ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি ২০২২ ৪ মাঘ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

অহেতুক প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া
নুহা তাসনিম
প্রকাশ: রোববার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১, ৬:৩২ এএম আপডেট: ২৮.১১.২০২১ ৬:৩৬ এএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 108

আল্লাহর আদেশ-নিষেধের প্রতি প্রতিটি মুসলমানের থাকতে হবে অগাধ ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস। অন্তরে থাকতে পারবে না কোনো সংশয়-সন্দেহ। যদি কোনো ব্যক্তির অন্তরে আল্লাহর আদেশ-নিষেধের প্রতি সামান্যতম সন্দেহ থাকে তা হলে বুঝতে হবে মহান আল্লাহর প্রতি তার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাবোধের অভাব আছে। মানুষের যার প্রতি আস্থা, শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা থাকে মানুষ তার আইন-কানুন অম্লানবদনে মেনে নেয়।

রাসুল (সা.) শরয়ি বিধি-বিধানের ক্ষেত্রে অহেতুক প্রশ্ন করতে বারণ করছেন। বিশ্বনবী (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তোমরা আমাকে (অহেতুক) প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকো। কারণ তোমাদের পূর্ববর্তী নবীগণের উম্মতরা যেসব কারণে ধ্বংস হয়েছিল তার উল্লেখযোগ্য কারণ ছিল দুটি। তার একটি হলো, নবীদেরকে তাদের বেশি বেশি প্রশ্ন করা আর অন্যটি হলো নবীদের আনা শরিয়ত অমান্য করা। কাজেই আমি যখন তোমাদেরকে কোনো কাজ করতে নিষেধ করব তখন তোমরা সে কাজ থেকে বিরত থাকো। (তাতে কেন, বা কী কারণ এসব প্রশ্ন তুলো না) আর আমি তোমাদেরকে যেসব কাজ করতে আদেশ করব সেগুলো তোমরা তোমাদের সাধ্যমতো পালন করবে।’ (দারা কুতনি : ২০৪)

তা ছাড়া শরিয়তের অনেক বিধিবিধান নিয়েও অহেতুক প্রশ্ন না করা। যেসব বিষয়ে আল্লাহ ও রাসুল (সা.) থেকে অকাট্যভাবে প্রমাণিত, সেসব বিষয়ে বিতর্ক তৈরি না করা। হাদিসে দেখা যায়, আল্লাহর রাসুল (সা.) শরিয়তের বিধি-বিধান সম্পর্কে ‘কেন করব? কারণ কী?’ এসব প্রশ্ন করতে নিষেধ করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের জীবনচরিত পড়ে দেখলে পাওয়া যায়, তারা কখনও, কোনোদিন রাসুলকে (সা.) এ প্রশ্ন করেননি যে, এ আমলটি কেন করব? বিধানটি কেন দেওয়া হলো? এ বিধি-নিষেধের কারণ কী? তবে তাদের থেকে এ প্রশ্ন অগণিত পাওয়া যায় যে, এ ব্যাপারে শরিয়তের বিধান কী? এই বিধানটি আমরা কীভাবে পালন করব? মূলত রাসুলের (সা.) প্রতি সাহাবায়ে কেরামের ছিল অগাধ আস্থা, বিশ্বাস ও অতীব ভালোবাসা। তাই তারা রাসুলের (সা.) পবিত্র জবান থেকে যখনই কোনো বিধি-নিষেধ আসত কোনোরূপ প্রশ্ন করা ছাড়াই আমলে লেগে যেতেন। তবে যেসব কাজে শরিয়তের বিধান জানা প্রয়োজন দেখা দেবে, সেসব কাজে প্রশ্ন কর নিষেধ নয়; বরং জরুরি। কোরআনুল কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি তোমরা না জেনে থাকো তা হলে যারা জানে তাদের কাছ থেকে প্রশ্ন করে জেনে নাও।’ (সুরা নাহল : ৪৩)

একটি হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘পিপাসার নিবারণ হলো জিজ্ঞাসা।’ তাই শরিয়তের বিধি-বিধান কীভাবে পালন করব বা এ ব্যাপারে শরিয়তের কী নির্দেশনা রয়েছে- এসব বিষয়ে প্রকৃত জ্ঞানীদের প্রশ্ন করা খুবই জরুরি।
 
কিন্তু যে বিষয়ের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই এবং বাস্তব জীবনে এর কোনো সম্পর্ক নেই অথবা পরকালে এ ব্যাপারে কোনো প্রশ্ন করা হবে না, সেসব বিষয়ে প্রশ্ন করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]