ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

জননন্দিত রাজনীতির সৌম্য প্রতিকৃতি আব্দুর রৌফ চৌধুরী
কামরুল হুদা হেলাল
প্রকাশ: বুধবার, ২০ অক্টোবর, ২০২১, ৭:৫৩ পিএম আপডেট: ২১.১০.২০২১ ৪:২০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 257

২১ অক্টোবর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বিশ্বস্ত ও ঘনিষ্ঠ সহচর, কৃষক-শ্রমিক গণমানুষের নন্দিত নেতা, সাবেক মন্ত্রী ও মাঠ কাঁপানো ফুটবলার আব্দুর রৌফ চৌধুরীর ১৪তম প্রয়ান দিবস। আব্দুর রৌফ চৌধুরী রাজনৈতিক দক্ষতা, ত্যাগ-তিতিক্ষা ও বিশ্বস্ততায় আলোচিত এক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। ছাত্র রাজনীতির সিঁড়ি বেয়ে গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত এক প্রাণ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য কর্মী হিসেবে সারা জীবন জেল-জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন, হামলা-মামলা আর পেশি শক্তির রক্তচক্ষুকে তোয়াক্কা না করে ৬০ দশক থেকে ২০০৭ সালের মৃত্যু পর্যন্ত অবিরাম এক সাহসী অভিযাত্রার নাম আব্দুর রৌফ চৌধুরী।

 ১৯৩৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর দিনাজপুরের বর্ধিষ্ণু এলাকা বোচাগঞ্জ উপজেলার ধনতলার এক বনেদী ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে আব্দুর রৌফ চৌধুরীর জন্ম। তার পিতা মৌলভী খোরশেদ আলম চৌধুরী এবং মাতা আয়েশা খাতুন চৌধুরী। আট ভাইবোনের মধ্যে তিনিই ছিলেন সব থেকে ছোট। পিতা মৌলভী খোরশেদ আলম চৌধুরী বিশিষ্ট সমাজ সেবক ছিলেন।

বংশ গৌরবের আলোয় নিজেকে একজন প্রতিপত্তি ও প্রভাবশালী মন-মানসিকতার ব্যক্তি হিসেবে না গড়ে তোলে ৬০ এর দশকের গোড়ার দিকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলেন। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণ-নির্যাতন ও চরম বৈষম্যের যাঁতাকলে পিষ্ট সাড়ে সাত কোটি বাঙালির মুক্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান দেশজুড়ে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। আইয়ুব শাহীর প্রশাসন যন্ত্র তখন শেখ মুজিবুর রহমানকে নানা অভিযোগে মামলার আসামি করে জড়ানোর অপচেষ্টায় ব্যতিব্যস্ত। কিন্তু টুঙ্গিপাড়ার শেখ মুজিবুর রহমান সকল বাধা-বিপত্তি ও মামলার বেড়াজাল ছিন্ন করে শোষিত- বঞ্চিত বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি আনায়নে দৃঢ় চেতনায় অবিচল।

উচ্চ মাধ্যমিক পড়াকালীন সময়ই তিনি ছাত্র নেতা ছিলেন। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই তিনি দিনাজপুর এস.এন কলেজের ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিত্ব করেন। পাকিস্তান আমলে বৃহত্তর দিনাজপুর (বর্তমান দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়) জেলা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।

 ১৯৬৪ সালে এমন এক বৈরী পরিস্থিতিতে আব্দুর রৌফ চৌধুরী দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এবং পঞ্চগড়ের সমন্বয়ে বৃহত্তর দিনাজপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের গুরু দায়িত্ব গ্রহণ করে পুরো অঞ্চলকে সংগঠিত করে তুলেন। ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালির মুক্তির লক্ষ্যে ঘোষণা করেন ঐতিহাসিক ৬ দফা। বাঙালি মুক্তি ও স্বাধিকার আন্দোলনের মহাসনদ। ৬ দফার পথ ধরে এক দফার চূড়ান্ত অর্জন মহান স্বাধীনতা।

আমরা শেখ মুজিবুর এর “অসমাপ্ত আজীবনী” ও ‘‘কারাগারের রোজনামচা” বই দুটি পড়ে জানতে পারি যে, সময় তিনি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা চাইতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ৬ দফা আন্দোলন গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য গুরুত্ব অনুধাবন করেন। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের তিনি বেশি করে সাংগঠনিক শক্তি অর্জন করে সাধারণ মানুষের মাঝে ৬ দফার মর্মবানী পৌঁছানোর জন্য প্রচেষ্টা নেয়ায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ঐতিহাসিক ৬ দফা তখন অধিকারহারা বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হয়।

