ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৫ জুলাই ২০২১ ৯ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার রোববার ২৫ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

সোহাগপুর বিধবাপল্লী স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ জুন, ২০২১, ১১:৫৭ পিএম আপডেট: ১৬.০৬.২০২১ ১২:১৪ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 37

শেরপুর প্রতিনিধি
সোহাগপুর বিধবাপল্লীতে একাত্তরের গণহত্যায় নিহতদের স্মরণে শহীদ স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব সোহাগপুর বিধবাপল্লীতে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
জেলা প্রশাসক জানান, শুধু সোহাগপুর বিধবাপল্লী নয়, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক জেলার সবকটি গণহত্যা সংঘটিত হওয়ার স্থানে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে এবং শহীদদের সম্মানে জেলা প্রশাসন থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সোহাগপুর বিধবাপল্লীতে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হচ্ছে। স্মৃতিসৌধের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জীবিত ২৩ জন বিধবার মাঝে একটি করে শাড়ি ও প্রধানমন্ত্রীর মানবিক সহায়তার (চাল, ডাল, তেল, আলু) একটি করে ব্যাগ এবং নগদ ১ হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়।
এ সময় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক এটিএম জিয়াউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোকতাদিরুল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফরিদা ইয়াছমিন, নালিতাবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হেলেনা পারভীন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সঞ্চিতা বিশ^াস, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান, ডিএম সাদিক আর শাফিন, মিজানুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান, ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ তালুকদার মুকুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসনে প্রায় ৩ লাখ টাকা বরাদ্দে এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই সোহাগপুর গ্রামের একটি পাড়ায় পাকিস্তানি বাহিনী নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালিয়ে ১৮৭ জন নিরীহ গ্রামবাসীকে হত্যার মধ্যদিয়ে ৫৬ জন নারীকে বিধবা করে পাড়াটি পুরুষশুন্য করে। একই সময় ১৪ জন নারীকে ধর্ষণ করে পাকিস্তানি বাহিনী। এরপর থেকে ওই পাড়া বিধবাপাড়া বা বীরকন্যা পল্লী হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। স্বাধীনতার পর ৫৬ জন বিধবা বেঁচে থাকলেও বর্তমানে বেঁচে আছেন ২৩ জন বিধবা। বর্তমান সরকার ধর্ষণের শিকার ১৪ জন নারীকে বীরাঙ্গনার স্বীকৃতি এবং প্রত্যেক বিধবার জন্য পাকা ঘর নির্মাণ করে দিয়েছে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]