ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১ ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮
ই-পেপার শুক্রবার ৩০ জুলাই ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে ডিজিটাল হাট
আসিফ তাসনীম
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১, ১১:৫৭ পিএম আপডেট: ১৮.০৭.২০২১ ১০:৩৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 83

কড়া নাড়ছে ঈদুল আজহা। প্রতিবছর কোরবানি ঈদে গরুর হাট ঘুরে পছন্দমতো পশু কেনার আনন্দই যেন অন্যরকম। তবে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে আসছে কোরবানির ঈদে হাট এড়িয়ে যেতে পরামর্শ দিচ্ছে সবাই। জনসমাগম এড়াতে অনেকের আস্থা তাই এখন ডিজিটাল পশুর হাটের দিকে। শুরুর দিকে ক্রেতা-বিক্রেতার মনে দ্বিধা থাকলে সরকারের বিভিন্ন নির্দেশনা আর নজরদারিতে তা অনেকটাই কেটে গেছে।

বিক্রিও হচ্ছে ধুমছে। মাত্র ১৫ দিনে সারা দেশে অনলাইন হাটে মোট ১ হাজার ৮৩২ কোটি ৯৭ লাখ ৮৩ হাজার ২৫৭ টাকার পশুর বিক্রি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রামে। কম বিক্রি হয় ময়মনসিংহে। সর্বশেষ শুক্রবার ২৫ হাজার ১৪৮টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। যার মধ্যে গরু ও মহিষসহ ১৯ হাজার ১১৯টি। আর ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৬ হাজার ২৯টি। প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। ১৫ দিনে সারা দেশে অনলাইন হাট থেকে সব মিলিয়ে ২ লাখ ৬৩ হাজার ২১৬টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। গরু ও মহিষের সংখ্যা ২ লাখ ৪ হাজার ২৩৯। আর ছাগল ও ভেড়ার সংখ্যা ৫৮ হাজার ৯৭৭টি।

ডিজিটাল হাটের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, ৮ বিভাগে কোরবানির পশু বিক্রির জন্য প্লাটফর্ম আছে ১৫টি। যার বাইরে সরকারি উদ্যোগ (ফেসবুকভিত্তিক) ৬০২টি। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আছে ১ হাজার ৭৫৩টি। তবে এগুলো ভেরিফায়েড নয়।

অনলাইনে কোরবানির পশু কেনায় আগ্রহী হচ্ছেন ক্রেতারা
অনলাইনে কোরবানির পশুর হাট নিয়ে বিভিন্ন বয়সের ক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত দাম, আর গরুর ওজন নিয়ে নানা রকম মন্তব্য পাওয়া গেছে। তা ছাড়া সঠিক সময়ে কোরবানির পশুর ডেলিভারি পাওয়া, পশুর কোনো ত্রুটি থাকলে তার সমাধান, সময়মতো আরেকটি পশুর ডেলিভারি পাবেন কি না, সে বিষয়গুলোও উঠে এসেছে আলাপচারিতায়।
কলাবাগান বশিরউদ্দিন রোডে বসবাস করা লাবণ্য রেজা সময়ের আলোকে জানান, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে আসছে কোরবানি পশু কেনা নিয়ে এখনও অনেকেই দুশ্চিন্তায় আছেন। কিন্ত ডিজিটাল হাট থেকে গরুর কিনে অবশেষে চিন্তা মুক্ত হলাম। বিশ্বস্ততার সঙ্গে দাম নিয়ে তিনি বলেন, সাইটে গরুর ছবি দিয়ে যে ওজন উল্লেখ ছিল, তাও ঠিক বলেই মনে হয়েছে। তবে প্রায় সব গরুর দামই গড়ে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা বেশি করে ধরা হয়েছে বলে আমার ধারণা।

একই অভিযোগ মতিঝিলে বসবাসরত বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করা মোহাম্মদ হোসাইনের। সময়ের আলোকে তিনি বলেন, অনলাইনে অধিকাংশ গরুর দাম ‘একদাম’ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন বিক্রেতারা। তার মানে হাটের মতো দামাদামি করার সুযোগ থাকছে না। তা ছাড়া বেশিরভাগ পশুর ক্ষেত্রে উল্লিখিত ওজনটি আনুমানিক। সাইটে দেখে গরুর কোনো রোগবালাই বা অন্য কোনো সমস্যা আছে কি না, তা বোঝা সম্ভব না বলে তিনি মনে করেন। তবে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ডিজিটাল হাট নিয়ে সিটি করপোরেশন-পৌরসভাগুলোর ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের স্থানীয় প্রতিনিধি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে অনলাইনে গবাদিপশু বেচাকেনার উদ্যোগ গ্রহণে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। উপজেলা ও জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট কোনো পশু ক্রয়ে যদি ক্রেতার আপত্তি থাকে তাহলে (https://digitalhaat.net) সাইটের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে দাম ঠিক রেখে ক্রেতাকে অন্য পশু সরবরাহ করবেন বিক্রেতা। তা ছাড়া সংশ্লিষ্ট ভেটেরিনারি সার্জনরা অনলাইনে আপলোড করার আগে গবাদিপশুর স্বাস্থ্য সনদ প্রদান করবে। যা অনলাইনে আপলোড করতে হবে।


প্রাণিসম্পদ অধিদফতর অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির জন্য খামারিদের সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্লাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগে সহযোগিতা করবে। আপলোড করা পশুর ক্ষেত্রে মালিকের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, পশুর বয়স, ওজন, দাম ও ছবি নিশ্চিত করতে হবে।

অভিযোগ করবেন যেভাবে
সরাসরি (https://digitalhaat.net) সাইটে প্রবেশ করে নিজের নাম, মোবাইল নম্বর, অভিযোগের কারণ ও প্রমাণসহ অভিযোগ করলে তা দ্রুতই সমাধানে উদ্যোগ নেবেন কর্তৃপক্ষ।

/এসএইচ/






সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]