ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা  বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৭ আশ্বিন ১৪২৮
ই-পেপার  বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

চবির দাফতরিক কাজে দীর্ঘসূত্রিতার বেড়াজাল
চবি প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:৫৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 1098

ফর্ম ফিলাপ, ব্যাংকে টাকা জমাদান এবং ভর্তি কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীরা। চূড়ান্ত পরীক্ষা যত ঘনিয়ে আসে ততই বিভিন্ন দফতরে দৌড়াদৌড়ি বেড়ে যায় তাদের। দাফতরিক কাজে ধীরগতির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা গ্রহণও সম্ভব হচ্ছেনা। 

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন চবির একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। এরপর ১৮ আগস্ট থেকে প্রথম সশরীরে স্থগিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়৷ এরপর ক্রমান্বয়ে প্রায় ৩০টি বিভাগের পরীক্ষার রুটিন ও ফর্ম ফিলাপের সময় নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষায় বসার পূর্বেই দাফতরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে ব্যাংকে ফর্ম পৌঁছাচ্ছে না। ফলে পরিবহন সঙ্কটকে উপেক্ষা করে ক্যাম্পাসে এসেও বারবার ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

অন্যদিকে, করোনাকালীন সময়ে পরিবহন এবং আবাসিক হল বন্ধ থাকায় নির্ধারিত ফি মওকুফের আদেশ এখনো বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। ফলে বাড়তি ফি জমা দিয়েই ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন শিক্ষার্থীরা। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী নাদিয়া কানিজ জানান, আজকে (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে আমাদের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ২৭ আগস্ট ছিল ফর্ম ফিলাপের ডেডলাইন, এরপর ব্যাংকে ফর্ম জমা হলে টাকা জমা দেওয়ার কথা। কিন্তু প্রতিদিনই বিভাগ থেকে ফর্ম পাঠানোর কথা বললেও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দফতর পায়নি বলে জানায়। সর্বশেষ আজকে জানানো হয়েছে আগামীকাল ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারব। পরীক্ষার পূর্বে আমরা প্রস্তুতি নিব নাকি এরকম হয়রানির মাঝে সময় নষ্ট করব।

বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও বারবার গণপরিবহনে চড়ে এসে যখন শুনি ব্যাংকে এখনো ফর্ম জমা হয়নি, সেটার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশের মত নয়। একদিকে পরীক্ষার চাপ মাথায় থাকে, অন্যদিকে কোন স্বাস্থ্যবিধিও মানা সম্ভব হচ্ছেনা। গণপরিবহনে করে এসে শাটল ট্রেনের ফি জমা দিতে হচ্ছে। বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তি ও টাকা জমা দেয়ার কাজ সম্পন্ন করতেছে। কিন্তু আমাদের ভোগান্তি কমানোর জন্য প্রশাসনের কোন পদক্ষেপই চোখে পড়ে না।

এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আমীর মোহাম্মদ মুছার সাথে যোগাযোগ করা হলে ‘আমি এখানে কাজ করিনা’ বলে ফোন কেটে দেন।

পরবর্তীতে উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আহমেদ উল্লাহ বলেন, ফর্ম জমাদানে দীর্ঘসূত্রিতার ব্যাপারে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে জানান, এ বিষয়টা পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দফতর ভালো জানেন। তবুও আমি কথা বলব কি কারণে ফর্মগুলো এতদিন আটকে ছিল।

/আরএ/




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]