ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ ৯ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

সংসদে প্রধানমন্ত্রী
সুন্দরবনের আয়তন বেড়েছে, বাড়ছে বাঘের সংখ্যাও
সংসদ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুন, ২০২১, ১০:৫৬ পিএম আপডেট: ১৭.০৬.২০২১ ১২:৩৭ এএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 35

বিশে^র সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং বাঘের সংখ্যাও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত আসনের সুলতানা নাদিরার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
সুন্দরবনের উন্নয়নে সরকারের নানা কার্যক্রম তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার সুন্দরবন ও এর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবসময় আন্তরিক ও বদ্ধপরিকর। যে কারণে দেশের উন্নয়নে যে পদক্ষেপই নেওয়া হোক না কেন, সুন্দরবন এবং এর জীববৈচিত্র্য যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টির গুরুত্ব দেওয়া হয়। তিনি বলেন, সুন্দরবনের আয়তন বাড়ানোর জন্য সরকার কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে। সমগ্র উপকূলীয় অঞ্চলে এর বিস্তৃতি ঘটাতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুন্দরবনের বৃক্ষাদি এবং বন্যপ্রাণী রক্ষায় স্মার্ট পেট্রোলিংসহ নানাবিধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার তথ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ক্যামেরা ট্র্যাপিংয়ের মাধ্যমে ২০১৫ সালে করা বাঘশুমারিতে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১০৬টি। ২০১৮ সালের শুমারিতে তা বেড়ে ১১৪টি হয়েছে। সুন্দরবনের কার্বন মজুদের পরিমাণ বিষয়ে তিনি জানান, ২০০৯ সালের ১০৬ মিলিয়ন টন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯ সালে ১৩৯ মিলিয়ন টন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে এখন ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ, ১৬৫ প্রজাতির শৈবাল, ১৩ প্রজাতির অর্কিড এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী পাওয়া যায়। বন্যপ্রাণীর মধ্যে ৪২ প্রজাতি স্তন্যপায়ী, ৩৫ প্রজাতি সরীসৃপ, ৮ প্রজাতি উভচর। এ ছাড়া ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ২১০ প্রজাতির মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া রয়েছে।
সুন্দরবনের গাছপালা ও বন্যপ্রাণিকুলকে রক্ষায় বনকর্মীদের যুগোপযোগী করে তুলে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধির পদক্ষেপের কথাও জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, যথাযথ পদক্ষেপের কারণে সুন্দরবন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ২০১৭ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে সুন্দরবনের প্রায় ৫৩ শতাংশ এলাকা অভয়ারণ্যের অন্তর্ভুক্ত।
সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আ ক ম সরওয়ার জাহানের প্রশ্নের লিখিত জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের তালিকা করা হয়েছে। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি। আর জমি আছে কিন্তু ঘর নেই, এমন পরিবার রয়েছে ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি। ‘দেশের একজন মানুষও ভূমিহীন থাকবে না’Ñ এ ঘোষণা বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে সবাইকে পুনর্বাসন করা হবে।
শেখ হাসিনা জানান, মুজিববর্ষ উপলক্ষে গত ২৩ জানুয়ারি ৬৫ হাজার ৪০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ জুন আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি ঘর দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহহীনদের জন্য গৃহ নির্মাণ করে দিচ্ছে সরকার। সারা দেশে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ‘মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই’ কথাটি চিরতরে বিলুপ্ত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]