ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১ ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
http://www.shomoyeralo.com/ad/amg-728x90.jpg

লোক দেখানো বহিষ্কার আওয়ামী লীগে
হাবীব রহমান ও আসিফ তাসনীম
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১, ১:৪৮ এএম আপডেট: ২৬.১১.২০২১ ২:১৮ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 265

চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের চাপের মুখে কৌশল নিচ্ছে আওয়ামী লীগ। বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদতদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তৃণমূল আওয়ামী লীগে। ইতোমধ্যে ১১ জেলার ১৩৪ নেতাকে বহিষ্কারের সুপারিশ করে তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অনুমোদন ছাড়া দলের কোনো পর্যায়ের কাউকে বহিষ্কার করা যায় না। দলের নেতারা বলছেন, হাজার হাজার বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদতদাতাদের বহিষ্কার করা অনেক কঠিন। সামনে জাতীয় নির্বাচন।

আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপিবিহীন এ নির্বাচনে আর কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাস করুক সেটি সরকার চায় না। কারণ এতে সমালোচনা বাড়ে। তাই নৌকা প্রতীকের পাশাপাশি অন্যান্য প্রার্থীর দরকার আছে। দ্বন্দ্ব-সংঘাত এড়াতে দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের মানসিকভাবে দুর্বল (মোরালি ডাউন) করতেই বহিষ্কারের এ কৌশল নেওয়া হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে এভাবে বহিষ্কারের পথে হাঁটা আত্মঘাতী হবে। তৃণমূলে অস্থিরতা আরও বাড়বে।

দলীয় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এক নেতা সময়ের আলোকে বলেন, আওয়ামী লীগ সবার আগে একটি ইনক্লুসিভ (অংশগ্রহণমূলক) নির্বাচন চায়। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণ করতে চায় বিএনপিকে ছাড়াও সর্বোচ্চ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হয়। স্থানীয় সরকারের এ নির্বাচনে আর একজনও যেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত না হয়, সেজন্য দলের নেতাদের কড়া নির্দেশনা দেওয়া আছে। প্রয়োজনে ডামি ক্যান্ডিডেট (প্রার্থী) দেওয়া হবে। তবে তৃণমূলের দাবির প্রেক্ষিতে জেলা ও উপজেলাকে বলা হয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদতদাতাদের তালিকা করে কেন্দ্রে পাঠানোর জন্য। আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর কারা নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করেছে এমন তালিকা করতে গিয়ে বেশ কিছু বাজে অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়তে হয়েছে। তখন অনেক প্রার্থী তার দলীয় প্রতিযোগীকে ঘায়েল করতে দলের ত্যাগী নেতাদের নামও সে তালিকায় দিয়েছিল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, দলের মধ্যে যারা সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে জেলা কমিটি শোকজ করবে ও প্রাথমিকভাবে ‘বহিষ্কার’ করে কেন্দ্রে পাঠাবে। যারা দলের নিয়ম না মেনে বিদ্রোহী প্রার্থী হচ্ছে এবং নেপথ্যে মদত দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, চূড়ান্ত বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের হাতে। আমরা একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চাই। তবে তার জন্য বিদ্রোহী প্রার্থীদের উৎসাহিত করছি না। বিদ্রোহী ও তাদের মদতদাতাদের তালিকার বিষয়ে কালকে (আজ) সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
ময়মনসিংহের একটি উপজেলার কয়েক নেতার বহিষ্কারের বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল জানান, ত্রিশাল উপজেলা কমিটির সুপারিশক্রমে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে দলীয় সভাপতির কাছে প্রেরণ করেছে।

যেসব জেলা-উপজেলা থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ এসেছে-

মৌলভীবাজারে ১৫ নেতা বহিষ্কার : মৌলভীবাজারের বড়লেখার বিভিন্ন ইউপিতে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দলের ১৫ নেতাকর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। তারা হলেন- বর্ণি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামীম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার চক্রবর্তী, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মুহিত, উপজেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক মাহতাব উদ্দিন, উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের আতাউর রহমান, মুমিনুর রহমান টনি, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন, বড়লেখা সদর ইউনিয়ন সভাপতি সিরাজ উদ্দিন, তালিমপুর ইউনিয়নের সহসভাপতি বীর মুক্তিযুদ্ধা এখলাছুর রহমান, সদস্য সুনাম উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নজরুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের সদস্য আব্দুল জলিল ফুলু, দক্ষিণভাগ উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মানিক, তাঁতী লীগের আহ্বায়ক আশরাফ হোসেন ও দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের আজির উদ্দিন।

গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের ৩ নেতাকে বহিষ্কার : গোপালগঞ্জে বহিষ্কৃত তিন বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন- মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সালাউদ্দীন মিয়া, গোহালা ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী শাহাদত হোসেন লিটন এবং কাশালিয়া ইউপির ফরহাদ মল্লিক।

কাপাসিয়ায় ৫ বিদ্রোহী প্রার্থী বহিষ্কার : গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় পাঁচ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সিংহশ্রী ইউপির চেয়ারম্যান আশরাফ উদ্দিন খান আল-আমিন, বারিষাব ইউপির চেয়ারম্যান আতাউজ্জামান বাবলু, মো. বাছির মোত্তাকিম, তরগাঁও ইউপির লুৎফুর রহমান প্রধান এবং চাঁদপুর ইউপির ইকবাল হোসেন খান।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বহিষ্কার ৭ বিদ্রোহী প্রার্থী : গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সাত বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। বহিষ্কৃতরা হলেন- আটাবহ ইউপির মুজিবুর রহমান ইয়াছিন, বোয়ালীর আফজাল হোসেন খান, বাবু চান মোহন রায়, আটাবহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল আলীম, ঢালজোড়ার ইছাম উদ্দিন ও আক্তারুজ্জামান, চাপাইর ইউপির সাইফুজ্জামান সেতু।

