ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

ঘটনা যেই ঘটিয়ে থাকুক তাকে খুঁজে বের করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১৭ অক্টোবর, ২০২১, ৭:৫৩ পিএম আপডেট: ১৭.১০.২০২১ ৯:৪৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 158

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘কুমিল্লার ওই ঘটনা যেই ঘটিয়ে থাকুক, তাকে আমরা খুঁজে বের করব। আইন অনুযায়ী তার উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করব। যারা এগুলো করেছেন, যে উদ্দেশ্য নিয়েই করে থাকেন, সে উদ্দেশ্য কখনই সফল হবে না। ইতোমধ্যেই অনেক কিছু বের হয়েছে। আরও বের হবে, আপনারা জানতে পারবেন। যেহেতু তদন্ত চলছে তাই আপাতত আর মুখ খুলছি না।’
 
বঙ্গবন্ধুর কনিষ্টপুত্র শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘শিশুদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

রোববার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান ও জাগো নিউজের সহকারী সম্পাদক ড. হারুন রশীদ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কলামিস্ট মিথুশিলাক মুরমু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা সব সময় বলি- এ দেশ মুসলমানের, এ দেশ হিন্দুর, এ দেশ খ্রিস্টানের, এ দেশ বৌদ্ধদের। এটা অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। এটা আমরা মনেপ্রাণে ধারণ করি বলেই আমাদের গতি অপ্রতিরোধ্য। আমরা সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক যে ঘটনা ঘটেছে, এটা একটি উদ্দেশ্যমূলক ঘটনা। এটার পেছনে কী কারণ রয়েছে, অবশ্যই সে কারণ খুঁজে বের করব এবং গণমাধ্যমের মাধ্যমে সবাইকে জানাব।

তিনি বলেন, শেখ রাসেলসহ তার পরিবারের সবাইকে কীভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তা সবাই জানেন। ঘাতকরা ভেবেছিল এই রক্তের কেউ বেঁচে থাকলে তাদের ভবিষ্যতে জবাবদিহি করতে হবে। তারা বাংলাদেশকে অন্ধকারে নিমজ্জিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেটা হয়নি, হবে না। কারণ বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার ধমনীতে বইছে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) তিনি সেটা কখনই হতে দেবেন না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও তার ছোটবোন সেদিন বেঁচে গিয়েছিলেন বলেই আমরা আজকের এই বাংলাদেশকে পেয়েছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কে এম শহীদুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ষড়যন্ত্রকারীরা খুনিদের জন্য অধ্যাদেশ জারি করে দায়মুক্তির ব্যবস্থা করেছিল। সামরিক সরকার তথা জিয়াউর রহমান ও এরশাদ ক্ষমতা দখল করে এ দেশে সুবিধাবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী চক্র গড়ে তোলেন। এই চক্রগুলো এখনো দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। রামুর ঘটনা, চাঁদে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে দেখা এসব ষড়যন্ত্রের অংশ।

সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে শিশু হত্যার ঘটনা আমরা দেখেছি, কিন্তু শেখ রাসেল হত্যার মতো এতোটা বর্বর ও নৃসংশ হত্যা চিন্তাও করা যায় না। যে শিশু রাসেল ভয়ে তার মায়ের কাছে যেতে চাচ্ছিল তাকে কিনা খুনিরা মায়ের কাছে নেওয়ার কথা বলে ব্রাশ ফায়ার করে নির্মমভাবে মেরে ফেললো। রাসেলের খুনিরাই এখন সাম্প্রদায়িক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল নিরাপদ বাংলাদেশের। শিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ। কিন্তু সেই নিরাপদ বাংলাদেশের প্রথম স্তম্ভ ধ্বংস করা হয়েছিল পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে। ১৫ আগস্টের হত্যা মানে বাংলাদেশকে হত্যা, শেখ রাসেলকে হত্যা মানে নিরাপদ বাংলাদেশকে হত্যা।

/এএইচ/জেডও/


আরও সংবাদ   বিষয়:  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]