আব্দুর রৌফ চৌধুরী সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সফলতার সাথে পালনে সক্ষম হলে, পরবর্তীতে তিনি বৃহত্তর দিনাজপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একজন ছাত্র নেতা হিসেবে সেই দুর্যোগ ও বৈরী পরিস্থিতিতে তিনি সাহসিকতার সাথে সাংগঠনিক শক্তি সুসংহত করতে সফল হন।

সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য কারো মুখাপেক্ষী না হয় তিনি বাড়ি থেকে টাকা এনে দলের কাজ করেন। টাকার জন্য যেন ছাত্রলীগের কোনো কাজ ও তৎপরতা যেন ব্যাহত না হয় সেজন্য সবসময় কর্মীদের সাহস ও শক্তি যোগাতেন। এভাবে ছাত্র রাজনীতির বন্ধুর পথ পেরিয়ে তিনি মূল সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চলে আসেন। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি একাধিকবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন।  

আব্দুর রৌফ চৌধুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একজন স্নেহধন্য। সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীবান্ধব ও সাহসের জন্য তিনি বঙ্গবন্ধু সুনজরে ছিলেন। নেতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত কর্মসূচি নিষ্ঠার সাথে সফল করার ব্যাপারে তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস তিনি ভারতে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন ওই অঞ্চলের একজন সফল সাংগঠক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকা প্রণিধানযোগ্য। আব্দুর রৌফ চৌধুরী যুদ্ধকালীন সময়ে মুজীব নগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের দূত হিসেবে ছিলেন পূর্বাঞ্চলীয় জোনে। সেই সাথে বোঁচাগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠক ছিলেন। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বোঁচাগঞ্জ উপজেলাকে পাক-হানাদার মুক্ত করেন।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যার পর আওয়ামী লীগের অনেক ডাকসাইটে নেতা দলকে দুর্বল করার হীন উদ্দেশ্যে বিভাজনের পথ বেছে নেন। আওয়ামী লীগকে ব্র্যাকেটের বন্দী করার জন্য মিজান আওয়ামী লীগের জন্ম দেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের আওয়ামী লীগকেও খণ্ডিত করা হয়। নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দলকে দুর্বল করার জন্য অনেক বড় বড় নেতা ভোল পাল্টে ছিলেন। কিন্তু আব্দুর রৌফ চৌধুরী কখনোই মূল স্রোতের বিপরীতে অবস্থান করেননি। সব সময় তিনি বঙ্গবন্ধু ও তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি অকুণ্ঠ আস্থা রেখে রাজনীতি করেছেন। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি কখনো দ্বিধান্বিত হননি। কখনো ভুল পথে পা বাড়াননি।

১৯৯০ সালের পর তিনি যখন দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব নেন তখন আমি ছিলাম জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক। তাই ঘনিষ্ঠভাবে তার সাথে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের নির্যাতন- জুলুম, হামলা-মামলা কে তোয়াক্কা না করে সে সময় তিনি জেলা আওয়ামী লীগকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চাঙ্গা রাখতে পুরোপুরি সফল হয়েছিলেন। সে সময় লাগাতার হরতাল-অবরোধ-আন্দোলন কর্মসূচি যেন কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয় সেজন্য তিনি ছিলেন সজাগ ও সতর্ক। দলের আর্থিক দায়িত্ব নির্বাহ করতেন। সে সময় দেখেছি। অনেক নেতাকর্মী বাজারের ব্যাগ নিয়ে আবাসিক নিউ হোটেলে এসে তার কাছ থেকে টাকা নিয়ে বাড়ি বাজার করতেন। কর্মীদের জন্য আব্দুর রৌফ চৌধুরীর অন্তর ছিল বিশাল উদার। কোন কর্মীর দুঃখ কষ্ট তিনি সহ্য করতে পারতেন না। নিজ পরিবারের কথা চিন্তা না করে কর্মীদের জন্য তিনি সর্বদা চিন্তা করতেন। বাপ দাদার পৈত্রিক জমি বিক্রি করে দল চালিয়েছেন কর্মীদের সহায়তা প্রদান করেছেন। চিন্তা করুন কী এক মহৎ ও উদার প্রাণের মানুষ ছিলেন তিনি। জেলা আওয়ামী লীগের অফিসের কেয়ারটেকার আব্দুল লতিফকে কখনও লতিফ ভাই এছাড়া সম্বোধন করতেন না। মন্ত্রী হয়েও তিনি মানুষকে সম্মান দিয়ে সম্বোধন করেছেন। মানুষের প্রতি তার বিশ্বাস, ভালোবাসা ও মমতা ছিল অনুকরণীয়। বনেদী পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি কোনদিন বংশ গরিমায় আত্মহারা হননি। কর্মীবান্ধব একজন রাজনৈতিক অভিযাত্রী হিসেবে দিনাজপুরের রাজনৈতিক- সামাজিক পরিমণ্ডলে তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়। মানুষের হৃদয়ে তিনি ছিলেন একজন আত্মার আত্মীয়। কারো কোন বিপদ ও অসহায়ত্ব, দুঃখ কষ্টকে পাশ কাটিয়ে নীরব থাকতেন না। সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ানো ছিল তার স্বভাবজাত মানসিকতা।