মানিকগঞ্জে ১১ নেতা বহিষ্কার : মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হওয়ায় ১১ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাবেক চেয়ারম্যান আখতার উদ্দিন আহমেদ রাজা, সদর উপজেলার দীঘি ইউপির নুসরাত ইসলাম নুপুর, সাবেক চেয়ারম্যান মো. আসমত আলী, বেতিলা-মিতরা ইউপির ফারুক আহমেদ ফিলিপ, আবদুল হামিদ ওরফে চান্দু দারোগা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষি সম্পাদক আবদুল জলিল, জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি সোয়েব আহম্মেদ রাজা, ভাড়ারিয়া ইউপির সভাপতি আবদুল কাদের, সদর উপজেলার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাফর ইমাম শাহাজাদা, হাটিপাড়ার মো. মিজানুর রহমান এবং আটিগ্রামের নার্গিস আক্তার।

নাটোরে বহিষ্কার ১৪ জন : নাটোর সদর উপজেলার ১৪ বিদ্রোহী প্রার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- দিঘাপতিয়া ইউপির খন্দকার হাফিজুর রহমান, খোলাবাড়িয়ার নুরুজ্জামান কালু, শফিকুল ইসলাম শফিক, ছাতনীর খালেদ মাস্টার এবং তেবাড়িয়ার সাইফুল ইসলাম, লালপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তায়েজ উদ্দিন, আতাউর রহমান জার্জিস, আড়বাব ইউপির গোলাম মোস্তফা ও আশরাফুল ইসলাম ঝন্টু, সাইফুল ইসলাম টেবিল, বিলমাড়ীয়া ইউপির আসলাম হোসেন।

নেত্রকোনার ৯ নেতা বহিষ্কার : নেত্রকোনায় ৯ বিদ্রোহী প্রার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা ইউপির সিদ্দিকুর রহমান, মেদনীর মিজানুর রহমান খান, মৌগাতীর একেএম মহিউল ইসলাম ফজল, কালিয়ারা গাবরাগাতীর এ আর আলী আজগর খান, সিংহের বাংলার মো. আলী আহসান সুমন ও মোফাক্কারুল ইসলাম মিলন, চল্লিশার মো. আব্দুল জব্বার ফকির, কাইলাটির মো. আনোয়ার হোসেন এবং বিশিউড়ার মো. আবুল কালাম।

পদ হারালেন সীতাকুণ্ড ছাত্রলীগের ৬ নেতা : বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করায় সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ছয় নেতাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতি পাওয়া ছয় নেতা হলেন- বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের সহসভাপতি রবিউল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু মাহমুদ, আবদুল্লাহ আল নোমান, সহসম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সদস্য মেজবাউল আলম ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী।

সিলেটে বহিষ্কার ১১ আওয়ামী লীগ নেতা : সিলেট সদর উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের মদত দেওয়ায় পাঁচ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন- জালালাবাদ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশ্রাব আলী, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফ সিদ্দিকী, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সদস্য জয়নাল আবেদীন, মোগলগাঁও ইউনিয়নের সহসভাপতি মো. আছন মিয়া।

এ ছাড়া আরও বহিষ্কার করা হয়েছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী মুজিবুর রহমান, জালালপুরের মোহাম্মদ নেছারুল হক বুস্তান, মোগলাবাজার ইউপির ফখরুল ইসলাম সাইস্তা ও শামিনুল হক শেবুল, দাউদপুর ইউপির নুরুল ইসলাম আলম এবং জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউপির আমিনুর রশিদ।

পাবনায় ৭ নেতাকে অব্যাহতি : পাবনার চাটমোহর উপজেলায় দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় সাত নেতাকে দলীয় পদ ও সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন- হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আফজাল হোসেন, মূলগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, গুনাইগাছা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হাবিবুর রহমান ও সদস্য রজব আলী বাবলু, হান্ডিয়ালের গোলবার হোসেন, বিলচলনের আকতার হোসেন ও ফৈলজানা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাফিজুর রহমান।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বহিষ্কার ১৭ নেতা : ময়মনসিংহের ত্রিশালে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ নভেম্বর। নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ায় চার বিদ্রোহী প্রার্থী ও এক মদতদাতাসহ ১৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলেন- আমিরাবাড়ী ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান ও ময়মনসিংহ জেলা কৃষক লীগের সদস্য আনিছুর রহমান ভুট্টো, কানিহারি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান চেয়ারম্যান আশরাফ আলী উজ্জ্বল, হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, বইলর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও বর্তমান চেয়ারম্যানের ছেলে মশিউর রহমান শাহানশাহ ও হরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম, ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মণ্ডল, মঠবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি আলমগীর কবীর হারুন, মোক্ষপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম কালুন, সদস্য শামসুদ্দিন ও শওকত আলী সরকার, রামপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম স্বপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম হায়দার, মঠবাড়ী ইউনিয়নের ওয়ার্ড সভাপতি মিজানুর রহমান, মঠবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য শহিদুল ইসলাম শহীদ, শ্রমিক লীগের সভাপতি সুজন মিয়া, বৈলর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য শাহাদাত হোসেন বাবুল ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এমদাদুল হক ব্যাপারী।

ফরিদপুরে বহিষ্কার ২৯ জন : ফরিদপুরের নগরকান্দা ও সালথা উপজেলার ১৭ ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও তাদের মদতদাতা ২৯ নেতাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মিয়া ও সালথা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক-উজ জামান ফকির মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]