ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

শুরুতেই উজ্জ্বল স্পিনাররা
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১, ২:০৪ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 85

ওমান, পাপুয়া নিউগিনির ওপরে নয় বাংলাদেশ, কথাগুলো স্কটল্যান্ড কোচ শেন বার্জারের। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে এমন হুঙ্কার দিয়েছিলেন স্কটিশ কোচ। 

টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৬ নম্বরে। বিপরীতে স্কটল্যান্ড আছে ১৪ নম্বরে। এ ছাড়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যে-গুণে-মানে সবদিক থেকে স্কটিশদের চেয়ে অনেক এগিয়ে টাইগাররা। বড় দলগুলোকে হারিয়ে অঘটন ক্রিকেটে প্রায়শই ঘটে। কিন্তু অঘটন তো আর স্বাভাবিক মানদণ্ড নয়! স্কটিশ কোচ প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের মান নিয়েই। টাইগার স্পিনাররা বিশেষ করে সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসানরা মাঠে নেমেই বুঝিয়ে দিলেন পার্থক্যটা। 

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। এর মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের কৃতিত্বও দেখালেন এ বাঁহাতি। এতদিন এই রেকর্ডটি ছিল লঙ্কান কিংবদন্তি লাসিথ মালিঙ্গার দখলে। টি- টোয়েন্টি ক্রিকেটে তার শিকার সংখ্যা ১০৭। 

সাকিব নিজের উইকেট সংখ্যা নিয়ে গেলেন ১০৮-এ। সাকিবের রেকর্ডের দিনে বল হাতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠেন অফস্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। ৪ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৭ রান খরচায় ৩ উইকেট নেন এই অফস্পিনার। 

রোববার ওমানের আল আমিরাত স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে বাংলাদেশের দুই স্পেশালিস্ট স্পিনার সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসানকে সামলাতে হিমশিম খেতে হয় স্কটিশ ব্যাটারদের। এই দুজনের মায়ার জালে একটা পর্যায়ে তারা ষষ্ঠ উইকেট হারায় মাত্র ৫৩ রানে। এখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ক্রিস গ্রিভস (৪৫) ও মার্ক ওয়াট (২২)। সপ্তম উইকেটে ৩৪ বলের জুটিতে ৫১ রান যোগ করেন দুজনে। তাদের দৃঢ়তায় ভদ্রস্থ হয় স্কটল্যান্ডের ইনিংস। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪০ রান সংগ্রহ করে স্কটল্যান্ড। 

ম্যাচে টস জিতে প্রতিপক্ষকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান টাইগার দলপতি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আগে ফিল্ডিং নেওয়ার কারণ হিসেবে বলেছিলেন, রাতের শিশিরের কথা। শিশিরের কারণে বোলারদের বল গ্রিপিংয়ের সমস্যার কারণে, রান তাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান মাহমুদউল্লাহ। রাতের শিশিরে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েন স্পিনাররা। সতীর্থ স্পিনারদের ওপর এই আস্থার প্রতিদানও দেন সাকিব-মেহেদী। 

শুরুতে অবশ্য নতুন বলে পেসাররাও ছিলেন দুর্দান্ত। প্রথম ওভারে মাত্র ৪ দেন তাসকিন আহমেদ। পরের ওভারে মেডেন নেন কাটার মাস্টার মোস্তাফিজুর রহমান। তার এই ওভার থেকে একটি রান আসে লেগবাই থেকে। দলের তৃতীয় ও নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দীন। শিকারে পরিণত করেন কাইল কোয়েটজারকে। এরপর স্পিনাররা আক্রমণে এসে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন স্কটিশদের। তবে সাকিব ও মেহেদীর ৪ ওভাারের কোটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্কটিশরা। বিশেষ করে গ্রিভস ছিলেন খুব বিপজ্জনক। মাত্র ২৮ বলের ইনিংসে ৪৫ রান করেন তিনি। 
শেষদিকে পেসারদের ওপর আগ্রাসন চালান গ্রিভস ও ওয়াট। ২ উইকেট পেলেও মোস্তাফিজ ৪ ওভারে দেন ৩২ রান। ৩ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ১ উইকেট পান তাসকিন। ৪ ওভারে সাইফউদ্দিনের খরচ ৩০ রান। পান এক উইকেট। তুলনামূলকভাবে ব্যাটিং উইকেটে স্পিনারদের তুলনায় পেসাররা ছিলেন বেশ খরুচে।


আরও সংবাদ   বিষয়:  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ   বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ড  




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]