ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৫ জুলাই ২০২১ ৯ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার রোববার ২৫ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

আনোয়ারায় দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন
প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ১১:১২ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 28

ষ চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়েছে। কোরিয়ান রফতানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কেইপিজেড) এলাকায় স্থাপিত এই প্রকল্পের অধীনে ১৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। আগামীতে এই প্রকল্পের অধীনে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে বলে জানিয়েছে ইপিজেড কর্তৃপক্ষ। এখান থেকে কেইপিজেডের নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। আগামী অক্টোবরের মধ্যে এই প্রকল্প থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে তার জানান।
রোববার দুপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পটিকে ছাদে স্থাপিত দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি মাইলফলক। সরকার যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবাইকে উৎসাহ দিচ্ছে, ঠিক এই সময়ে কেইপিজেড ১৬ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু করার সাহসী উদ্যোগ নিয়েছে। আমি এর জন্য কোরিয়ান ইপিজেড কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই প্রকল্প দেশের অন্য সব কারখানার ছাদে সৌরশক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করবে। তিনি আরও বলেন, কোরিয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রথম দিকের সহযাত্রী। স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন বাংলাদেশের উন্নয়ন নিয়ে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন বন্ধুরাষ্ট্র কোরিয়া এদেশের আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামো উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার নবায়নযোগ্য জ¦ালানির উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ¦ালানি ৪০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কেইপিজেডের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে বলে আমি আশাবাদী।
অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কেয়ান বলেন, সৌরবিদ্যুৎ পরিবেশবান্ধব। কোরিয়ান ইপিজেডের এই প্রকল্প শুধু অর্থ সাশ্রয় করে না, ব্যবসার খরচও কমায়। ইয়াং ওয়ান প্রবৃদ্ধির সঙ্গে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কেরও উন্নতি হচ্ছে।
কোরিয়ান ইপিজেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহজাহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কোরিয়ান ইপিজেডের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কিহাক সাং বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে কিহাক সাং বলেন, ‘২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়ার পর আমরা পুরো ইপিজেড এলাকাকে পরিবেশবান্ধব ইপিজেড হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ শুরু করি। এরই অংশ হিসেবে আমরা এখানে ৪০ মেগাওয়াট ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প হাতে নিই। এটি বিশে^র সবচেয়ে বড় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প। নিজেদের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা এই প্রকল্প স্থাপনের উদ্দেশ্য নয়, চাহিদা পূরণ করে বাড়তি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করাই আমাদের লক্ষ্য।’
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের মধ্যে পারস্পরিক চুক্তির অধীনে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ইয়াং ওয়ানকে এই ইপিজেড স্থাপনের অনুমোদন দেয় সরকার। ইপিজেড স্থাপনের জন্য ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ২ হাজার ৪৯২ একর জমি তাদের বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে ওই ইপিজেডে ইয়াং ওয়ান করপোরেশনের পোশাক, জুতাসহ ২৮টি কারখানায় ২৬ হাজার লোক কাজ করছে।






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]