ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার সোমবার ৬ ডিসেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

কুমিল্লায় মসজিদ থেকে পবিত্র কোরআন নিয়ে ইকবালের বের হওয়ার ভিডিও প্রকাশ
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২১, ৬:০৭ পিএম আপডেট: ২১.১০.২০২১ ৯:৪৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 876

কুমিল্লার পুজামণ্ডপে কোরআন শরীফ রাখার ঘটনায় নতুন ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। মসজিদে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে কিভাবে সেখান থেকে কোরআন শরীফ নিয়ে বের হন ‘ইকবাল হোসেন’।

দৈনিক সময়ের আলোর কাছে আসা ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনার আগের দিন রাত পৌনে চারটার দিকে চিহ্নিত ব্যক্তিকে মসজিদে দেখা যায়। এর আগে মসজিদে রাত সাড়ে ১০টায় প্রবেশ করেন খেদমতকারী ফয়সাল ও হাফেজ হুমায়ুন। রাত ১০টা ৫৮ এর দিকে প্রবেশ করেন ইকবাল। সেখানে তিনজন সহ পরামর্শ করতে দেখা যায়। রাত সোয়া ২টার দিকে হাতে পবিত্র কোরআন নেন ওই চিহ্নিত ব্যক্তি। এরপর তা মেঝেতে রেখেই বেরিয়ে পড়েন তিনি। কিছুক্ষণ পর এসে মেঝেতে রাখা কোরআন পুনরায় হাতে তুলে নেন তিনি।

এরপর পুজা মণ্ডপের কানেক্টিং রোডে কোরআন হাতে দেখা যায় তাকে। সেই সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, ‘শনাক্ত ব্যক্তি নানুয়াদীঘির পাশের একটি মাজারের দিক থেকে পবিত্র কোরআন সাদৃশ্য একটি গ্রন্থ নিয়ে আসছেন।’ আরেক ফুটেজে দেখা যায়, ‘সেই কোরআন সাদৃশ্য গ্রন্থটি নিয়ে তিনি পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে হনুমানের হাতে থাকা গদাটি নিয়ে অন্য দিকে চলে যায়। পুলিশের দাবি, এই ব্যক্তিই মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখে এসেছেন।’

কুমিল্লার ঘটনায় এ পর্যন্ত জেলার তিনটি থানায় মোট আটটি মামলা হয়েছে। এই আট মামলায় অজ্ঞাত অন্তত ৮০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়েছেন ছয় মামলার।

সহিংস পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রাখা যুবককে শনাক্তের কথা জানিয়েছে পুলিশ। তার নাম ইকবাল হোসেন। অভিযুক্ত ইকবালের বাড়ি কুমিল্লা নগরের সুজানগর এলাকায়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতে ইকবাল হোসেনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

কোরআন শরীফ মণ্ডপে রাখার পর সেটি পুলিশকে জানায় ইকরাম নামের আরেক অভিযুক্ত। আর পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর ফেসবুকে লাইভ করেন ফয়েজ নামের অপর আরেকজন ব্যক্তি। ইকবাল ছাড়া বাকিদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাঅষ্টমীর দিন গত বুধবার ভোরে কুমিল্লা শহরের নানুয়াদিঘির উত্তরপাড়ে দর্পণ সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত অস্থায়ী পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন পেয়ে অবমাননার অভিযোগ তুলে হামলা করে ভাঙচুর চালায় একদল লোক। এ ঘটনার জের ধরে ওই দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা করতে যাওয়া একদল ব্যক্তির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। যেখানে হতাহতের ঘটনা ঘটে। এরপর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের বসতিতে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধান করে ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তাদের সবাইকে গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমেই নেপথ্যে থাকা ‘মাস্টারমাইন্ড’দের শনাক্ত করা যাবে এমনটাই বিশ্বাস পুলিশের।


/এমএইচ/




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]