ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১ আশ্বিন ১৪২৮
ই-পেপার রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

চট্টগ্রামে কসাই সংকটে দ্বিতীয় দিনেও কোরবানি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০২১, ২:৩৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 105

চট্টগ্রামে পেশাদার কসাই সংকটের কারণে ঈদের দিনে পশু কোরবানি দিতে পারেনি অনেক কোরবানিদাতা। ফলে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পশু কোরবানি দেওয়া হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায়।

বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকালে নগরীর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর আবাসিক এলাকায় পশু কোরাবনি দেন হাজী নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঈদের দিন কসাই পাওয়া যায়নি। পেলেও তারা অতিরিক্ত মজুরী দাবি করে। তাই কোরবানি দিতে পারিনি। 

তিনি বলেন, আমি ৯৬ হাজার টাকায় গরু কিনেছি। এই গরুর মাংস কেটে দিতে দুজন কসাই পারিশ্রমিক চেয়েছে ১২ হাজার টাকা। যা সম্পূর্ণ বেমানান। আর ঈদের দ্বিতীয় দিনে ৬ হাজার টাকায় এই কাজ করছে কসাইরা।

মোহাম্মদপুর আবাসিক এলাকায় অন্তত ১১ জন কোরবানিদাতা এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। যারা ঈদের দ্বিতীয় দিনে পশু কোরবানি দিয়েছেন। 

একই কথা শুনালেন নগরীর নাসিরাবাদ আবাসিক এলাকার হাজী কামাল উদ্দিন। কসাইদের অত্যাধিক পারিশ্রমিকের কারণে তিনিও ঈদের দিন পশু কোরবানি দেননি। তার মতো আবাসিক এলাকার আরও চারজন কোরবানিদাতা বৃহস্পতিবার সকালে পশু কোরবানি দেন বলে জানান তিনি। 

তিনি বলেন, অর্ধেক পারিশ্রমিক দিয়ে কসাইরা ঈদের দ্বিতীয় দিনে গরুর মাংস কাটার কাজ করছে। পেশাদার কসাই সংকটের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। মৌসুমী কসাইরা কাজ করলে মাংস নষ্ট করে ফেলে।

পাঁচলাইশ আবাসিক কল্যান সমিতির সহ-সভাপতি সামশুল আলম বলেন, পেশাদার কসাই সংকটের কারণে আবাসিকের অনেক কোরবানিদাতা ঈদের দিন পশু কোরবানি দিতে পারেনি। ফলে ঈদের দ্বিতীয় দিনে আবাসিক এলাকায় ৭-৮টি পশু কোরবানি হয়েছে। 

তিনি বলেন, ঈদের দিন কসাইদের কদর অনেক বেড়ে যায়। তারা গরু কত টাকায় কেনা হয়েছে এবং কতমণ ওজনের গরু জেনে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে। এক্ষেত্রে প্রতি লাখ টাকায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক দাবি করে। অথচ ঈদের দ্বিতীয় দিনে অর্ধেক পারিশ্রমিকে কাজ করছে তারা। 

নগরীর বহদ্দারহাটের কসাই নুরুল আজিম বলেন, গরু জবাই ও কাটাকাটি করতে পশুর দামের ওপর প্রতি হাজারে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা নেওয়া হয়। গরু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া ছাড়ানো, হাড় থেকে মাংস ছাড়িয়ে তা ছোট করা, হাড়গুলো ছোট ছোট করা, নাড়িভুঁড়ি পরিষ্কারসহ সব কাজ করেন তারা।  

নগরীর আগ্রাবাদের কসাই মামুনুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন কাজের চাপ বেশি থাকে। সে হিসেবে পারিশ্রমিক একটু বেশি নেওয়া হয়। একদিনে তিন-চারটি গরুর কাজ করি। পেশাদার কসাই যারা তারা খুব কম সময়ে কাজ শেষ করতে পারে। তবে দ্বিতীয় দিন চাপ কম। কাজ নেই বললেই চলে। সে হিসেবে অর্ধেক পারিশ্রমিক পাইলেও কাজ করি।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]