এক মহৎ প্রাণের অধিকারী ছিলেন আওয়ামী লীগের এ নেতা। নিজের ও পরিবারের সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধির কথা কখনোই চিন্তা করতেন না। ফ্রিডম পার্টির গুণ্ডারা তাকে অপহরণ করে সুইহারীর মাধুলালের রাইস মিলে আটক করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে। আটকের খবর পেয়ে সুইহারী এলাকার আওয়ামী লীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন। ফ্রিডম পার্টির সেই গুণ্ডারা এখনো দিনাজপুর শহরে আছে। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি বরং আমাদেরই আশ্রয়-প্রশ্রয় তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করছেন।

২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে ১৫ আগস্ট সেতাবগঞ্জে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে পুলিশের বাঁধার সম্মুখীন হয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। এরপর দীর্ঘদিন চিকিৎসারত ছিলেন। এদিন তাকেসহ শতাধিক নেতাকর্মীকে রক্তাক্ত করা হয়। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দুঃশাসনে তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ঘোষিত সকল আন্দোলনের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নির্যাতন-অত্যাচারের শিকার হয়েছেন, রক্তাক্ত হয়েছেন।

দীর্ঘ ২১ বছর পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন হলে আব্দুর রৌফ চৌধুরীকে ডাক ও টেলিযোগা মন্ত্রণালয়েল মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা নিয়ে গঠিত দিনাজপুর ১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ন্যায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে সব সময় সুনজরে দেখতেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত মন্ত্রিসভায় পিতা আব্দুর রৌফ চৌধুরী ও পরে সুযোগ্য সন্তান খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপির মন্ত্রিত্ব গ্রহণ এক বিরল দৃষ্টান্ত। বাংলাদেশের ইতিহাসে এই ধরনের উদাহরণ এখনো পর্যন্ত একটাই।

ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি আব্দুর রৌফ চৌধুরী ছিলেন উত্তরাঞ্চলের সাড়া জাগানো ফুটবলার। ৫০ দশকের মাঠ কাঁপানো ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে কলকাতা, মালদহ, রায়গঞ্জসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন জেলায় দিনাজপুর জেলা ফুটবল দলের নেতৃত্বে ছিলেন। খেলাধুলার মাধ্যমে স্কুল-কলেজের ছাত্রদের ঘনিষ্ঠ সহচরে এসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের রাজনৈতিক দর্শনের মর্মবাণী ছড়িয়ে দিতেন। এক সময় কৃতি খেলোয়াড় আব্দুর রৌফ চৌধুরীর মাঠের অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে সরকার জননেতা ও সাবেক কৃতি খেলোয়াড়-সংগঠক আব্দুর রৌফ চৌধুরীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদানের জন্য দিনাজপুর স্টেডিয়ামের নামকরণ করেছে ‘আব্দুর রৌফ চৌধুরই স্টেডিয়াম’।

শ্রদ্ধাভাজন রাজনৈতিক দীক্ষাগুরু জননেতা আব্দুর রৌফ চৌধুরীর ১৪তম প্রয়াণ দিবসে অন্তরের গভীরতা থেকে শোধ্য সালাম ও বিনম্র শ্রদ্ধা। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও জনগণের প্রেরণার উৎস হিসেবে তিনি অমলিন, চিরঞ্জীব ও অমর হয়ে থাকবেন মহাকালের যাত্রায়।

লেখক: সাংবাদিক ও দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]