ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১ আশ্বিন ১৪২৮
ই-পেপার রোববার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচারে’ প্রকাশিত গবেষণা
কোভিশিল্ডে আজীবন সুরক্ষা
সময়ের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ৭:৫০ এএম আপডেট: ২৪.০৭.২০২১ ৯:৪৫ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 61

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড নেওয়া থাকলেই আজীবন করোনার থেকে সুরক্ষিত থাকবেন। বিজ্ঞান জার্নাল নেচারে প্রকাশিত এক রিপোর্টে এমনটাই জানিয়েছেন অক্সফোর্ড এবং সুইজারল্যান্ডের গবেষকরা। হিন্দুস্তান টাইমস।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ভাইরাস ধ্বংসকারী অ্যান্টিবডি তৈরি ছাড়াও, ভ্যাকসিনটি সার্চ-অ্যান্ড-ডেসট্রয় টি-সেলকে প্রস্তুত করে। এ যেন শরীরের মধ্যেই টি-সেলের ‘প্রশিক্ষণ শিবির’। ফলে সেটি ভবিষ্যতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের ভাইরাসের বিরুদ্ধেও সমান কার্যকর হবে। অর্থাৎ অ্যান্টিবডি শেষ হওয়ার অনেক পরও শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলো তৈরি হতে থাকবে। সম্ভবত সারাজীবনই তা হবে, বলছেন গবেষণা। 

সুইজারল্যান্ডের ক্যান্টোনাল হাসপাতালের গবেষক বুখার্ড লুডউইগ জানান, ‘এই সেলুলার প্রশিক্ষণ শিবিরগুলো থেকে যে টি-কোষগুলো আসে তাদের মধ্যে খুব উচ্চস্তরের ‘ফিটনেস’ থাকছে। ফলে ভবিষ্যতে ভাইরাস থেকে এটিই রক্ষা করবে।’ ‘এক্ষেত্রে ভাইরাসই আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষক বলা যায়। শরীরের টি-সেল রেসপন্স কীভাবে আরও ভালো করা যায়, সেই নিয়ে আও প্রচেষ্টার শিক্ষাই দিল করোনা’, জানান বিজ্ঞানী। পূর্ববর্তী এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, ফাইজার এবং মডার্নার মতো এমআরএনএ ভ্যাকসিনের চেয়ে টি-কোষ তৈরিতে অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন আরও বেশি কার্যকর।

গবেষকদের দাবি, অ্যাডিনোভাইরাস ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে কোভিশিল্ড। এই কোভিশিল্ডের দুটি ডোজ আজীবন একজন মানুষকে করোনার থাবা থেকে সুস্থ রাখতে পারে। কোভিশিল্ডকে বেশি কার্যকর হিসেবে মান্যতা দেওয়ার পাশাপাশি মানানসই যুক্তিও ব্যাখ্যা করেছেন গবেষকরা। তাদের দাবি, অ্যাডিনোভাইরাস মানবদেহের শারীরিক গঠনের সঙ্গে অত্যন্ত পরিচিত। 

অ্যাডিনোভাইরাসের খোলের মধ্যে করোনার স্পাইক প্রোটিন ভরে কোভিশিল্ড তৈরি করা হয়েছে। টিকা নিলে অ্যাডিনোভাইরাস মানবদেহের ফাইব্রোব্লাস্টিক রেটিকিউলাস সেলে ঢুকে পড়ে। এই ধরনের কোষ যথেষ্ট দীর্ঘায়ু। তা শরীরে ঢোকার পর আইএল ৩৩ সাইটোকাইন নিঃসরণ হয়, যা মানবদেহে মজুদ টি সেলের ট্রেনিংয়ের পরিবেশ তৈরি করে দেয়। টি সেলকে শেখানো হয়, যে চেহারা নিয়েই করোনা শরীরে প্রবেশ করুক তাকে চিনে নিয়ে খতম করে দেবে টি সেল। রীতিমতো ক্যাম্প বসিয়ে এই প্রশিক্ষণ চলে।

 যার জেরে কোভিশিল্ডের দুটি ডোজই একজন মানুষকে করোনা থেকে আজীবন সুরক্ষা দিতে সক্ষম। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই ভ্যাকসিন ভারতে উৎপাদন করে সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া, যা কোভিশিল্ড ব্র্যান্ড নামে ব্যবহৃত।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]