে লেগেছে, তার কিছু উদাহরণ থাকা বাঞ্ছনীয় ছিল। কেউ কেউ শেষ পর্যন্ত বলেছেন, অপ্রদর্শিত কালো টাকা সাদা করার ক্ষেত্রে ট্যাক্স ২০ শতাংশ করা যায় না? এ প্রশ্নের উত্তর সাধারণ মানুষ দিতে পারবে না। দেখা যাক, আয়কর আইনে কী বলে। ১৯৮৪ সালের আয়কর অধ্যাদেশের ১৯(ই) সেকশনে স্বপ্রণোদিত হয়ে অপ্রদর্শিত আয় প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে ‘প্রযোজ্য কর হারে কর পরিশোধসহ ১০ শতাংশ জরিমানা প্রদান’ সুবিধার মাধ্যমে। কিন্তু এই নিয়মও তো মানা হচ্ছে না। কারণ এক্ষেত্রে প্রচলিত হারে কর ধার্য হচ্ছে না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আমাদের পাশর্^বর্তী দেশ ভারতে ২০১৭ সালের অবৈধ অর্থ ঘোষণা স্কিমে ৪৯.৯০ শতাংশ কর, সারচার্জসহ জরিমানা দিয়ে অবৈধ অর্থ বৈধ করার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বলা বাহুল্য, আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা চালু হলে ওই পথে কেউ যাবেন কি? পাশাপাশি আর যে বিষয়টি নিয়ে প্রচুর আলাপ-আলোচনা চলছে, কিন্তু কোনোভাবেই কোনো সমাধান হচ্ছে না, সে বিষয়টি হলো দেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার। এটা আমাদের দেশে এখন আর নতুন কোনো বিষয় নয়। বহুবার বহুজন এ বিষয় নিয়ে দেশে এবং বিদেশে আলাপ আলোচনা করেছেন, অভিযোগের পর অভিযোগ তুলেছেন বিভিন্ন সংস্থা প্রতিষ্ঠান মানুষের নামে। কিন্তু পরবর্তীকালে এই সমস্যার কিছুমাত্র সমাধান হয়নি। কেন হয়নি, তার কারণ অনেক। সে কারণগুলো দূরীভূত করার জন্য কোনো সরকারের আমলে তেমনভাবে কোনো উদ্যোগই নোওয়া হয়নি। যাও নেওয়া হয়েছে, তাতে কোনো সুফল আসেনি। গত ৭ জুন সংসদেও এ বিষয়টি নিয়ে প্রচুর কথা হয়েছে, রীতিমতো উত্তপ্ত আলোচনা হয়েছে। কিন্তু তাতে কী হবে? বছরের পর বছর ধরে এমন অনেক আলোচনা, প্রচুর সমালোচনা অনেকবার হয়েছে কিন্তু কালো টাকার বিদেশ যাত্রা বন্ধ হয়নি। অবস্থাদৃষ্টে এখন মনে হওয়া স্বাভাবিক যে, আগামী দিনেও এই সমস্যার সুষ্ঠু কোনো সমাধান হবে, তেমনটা বোধ হয় আশা করা যাচ্ছে না।
কারণ অতীতে অন্ততপক্ষে ১০ দেশে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিতে অর্ধশতাধিক চিঠি প্রেরণ করলেও কোনো চিঠিরই জবাব এখন পর্যন্ত নাকি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পায়নি। সবচেয়ে অবাক ব্যাপার হচ্ছে তাদের পাঠানো চিঠির কোনো জবাব না আসা সত্ত্বেও পরবর্তীকালে সে বিষয়ে আর কোনো খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে বলে মনে হয় না। তাহলে কি এটাই ধরে নিতে হবে যে, অর্থপাচারের সঙ্গে যেসব অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা জড়িত রয়েছেন তাদের হাত এতই লম্বা যে দুদকের পাঠানো চিঠির উত্তর আসাও তারা বন্ধ করে দিতে পারেন। কিন্তু অতীতে যে পাচার করা টাকা ফেরত আনা গেছে, এমন উদাহরণও কিন্তু আছে। পাশাপাশি যে এনবিআর এবং বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট আছে, তাদের কাজ কী? তারা এতদিন বসে অর্থ পাচার রোধে কেন আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারল না? বিএফআই ইউনিট গত পাঁচ বছরে নাকি ১০২৪ অর্থপাচার ঘটনার প্রমাণ পেয়েছে।
