ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১ ১০ কার্তিক ১৪২৮
ই-পেপার সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

সন্ধ্যা নদীতে মা ইলিশ নিধনের মহোৎসব
রাহাদ সুমন, বানারীপাড়া (বরিশাল)
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২১, ৪:০২ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 82

বরিশালের বানারীপাড়ায় সন্ধ্যা ও এর শাখা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ডিমওয়ালা মা ইলিশ নিধনের মহোৎসব চলছে। উপজেলা মৎস্য অধিদফতরের ঢিলেঢালা অভিযানের কারণে রাত-দিন শত শত নৌকায় জেলেরা কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে এ মা ইলিশ শিকার করছে।

নিষেধাজ্ঞার প্রথম রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা ও মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে সন্ধ্যা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৯ জেলেকে আটক করে মোবাইল কোর্টে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ায় ডিমওয়ালা মা ইলিশ রক্ষার বিষয়ে এলাকাবাসী আশার আলো দেখতে পেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে অভিযান চলছে দায়সারা গোছের। এদিকে অভিযানে জব্দ হওয়া বিপুল পরিমানে ইলিশ এতিমখানায় বিতরণের কথা বলে অভিযানে থাকাদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা মৎস্য সমিতির সভাপতি ও বানারীপাড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য সুধীর রঞ্জন অভিযোগ করে জানান, ঢিলেঢালা অভিযানের সুযোগে রিল্যাক্স মুডে জেলেরা সন্ধ্যা নদীতে কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে মা ইলিশ নিধন করছে। উপজেলা মৎস্য অধিদফতরের ঢিলেঢালা অভিযানকে দায়ী করে তিনি বলেন, জেলেরা নিধন করা এসব মা ইলিশ স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বিক্রি করছে। উপজেলা মৎস্য অধিদফতর এসব মাছ বিক্রির কথা জেনেও না জানার ভান করে সন্ধ্যা নদীতে দায়সারা অভিযান পরিচালনা করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এদিকে এলাকার সচেতন মহল জানান, সন্ধ্যা নদীর মা ইলিশ রক্ষা করতে হলে উপজেলা মৎস্য অধিদফতরের চলমান অভিযান আরও জোরদার ও কঠোরতর করতে হবে। এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, অভিযানের শুরুতেই তারা একটি ও পরবর্তীতে দুটি ট্রলারে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছেন। এরপরও তারা সন্ধ্যা নদী থেকে জেলেদের মা ইলিশ নিধন বন্ধ করতে পারছেন না। তিনি বলেন, অপ্রতুল বরাদ্দ, জনবল ও পুলিশ সঙ্কটের কারণে তারা অভিযান জোরদার করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, পুলিশ নিয়মিত সন্ধ্যা নদীতে মৎস্য অভিযানের দুটি টিমে ২৪ ঘণ্টা ডিউটি করছে। এ ছাড়া বাকি পুলিশ এলাকার আইনশৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার জন্য শারদীয় দুর্গোৎসবে ডিউটি করছে। এ মুহূর্তে তার কাছে অতিরিক্ত পুলিশ না থাকায় মৎস্য অভিযানে তিনি বাড়তি পুলিশ দিতে পারছেন না।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন কুমার সাহা বলেন, সন্ধ্যা নদীতে মৎস্য অভিযান বৃদ্ধি করতে হলে আরও পুলিশ প্রয়োজন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]