ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

শ্রীপুরে ছোট সড়কে বড় দুর্ভোগ বরাদ্দ না পাওয়ার অজুহাত
প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ১১:১৪ পিএম | প্রিন্ট সংস্করণ  Count : 21

ষ শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের শ্রীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে মাওনা ধনুয়া সড়কে সংযুক্ত হয়েছে সুফিয়া কটন মিলস সড়ক। সড়কের দৈর্ঘ্য ৮০০ মিটার। গুরুত্ব বিবেচনায় এই সড়কটি এইচবিবির দ্বারা উন্নয়ন করা হয় বিগত ১৯৯৮ সালে। পরে ২০১৮ সালে অধিকতর উন্নয়নের জন্য সড়কটি খুঁড়ে ফেলে ইট তুলে নেওয়া হয়। এরপরই রহস্যজনক কারণে উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যায়। আর এতেই দুর্ভোগে পড়েছে এই সড়কটির ওপর নির্ভর করে আশপাশে গড়ে ওঠা ৮টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিশ হাজার শ্রমিকসহ দুটি গ্রামের মানুষ। দুর্ভোগ কমাতে স্থানীয়রা উপজেলা প্রকৌশল অফিসসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার ধরনা দিলেও তারা বরাদ্দ না পাওয়ার অজুহাত দেখাচ্ছেন বছরের পর বছর ধরে।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা শিল্প-কারখানার জন্য এ সড়কটি অধিক গুরুত্ব বহন করে আসছে। এ সড়কটি ব্যবহার করে নোমান গ্রুপের জাবরা টেক্সটাইল, ইসমাইল টেক্সটাইল, সুফিয়া কটন মিলস, নাইস ফেব্রিক্স, সাদ গ্রুপের কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান, তামিশনা ফ্যাশন ওয়্যারসহ আরও কয়েকটি শিল্প-কারখানার বিশ হাজার শ্রমিকসহ মাওনা ও মুলাইদ গ্রামের বহু মানুষ চলাচল করে থাকেন।
২০১৮ সালের দিকে পিচ দ্বারা উন্নয়নের কথা বলে এ সড়কটি খুঁড়ে ফেলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিস। পরে আর উন্নয়নের দেখা মেলেনি। এদিকে খুঁড়ে রাখা সড়কে স্থানীয়দের উদ্যোগে ইট, সুড়কি ফেলে গর্ত ভরাট করে এতদিন কোনোমতে চলাচল করে আসলেও বর্ষায় বেহাল হয়ে পড়েছে সড়কটি। এখন তো যানবাহন চলেই না, হেঁটে চলাও যায় না। মাত্র ৮০০ মিটার এই সড়কের বেহাল দশায় শিল্প-কারখানাগুলোর উৎপাদন অব্যাহত রাখতে মাওনা বাজার হয়ে অতিরিক্ত আরও ৮ কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হচ্ছে। এদিকে সড়কটির উন্নয়নের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অফিস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে স্থানীয়রা বারবার আবেদন করলেও সড়কটির উন্নয়নে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
মাওনা উত্তরপাড়া গ্রামের ফখরুল ইসলাম বলেন, এ সড়কটির যেন কোনো অভিভাবক নেই। হাজার হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ হলেও দায়িত্বশীলরা কেউই এর গুরুত্ব বুঝতে রাজি নন। যার যার ইচ্ছেমতো সড়ক খুঁড়ছেন, সড়কের ক্ষতি করেই যাচ্ছেন। তবে সড়ক মেরামতে নজর নেই কারোই।
তামিশনা ফ্যাশন ওয়ার ইউনিট-২-এর ব্যবস্থাপক শহিদুল ইসলাম বলেন, তার কারখানায় প্রায় ৫শ শ্রমিক কাজ করেন। এই সড়কটির ওপর নির্ভর করেই কারখানাটি গড়ে উঠেছিল। বর্ষা শুরু হওয়ার এই সড়কের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বেহাল সড়কের কারণে পণ্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। মহাসড়কে গাড়ি রেখে প্রায় ৫শ মিটার এলাকায় মাথায় করে পণ্য আনতে হচ্ছে। আমাদের কারখানার অন্যতম সমস্যা এখন এই সড়ককে ঘিরেই।
স্থানীয় মেম্বারবাড়ী মোড়ের মুদি ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির বলেন, বর্ষার পূর্বেও এ সড়কটি দিয়ে স্থানীয়রা চলাচল করত। এর আগে স্থানীয় একটি কারখানা সড়কের মধ্যে পাইপলাইন স্থাপন করেছে মূলত এরপর থেকেই বেহাল হয়ে পড়েছে সড়কটি। এখন তো হেঁটে চলাও যায় না।
এ বিষয়ে শ্রীপুর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী রকিবুল আহসান বলেন, দুই মাস হলো তিনি এ উপজেলায় যোগদান করেছেন। খবর পাওয়া মাত্রই ইতোমধ্যেই এ সড়কটি পরিমাপ করে এনেছেন। এখন সড়ক উন্নয়নে বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ পাওয়া সাপেক্ষে উন্নয়ন করা হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]