সেসব ঘটনার বিরুদ্ধে পরিচালিত তাদের কার্যক্রমের সর্বশেষ ফলাফল কী? এই প্রশ্নের উত্তর তো তাদের কাছ থেকেই পাওয়া উচিত। বাংলাদেশ থেকে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয় তা আমাদের গণমাধ্যমের চেয়েও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বেশি ফলাও করে প্রচারিত হয়। এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি। কয়েক বছর আগে আমরা পানামা পেপারসে বিস্তারিত তথ্যসহ আমাদের দেশের কতিপয় ধনকুবেরের নাম ও পরিচয় জেনেছিলাম। সেসব নিয়ে সেই সময় প্রচুর আলোচনা সমালোচনাও হয়েছিল কিন্তু কিছুদিন পরেই, সব চুপচাপ হয়ে গিয়েছিল ক্ষমতাশালীদের ক্ষমতার প্রভাবে। আজ পর্যন্ত ক্ষমতাবান কোনো অর্থ পাচারকারী বা বড় ধরনের ঋণখেলাপির কোনো ধরনের শাস্তি হয়নি বলেই হয়তো কালো টাকা উৎপাদন এবং সেই টাকা বিদেশে পাচার করার মতো অপরাধ প্রবণতা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। এবার জাতীয় সংসদে স্বয়ং অর্থমন্ত্রী বলেছেন, কারা টাকা পাচার করছে, তাদের তালিকা আমার কাছে নেই। কার কাছে আছে? এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ কিছুদিন আগেই বলেছিলেন যে, তার কাছে বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের ২৮ জনের তালিকা আছে। তবে তিনি পরবর্তীকালে সেই ২৮ জনের নাম-ঠিকানা কিছুই জানাননি। বরং ওইটুকু বলে পরে এ বিষয়ে আর কোনো
কথাও বলেননি। সরকারি তরফ থেকে সেই ২৮ জুনের বিষয় খোঁজখবর করা কি খুব কঠিন কোনো কাজ হতো? আমরা দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম পাপুলের মানুষ ও অর্থপাচারের কীর্তি কাহিনি মোাটামুটি জানি। তারপরে জেনেছি নাটোরের এক সংসদ সদস্যের স্ত্রীর কানাডায় বিলাসবহুল বাড়ি কেনার কাহিনি। এ ধরনের ঘটনা মাঝেমধ্যেই জাতীয় গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তারপর কিছুদিন এসব নিয়ে মুখরোচক আলোচনা-সমালোচনা চলে, পরে একসময় বন্ধ হয়ে যায়। আসলে দিনের পর দিন অর্থ পাচারের ঘটনাগুলো এভাবেই কখনও কখনও আলোচনায় উঠে আসে তারপর একসময় বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যায়। যে যার কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। হয়তো এবারেও তেমনই ঘটনা ঘটবে এবং যথারীতি আগের মতোই হাজার হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্নভাবে বিদেশে পাচার হয়ে চলে যাবে কিন্তু সাধারণ মানুষের চোখের সামনে ঘুরে বেড়ানো সেইসব রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতাবান এবং প্রভাবশালী ব্যক্তি যারা এর পেছনে রয়েছে তাদেরকে কেউ কখনও কিছু করতে পারবে না। এই দুর্ভাগ্য মেনে নিয়েই কি এদেশের সাধারণ মানুষদের সারা জীবন চলতে হবে?

ষ শব্দসৈনিক ও কথাসাহিত্যিক








সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]