ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা সোমবার ৬ ডিসেম্বর ২০২১ ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার সোমবার ৬ ডিসেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

মা হওয়ার পরেও স্লিম থাকুন
স্বরমিতা হালদার
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২১, ২:০১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 137

মা হওয়ার পর নারীদের কেউ কেউ বাড়তি ওজন ঝরিয়ে ফেলতে চান। কিন্তু নবজাতককে সামলাতে অনেকের সে স্বপ্নপূরণ হয় না। সাধারণত ঘুম কম হওয়ায় মায়ের শরীরে ক্লান্তি জমে, পাশাপাশি স্তন্যপান করানোরও ধকল থাকে। 

তাই এই সময় না খেয়ে বা অতিরিক্ত ডায়েট করে ওজন কমানোর প্রশ্ন ওঠে না। খাওয়া-দাওয়ায় ত্রুটি হলে মায়ের শরীরে যেমন পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি পাওয়া যাবে না, আর পুষ্টি না গেলে ঠিকমতো স্তন্য তৈরি হবে না। তাই নতুন মায়েদের ব্যালান্সড ডায়েট অত্যন্ত জরুরি। সব কিছু সামলে ওজম কমানোর উপায় কী চলুন জেনে নিই।

কখন সতর্ক হবেন
গর্ভাবস্থায় সন্তানের পুষ্টির জন্য মাকে অনেক পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়। এ কারণে পেটে, কোমরে ও শরীরের নিচের অংশে মেদ জমে। এ সময় মায়ের ওজন বেড়ে যায় ১১-১৫ কেজি পর্যন্ত হয়। সন্তান জন্মের সময় ৪-৬ কেজি ওজন কমলেও বাড়তি ওজন কমতে ৬ মাস লেগে যায়। যদি ৬ মাস পরও মেদ থাকে এবং ওজন বাড়ে তা হলে অবশ্যই মাকে সচেতন হতে হবে। কারণ বাড়তি ওজনের ফলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস কিংবা হার্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ডায়েট ছাড়াই
বাড়তি ওজন কমানোর জন্য কোনোরকম ক্র্যাশ ডায়েট করা ঠিক হবে না। স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়েও অনেকটা ওজন কমানো যায়। ক্ষুধার ধরন অনুযায়ী খাবার খান। জাঙ্ক ফুড বা ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন। পরিবর্তে ফল-সালাদ খেলে ওজন কমতে পারে।

স্তন্যপান
গবেষণায় দেখা গেছে, সন্তানকে নিয়মিত স্তন্যপান করালে ‘প্রেগন্যান্সি ওয়েট’ দ্রুত কমে। স্তন্যপান করালে দিনে প্রায় ৩০০ ক্যালরি খরচ হয়। তাই রোগা বা স্লিম হতে একটু হলেও সাহায্য করে।

সুপারফুড খান
স্তন্যপান করানোর সময় মায়ের শরীরে বেশি পুষ্টিগুণের প্রয়োজন হয়। তাই এমন খাবার বেছে নিন, যাতে কম ক্যালরি বা ফ্যাট থাকলেও জরুরি পুষ্টিগুণ মিলবে। মাছ, মুরগি, দইয়ের মতো খাবার খান যাতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আর ফাইবার রয়েছে।

বেশি করে পানি পান
নতুন মায়ের উচিত বেশি করে পানি পান করা। একই সঙ্গে শরবত বা ফলের রস জাতীয় পানীয় খেয়ে শরীর হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। পানি পান করলে অপ্রয়োজনীয় খিদেও কম পাবে এবং পাশাপাশি শরীরের বিপাক হার বাড়বে।

ম্যাসাজ নিন
ওজন কমানোর আরও একটি কার্যকর পদ্ধতি ম্যাসাজ নেওয়া বিভিন্ন স্পা ও ওয়েলনেস সেন্টারে বডি ম্যাসাজ নিতে পারবেন। এ ছাড়া বাসাতেও দক্ষ লোককে দিয়ে ম্যাসাজ করিয়ে নিতে পারেন। ম্যাসাজ শরীরের ব্যথা দূর করে, রক্ত সঞ্চালনে সাহায্য করে, মেটাবলিজম বাড়ায়, ক্লান্তি কাটায়। ম্যাসাজের মাধ্যমে শরীরের আগের আকৃতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

পর্যাপ্ত ঘুম
ওজন কমাতে সহায়তা করে পর্যাপ্ত ঘুম। কম ঘুমালে শরীরে ক্লান্তি আসে। এই ক্লান্তি কাটাতে অনেকে বেশি খাবার খেয়ে ফেলেন। এ কারণে ওজন বেড়ে যায়। সন্তান জন্মের পর মায়েরা ঘুমানোর সময় পান না। তারপরও মাকে ঘুমানোর জন্য কিছুটা সময় বের করে নিতে হবে।

মায়ের শরীরচর্চা
সন্তানের দায়িত্ব সামলে বেশিরভাগ মায়ের শরীরচর্চা করার সময় হাতে থাকে না। তবে হাঁটাচলা বা হাল্কা যোগব্যায়াম করতে পারলে উপকার মিলবে। প্রথমেই অনেকক্ষণ হেঁটে শরীরকে ক্লান্ত করবেন না। দিনের কোনো এক সময় উঠানে বা ছাদে অল্প হাঁটাহাঁটি করতে পারেন।

লেখক : পুষ্টিবিদ




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]