ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১ আশ্বিন ১৪২৮
ই-পেপার রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

কেনাকাটা চলবে ৬ ঘণ্টা
ঢাকার বাজারে ক্রেতা ও পণ্যের সরবরাহ কম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ২:২১ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 28

কোরবানির ঈদের পর এমনিতেই ভোগ্যপণ্যের বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকে। তার ওপর শুরু হয়েছে কঠোর লকডাউন। এ দুই কারণে ঢাকার বাজারগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি যেমন কমেছে, তেমনি পণ্যের সরবরাহও অনেক কম দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, বাজারে বিক্রেতাদের উপস্থিতিও কম লক্ষ করা গেছে। তবে সবজি, মাছ এবং চালের বাজার বেশ চড়া দেখা গেছে। 

এদিকে লকডাউনের মধ্যে বাজার খোলা থাকবে বা বিকিকিনি চলবে ৬ ঘণ্টা। সরকারের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, লকডাউনের ১৪ দিন শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। তবে কাঁচাবাজার ও অন্যান্য নিত্যপণ্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টা স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখনও বেশিরভাগ সবজির দোকান বন্ধ রয়েছে। আবার বাজারে ক্রেতাও কম। অনেক মুদিখানার দোকানও বন্ধ। বন্ধ রয়েছে গরু ও খাসির মাংসের দোকান। তবে কিছু মুরগির দোকান খোলা রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি ১৩০-১৪০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৩০-২৪০ আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৩০ টাকা।
অল্প কিছু ব্যবসায়ী দোকান খুলে সবজি বিক্রি করছেন। কোরবানি ঈদ, লকডাউন ও বৃষ্টি এই তিন কারণে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। সবজির মতো মাছ বাজারেও অল্পকিছু ব্যবসায়ী মাছ বিক্রি করছেন। তবে ক্রেতা কম, মাছের দামও বেড়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের পরে সাধারণত বেচাকেনা কম থাকে, ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় কম থাকে। এবার লকডাউনের কারণে আরও কমে গেছে। ঈদের আগে রাজধানীর অলি-গলিতে সবজির দোকান দেখা গেলেও এখন প্রায় সব ফাঁকা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেখা যায়, বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ। মগবাজার, মালিবাগ ও গোপীবাগ বাজারের পরিস্থিতিও একই।

গাজরের কেজি ১৭০, টমেটো ১৫০ টাকা। অর্থাৎ ঈদের পর দুদিনে এ দুটি সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকার ওপরে। দেশীয় শসা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে। গত সপ্তাহে যা ছিল ৮০ টাকা। হাইব্রিড শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়। বেড়েছে কাঁচা মরিচের দামও। ঈদের পর কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা পর্যন্ত। বেগুন ৬০-৭০, ঝিঙে ৬০-৭০, করলা ৬০-৭০, চিচিঙ্গা ৫০-৬০, বরবটি ৭০-৮০, ঢেঁড়স ৪০-৫০, পটোল ৩০-৪০, কাঁচকলা (হালি) ৩৫-৪০, পেঁপে ৪০-৫০, লাউ ও চালকুমড়া আকারভেদে ৫০-৭০, লেবু (হালি) ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া নিত্যপণ্য আলু কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। দেশীয় পেঁয়াজ ৫০, আমদানি করা পেঁয়াজ ৪৫, রসুন ১৪০-১৫০, আমদানি করা আদা ১৬০-২০০ টাকা, আর দেশি আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৬০ টাকা। জিরা ৩৬০, ধনিয়া ১২০, এলাচ ২ হাজার ৪৫০, দারুচিনি ৪২০, তেজপাতা ১২০, গোলমরিচ ৫২০ এবং সয়াবিন তেলের বোতল এক লিটার ১৪৫-১৫০, ৫ লিটার ৭০০-৭১০, খোলা সয়াবিন তেল ভালো মানের ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি হালি লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়। বাজারের সবচেয়ে কম দামি গরিবের মোটা চালের কেজি এখন ৪৮ টাকা। এ ছাড়া নাজিরশাইল বা মিনিকেটের কেজি ৬৮-৭২ টাকা।

মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০০-৮৫০ টাকা কেজি, যা ঈদের আগে ৬০০-৬৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল। তেলাপিয়া মাছ ১৫০-১৬০, রুই মাছ ২৪০-৩২০, মৃগেল মাছ ২২০-২৮০, পাবদা মাছ ৪০০-৫০০ এবং রূপচাঁদা মাছ ৭০০-৮৫০ টাকা।

/টিএম/





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]