ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

২০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে গঠিত হল সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাস
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: রোববার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ৪:১১ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 95

২০ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে গঠিত হয়েছে সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাস। সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান , চেয়ারম্যান এবং ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া , উপদেষ্টা হিসেবে সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাসে কাজ করবেন। ইনস্টিটিউট অফ ইনফরম্যাটিক্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইআইডি) সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাসের সচিবালয় হিসেবে থাকবে।

কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত একটি পলিসি কনক্লেভে (সাংসদ সম্মিলন) গত ১০ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৫ জন সংসদ সদস্য যোগদান করেন, যাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি এবং আগামী বছরগুলিতে সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এই পলিসি কনক্লেভে যোগ দেওয়া অন্যান্য সংসদ সদস্যদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন- আহসান আদেলুর রহমান এমপি, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি, শফিকুল ইসলাম শিমুল এমপি,  শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, রানা মোহাম্মদ সোহেল এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, শামসুন নাহার এমপি, মো. ছলিম উদ্দীন তরফদার এমপি, মজিবুর রহমান চৌধুরী এমপি, তানভীর শাকিল জয় এমপি, আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি, আশেক উল্লাহ রফিক এমপি, এবং মাহজাবিন খালেদ সাবেক এমপি, সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাসের সেক্রেটারি।

সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য কর্মসংস্থান, দক্ষতা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রগুলি চাবিকাঠি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সংসদ সদস্যরা এই অভিযানকে একসাথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য “সামাজিক ন্যায়বিচার সংসদীয় ককাস” গঠনের প্রস্তাবনা করেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন। যেহেতু স্বাধীন বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সংগ্রাম ছিল সমতা ও ন্যায়বিচার, তাই আমাদের সংবিধান প্রতিশ্রুতি দেয় যে, রাষ্ট্রের একটি মৌলিক লক্ষ্য হবে "সকল নাগরিকের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক - সমতা ও ন্যায়বিচার" নিশ্চিত করা।
 
স্থানীয় পর্যায়ে, যেকোনো উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে নীতিনির্ধারকদের অতি দরিদ্র এবং দুর্বল মানুষের কথা মাথায় রাখা জরুরি। সংসদ সদস্যরা বিশেষভাবে গতানুগতিক ইটের ভাটার কথা উল্লেখ করে এর বিকল্প দাবি করেছেন, যা শুধু পরিবেশ দূষণের কারণই নয় বরং আয় এবং কর্মসংস্থানের বৈষম্য হিসাবে কাজ করে। যেখানে গুটিকয়েক ইটভাটার মালিক লাভবান হয় এবং দরিদ্র কৃষকদের জমি প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংসদ সদস্যরা বিশেষ করে নদী ভাঙ্গন বন্ধ করতে এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা ও কর্মসংস্থান রক্ষার জন্য টেকসই বাঁধকে তুলে ধরে জলবায়ু ন্যায়বিচার এর কথা বলেন।  সংসদ সদস্যরা  কর্মসংস্থানের প্রতিবন্ধকতা ও অতীতের বৈষম্য দূরীকরণ এবং কর্মসংস্থানে ন্যায়সঙ্গত সুযোগ প্রদানের জন্য পার্থক্য মিটানোর বিষয়েও আলোচনা করেন।

কোটা আন্দোলনের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংখ্যালঘু এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার পরামর্শ দেন, যা প্রস্তাব করার জন্য সংসদ সদস্যরা তাকে ধন্যবাদ জানান এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

জনসংখ্যার পরিবর্তিত প্রকৃতি এবং কাজের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) পাঠ্যক্রম আপডেট করার কথাও সদস্যরা বলেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্যান্য দেশে উদ্ভূত নতুন প্রবণতা সম্পর্কে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 

অন্যদিকে, অজানা ভবিষ্যতের কারণে, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে প্রবর্তিত মানসিক বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তিগত সংযোজনের মতো বিষয়গুলিও পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে জানান৷ সংসদ সদস্যরা টিটিসির সংযোগ ব্যবস্থা, বিভিন্ন দুর্বল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা করেছেন, বিশেষ করে কিছু গোষ্ঠী যেমন- ঝাড়ুদার সম্প্রদায়, হরিজন জনগোষ্ঠী যারা সাধারণত কর্মসংস্থানের অন্যান্য ক্ষেত্র থেকে বাদ পড়ে যায়।





সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]