ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি ২০২২ ৪ মাঘ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

ওয়াকফকৃত কবরস্থানের গাছ-ঘাস বিক্রি করা যাবে?
ইসলামের আলো ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১, ১২:১৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 69

জিজ্ঞাসা : আমাদের এলাকায় একটি বড় ওয়াকফকৃত কবরস্থান আছে। আমাদের এলাকার লোকদের জন্য চার ভাগের এক ভাগ জায়গাই যথেষ্ট। তাই মুতাওয়াল্লি সাহেব ওই অবশিষ্ট জায়গায় গাছ রোপণ করতে এবং ওই কবরস্থানে অনেক লম্বা লম্বা ঘাস থাকার কারণে তা বিক্রি করতে চাচ্ছেন। এদিকে কিছু আলেম বলেছেন, কবরস্থানের ঘাস কাটা মাকরুহে তাহরিমি। তা নিয়ে এলাকায় দ্বন্দ্ব চলছে। এখন আমাদের জানার বিষয় হলো-

১. ওই কবরস্থানে গাছ লাগানো এবং তা কাটা জায়েজ হবে কি না? ২. ঘাস কাটা জায়েজ হবে কি না? যদি জায়েজ হয় তা হলে তা নিলামে বিক্রি করা যাবে কি না? ৩. গাছ বা ঘাস বিক্রি করে কোন খাতে ব্যয় করতে হবে। কবরস্থানের খাত ছাড়া অন্য খাতে তা ব্যয় করা যাবে কি না?

মুহাম্মাদ মাহমুদ হাসান সিলেট

জবাব : ১. প্রশ্নের বর্ণনানুযায়ী ওই কবরস্থানের যে অংশটুকু বর্তমান প্রয়োজন-অতিরিক্ত সে অংশে কবরস্থান কর্তৃপক্ষের জন্য গাছ লাগানো এবং তা কাটা জায়েজ হবে। এক্ষেত্রে এই জায়গার আয় কবরস্থানেরই হবে। ভবিষ্যতে যখন এই জায়গা কবরের জন্য প্রয়োজন হবে তখন তা খালি করে দিতে হবে।

২. প্রশ্নে কবরস্থানের যে ঘাস কাটার কথা বলা হয়েছে তা কোন অংশের ঘাস তা উল্লেখ করা হয়নি। যদি খালি জায়গার ঘাস হয় তবে তা কেটে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ বিক্রি করতে পারবে। নিলামেও বিক্রি করতে পারবে এবং এ টাকাও কবরস্থানের মালিকানা গণ্য হবে। আর ঘাস যদি সরাসরি কবরের ওপরের বা কবরের সঙ্গে লাগানো জায়গায় হয় এবং তাজা ঘাস হয় তা হলে তা না কাটাই উত্তম। কেননা সরাসরি কবরের ওপরের ও তার আশপাশের তাজা ঘাস বিনা প্রয়োজনে কাটা মাকরুহে তানজিহি তথা অনুত্তম। প্রকাশ থাকে যে, যারা কবরস্থানের ঘাস কাটা মাকরুহে তাহরিমি বলেছেন তাদের কথা ঠিক নয়। ফুকাহায়ে কেরামের আলোচনাকে সামনে রেখে মুফতি কেফায়াতুল্লাহ দেহলভী (রাহ.) ও আল্লামা যফর আহমাদ উসমানী (রাহ.) বিনা প্রয়োজনে কবরের ওপরের তাজা ঘাস কাটাকে মাকরুহে তানজিহি বলেছেন।

৩. ওয়াকফকৃত কবরস্থানের গাছ ও ঘাস ইত্যাদি যা-ই বিক্রি করা হোক তা কবরস্থানের সংরক্ষণ ও উন্নয়নের কাজেই ব্যয় করতে হবে। অন্য খাতে ব্যয় করা যাবে না। (ফাতাওয়া খানিয়া : ১/১৯৫, ৩/৩১১; আলমুহিতুল বুরহানি : ৯/১৪৭; শরহুল মুনয়া পৃ. : ৬০৭; ফতাওয়া তাতারখানিয়া : ৩/৭৬; রদ্দুল মুহতার : ২/২৪৫; ইমদাদুল আহকাম : ৩/২৮৪; কেফায়াতুল মুফতি : ১০/৫০০; আল-কাউসার : ১১-২০১৭)




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]