ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৭ আশ্বিন ১৪২৮
ই-পেপার  বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

সবজির ভাসমান বাজার
আতিকুর রহমান, ঝালকাঠি
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১, ১২:৪৩ পিএম আপডেট: ৩০.০৭.২০২১ ১২:৪৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 163

ঝালকাঠির ৩৬ গ্রামের কৃষকরা বর্ষার মৌসুমী শাক-সবজি বাজারজাত করণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাঁকরোল, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, তিতা করলা, শসা, বরবটি, ঢেড়শ, পুঁই শাক, ডাটাশাক, পাটশাক, শশা, কাচকলা, বেগুন, পেপে, পানিকচু, কচুশাক, কচুর লতি, পটল, চালকুমড়া ইত্যাদি চাষ করেছেন তারা। আগাম সবজি বেশি দামে বিক্রি করার স্বপ্নও দেখছিলেন চাষীরা। কিন্তু সে আশায় বাধ সেধেছে করোনা। এদিকে পরিবহন সমস্যার কারণে পাইকারও কম। 

তাই কৃষকরা ভীমরুলীর ভাসমান হাটে ডিঙি নৌকায় করে শাক-সবজি নিয়ে খালের এ-পাড় থেকে ও-পাড়ে যাচ্ছেন কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য। কিন্তু পাইকার কম আসায় কাঙ্খিত দাম না পেয়ে হতাশ তারা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মাচায় ঝুলছে তিতা করলা, কাঁকরোল, বরবটি, চালকুমড়া, পুইশাক, শশা, ঝিঙা, চিচিঙা আর মাচার নীচের রসালো মাটিতে বিভিন্ন ধরনের কচু। এ ধরণের সবজি চাষ করে উপজেলার অনেক চাষী স্বাবলম্বী হয়েছেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলার উপ-সহকারী কর্মকর্তার পরামর্শে এক ফসলি জমি বর্তমানে তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হয়েছে। যে জমিতে আগে মাত্র একবার ফসলের চাষ করা হত, এখন সে জমিতে ১২ মাসে রবি মৌসুমে (শীতকালীন), খরিপ-০১ (গ্রীষ্মকালীন) ও খরিপ-০২ (বর্ষাকালীন) উৎপাদিত হচ্ছে নানা জাতের শাক সবজি।

সবজি চাষী মো.ইউসুফ জানান, তিনি ৬০ শতক জমিতে জমিতে শসা ও ১০ শতক জমিতে কাঁকরোল চাষ করেছেন। এ দুধরনের সবজি চাষে তার মোট খরচ হয়েছে ৮২ হাজার টাকা । তার ক্ষেতের ফলনও হয়েছে ভাল। এ পর্যন্ত তিনি ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার শসা ও কাঁকরোল বিক্রি করেছেন। ক্ষেতের সমস্ত শসা ও কাঁকরোল বিক্রি করতে পারলে আরো ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। সরকারী ভাবে কৃষি ঋন পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কোন প্রকার সরকারী ঋন পাননি। 

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, ঝালকাঠির সবজি চাষে মডেল গ্রামগুলোয় প্রণোদনা ও পরামর্শ দেওয়াসহ নানাভাবে কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করে আসছে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনে আমরা যতদূর সম্ভব মাঠে কাজ করে যাচ্ছি। যে সমস্ত সবজি চাষী ক্ষেতের রোগ বালাইয়ের ব্যাপারে আমাদের কাছে আসেন তাদেরকে সাধ্যমত পরামর্শ ও সহযোগিতা করে থাকি। সবজি চাষীরা প্রতিবছরই ৩টি মৌসুমে ভাল মানের সবজি উৎপাদন করে থাকে।

/আরএ/




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]