ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ ৯ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

ভূমিহীনদের মূলধারায় আনা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী
হাবীব রহমান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থেকে
প্রকাশ: সোমবার, ২১ জুন, ২০২১, ১:১৮ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 29

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের সম্পদ জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘দেশের গৃহহীন-ভূমিহীনদের জমিসহ পাকা বাড়ি দেওয়ার মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় আনা হচ্ছে। রোববার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় ধাপে সারা দেশে আরও ৫৩ হাজার ৩৪০ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমির মালিকানা বুঝিয়ে দেওয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি, বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করব। এজন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা  পৌঁছে দিয়েছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি গৃহহীনদের ঘরবাড়ি করে দিচ্ছি। তিনি আরও বলেন, বস্তিবাসীর জন্য ঢাকায় ভাড়ায় থাকার জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। তাদের খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থান নিশ্চিত করছি। সরকারের নেওয়া বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে অবহেলিত জনগোষ্ঠী এখন মূলধারায় উঠে আসছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটিই আমাদের লক্ষ্য। একেবারে তৃণমূল পর্যন্ত মানুষকে জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করা। এটিই বঙ্গবন্ধুর নীতি, আওয়ামী লীগের নীতি।

অন্যান্য প্রকল্পসহ বিভিন্ন সময় ঘর করে দেওয়ার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬০৮ পরিবারকে ঘর তৈরি করে দিয়েছি। এর মধ্যে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে কক্সবাজারের খুরুশকুলে বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প রয়েছে। আমাদের সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছেন। আমাদের পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থা এ কাজে এগিয়ে এসেছে।

প্রসঙ্গত, মুজিব বর্ষে যাদের ঘর দেওয়া হচ্ছে তাদের দুটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। ‘ক’ ক্যাটাগরি হচ্ছে যারা ভূমিহীন ও গৃহহীন। ‘খ’ হচ্ছে যার ১ থেকে ১০ শতাংশ জমি আছে; কিন্তু ঘর নেই। ২০২০ সাল পর্যন্ত তৈরি তালিকায় ‘ক’ শ্রেণির পরিবারের সংখ্যা ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি। আর ‘খ’ শ্রেণির পরিবার ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি। ‘গৃহপ্রদানের’ জন্য সরকারের তালিকায় রয়েছে মোট ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবার। প্রথম দফায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘর দেওয়া হয়েছে ৬৯ হাজার ৯০৪ পরিবারকে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ১ লাখ পরিবারকে জমিসহ নতুন ঘর উপহার দেওয়া হবে। এ তালিকা চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় গৃহনির্মাণের জন্য একটি ট্রাস্ট গঠন করেছে। বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে ৫ কোটি টাকা দিয়ে এই ট্রাস্ট গঠন করে দেন প্রধানমন্ত্রী।

গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। অনুষ্ঠানের শুরুতে আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে একটি থিমসং বাজানো হয়। পরে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের শেখ হাসিনা মডেল’ শীর্ষক একটি তথ্যচিত্র পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে তুলে ধরেন ড. কায়কাউস। সূচনা বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ভার্চুয়ালি তার প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হাত থেকে জমির দলিল ও ঘরের চাবি বুঝে নেন উপকারভোগীরা। পরে কুড়িগ্রাম সদর, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া, শেরপুরের ঝিনাইগাতী ও মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রান্তে যুক্ত হয়ে উপকারভোগীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]