ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি ২০২২ ৪ মাঘ ১৪২৮
ই-পেপার মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারি ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

যুবলীগ আশ্রয় কর্মসূচির চতুর্থ ধাপ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী: শেখ পরশ
সময়ের আলো অনলাইন
প্রকাশ: শনিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২১, ৮:৩৮ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 138

যুবলীগ আশ্রয় কর্মসূচির চতুর্থ ধাপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন বলে জানালেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। এ সময় তিনি বলেন, রাজনীতি মানে অধিকার বঞ্চিতদের অধিকার আদায় করা। তাই আপনারা দেখেছেন যুবলীগ গত দুই বছর করোনা প্রাক্কালে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে।

শনিবার (৪ ডিসেম্বর) যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি’র ৮৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে 'শেখ ফজলুল হক মণি; সৃষ্টিশীল তারুণ্যের প্রতীক' শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। সঞ্চালনা করেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে করোনাকালে যুবলীগের কার্যক্রম প্রসঙ্গে শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, প্রায় ৭৫ লাখ মানুষের কাছে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে, শীতবস্ত্র বিতরণ করে যাচ্ছে, টেলিমেডিসিন এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা ও বিনা মূল্যে অক্সিজেন সেবা প্রদান করা হচ্ছে এবং এবছর আমরা প্রধানমন্ত্রী গৃহহীনদের গৃহদান কর্মসূচির আদলে আশ্রয়ণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছি। আগামী ৮ই ডিসেম্বর ইনশাআল্লাহ এই কর্মসূচির ৩য় ধাপের উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, জননেত্রী, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। পরিশেষে তিনি আরও বলেন-বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত করতে, একটা আধুনিক, উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণ আমাদের লক্ষ্য। যেখানে অর্থনৈতিক বৈষম্য সঙ্কুচিত ও নিয়ন্ত্রিত থাকবে। সবার সমান অধিকার থাকবে, মানুষ মানুষে ভেদাভেদ কমে যাবে। বাঙালি শিল্প, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের বিকাশ ঘটবে। একটা প্রকৃতপক্ষে প্রগতিশীল, ধর্মনিরপেক্ষ, মর্যাদাশীল, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে সৃষ্টি করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। যে বাংলাদেশ শিক্ষা-দীক্ষা ও জ্ঞান চর্চায় সারা বিশ্বে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। তাই আমার স্বপ্ন যুবলীগ প্রকৃতপক্ষে সুশৃঙ্খল একটা প্রগতিশীল জনদরদি সংগঠনে রূপান্তরিত হবে। যুবলীগ শোষণমুক্ত ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ গঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। যুবলীগের প্রসার দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বেও বিস্তার লাভ করুক এই আমার কামনা এবং সকল সংকটে ও সংগ্রামে যুবলীগে নিপীড়িত মানুষের পক্ষে, বিজ্ঞানভিত্তিক সামাজিক ন্যায়বিচারের পক্ষে নেতৃত্ব দেবে। আমাদের লক্ষ্য দক্ষ ও মানবিক যুবশক্তি সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের সম্মান সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া।

গবেষণামূলক মতবাদে আমাদের বিশ্বাস আনতে হবে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, শুধুমাত্র শিখানো বুলি দিয়ে তোতা পাখির মত বক্তব্য-বিবৃতি দিলে চলবে না। যেটা বলব সেটাতে বিশ্বাস করতে হবে। যেমন ধরেন, আমি বিশ্বাস করি “শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ সবচেয়ে নিরাপদ, কারণ তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা। এদেশের প্রতি তাঁর সর্বাধিক দায়বদ্ধতা রয়েছে এবং আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনার সরকারের কোন বিকল্প নাই।” এই মতামতে আমি বিশ্বাস করি কারণ আমি এই মতামত যুক্তি ও বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা দিয়ে প্রমাণ করতে পারব। যুক্তিনির্ভর পরিবেশ সৃষ্টি হলে কুসংস্কার থেকে মানুষ মুক্তি পাবে। সাম্প্রদায়িক শক্তি আর মাথা-চারা দিয়ে উঠতে পারবে না। আমাদের এই সম্প্রীতির বাংলাদেশে আর ধর্মীয় বিভেদ সৃষ্টি করতে পারবে না, ধর্মীয় দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারবে না। মানুষকে তখন আজগুবি কথায় কেউ বিশ্বাস করাতে পারবে না, যেমন ধরেন “সাইদিকে চাঁদে দেখা যায়” অথবা “জিয়াউর রহমানের ডাকে মানুষ নাকি স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পরেছিল”। এই সকল অযৌক্তিক শিখানো বুলি দিয়ে সাধারণ মানুষকে আর বিভ্রান্ত করা যাবে না।

তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতা শুধু একটা হাল-ফ্যাসন দ্বারস্থ রাজনৈতিক বক্তব্য নয় বরং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। যার যার বিশ্বাস তার তার। বিশ্বাস কখনো চাপিয়ে দেওয়া যায় না। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে বাংলাদেশের একটা তথাকথিত বিরোধী দল বিএনপি-জামাত চায় না আমরা এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে একটা ন্যায়-পরায়ণ, মানবিক, বিজ্ঞানভিত্তিক, মেধাভিত্তিক, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করি। তারা আজ অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, কিভাবে ক্ষমতায় আসা যায়। কিভাবে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রা রোধ করা যায়? তাদের উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে একটা পশ্চাৎপদ, মৌলবাদী, ব্যর্থ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা।

সভায় নিজের বাবা ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণিকে স্মরণ করে শেখ পরশ বলেন, বাবাকে আমরা খুক কম পেয়েছি। আমি মাত্র ৫ বছর ছিলাম যখন আমার বাবা, শেখ ফজলুল হক মণিকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে হত্যা করা হয়েছিল। বাবা আমাদের সাথে খুবিই বন্ধুসুলভ ছিলেন। আমাদেরকে নিয়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যেতেন। স্বপ্নের মত ছিল দিনগুলি। বাবার যেই বিষয়টি আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়, সেটা হল বাবার কর্ম ও বাবার মমত্ববোধ। তিনি আত্মকেন্দ্রিক রাজনীতিবিদ ছিলেন না, নেতা-কর্মীদের প্রতি ছিল তাঁর অপরিসীম মমত্ববোধ ও দরদ। একজন কর্মী মারা যাওয়ায় আমি বাবাকে শিশুর মত কাঁদতে দেখেছি। বাবার কর্ম আজো বেঁচে আছে বাবার লক্ষ্য রাজনৈতিক অনুসারীদের মাঝে। বাবার প্রতি তাঁদের যেই ভালবাসা আর সম্মানবোধ সেটা আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করে।

তিনি আরও বলেন, শেখ মণি’র রাজনৈতিক পরিচয় আপনাদের জানা। শেখ মণি যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করে যুবসমাজকে সংগঠিত করে বঙ্গবন্ধুর দেশ গড়ার কাজে নিয়জিত করে একটা সুখী, সমৃদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গঠন করার স্বপ্ন দেখে ছিলেন। স্বল্প উন্নত রাষ্ট্র থেকে আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে আমরা উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের কাতারে। আমাদের চ্যালেঞ্জ এখন ভিন্ন। আমাদের চিহ্নিত করতে হবে আগামীর সংগ্রাম কি, প্রতিকূলতা কি। চিহ্নিত করতে হবে সেই সংগ্রামের ধরণ কি; প্রতিকূলতার বৈশিষ্ট্য কি।

যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি’র ৮৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৯ টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মণিসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, মণি ভাইয়ের জন্মদিনে স্মরণসভা করবো এটা কখনও ভাবিনাই। জন্মদিন যেমন আনন্দের তেমনি জন্মদিনে স্মরণসভা অত্যন্ত বিয়োগান্তক বেদনা বিধুর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা শুধু প্রমাণ করেন নাই, তাকে শুধু বাস্তবায়িত করেন নাই, এটাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন শেখ মণি ভাই। তিনি কারান্তরীণ হওয়ার আগে চারণের বেশে সারাদেশ ঘুরে ছয় দফাকে জনগণের অন্তরে গ্রথিত করেছেন। ছয় দফাকে কেন্দ্র করে মনি ভাই হরতাল পালন করেন। সেই হরতালকে সফল করেছেন নারায়ণগঞ্জের আদমজীর শ্রমিক ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের সমন্বয়ে, এই সমন্বয়ের মূল কারিগর ছিলেন মণি ভাই।

তিনিই বলেছিলেন, 'বিপ্লবের পর প্রতি বিপ্লব আসবেই।' আমি বলব যুবলীগের সবাই যেন মণি ভাইয়ের এই লেখাটি সংগ্রহ করে এবং সকল জায়গায় ছড়িয়ে দেয়। জনগণের পক্ষে যেকোনো পরিবর্তন সেটাই হলো বিপ্লব। যেমন এটি এনেছিল ছয় দফা, এটি এনেছিল আমাদের স্বাধীনতা।

তিনি যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে শেখ হাসিনা তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য এদেশে এসেছিলেন, সেদিন যেমন এদেশের মানুষ বলেছিল ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে আমরা আছি তোমার সাথে। ঠিক তেমনি পরশ-তাপসও শেখ হাসিনার পাশে রয়েছে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে যুবলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে একই ভাবে বলতে হবে ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে যুবলীগ আছে শেখ হাসিনার সাথে।

সঞ্চালকের বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুসহ মণি ভাইকে যারা হত্যা করেছে, আরজু মণিকে যারা হত্যা করেছে, সেই জামাত-বিএনপির দোসররাই আজকে দেশের বিরুদ্ধে, নেত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছে। এই হত্যাকারীরা আবার নতুন করে মাঠে আসতে চায়। যুবলীগের বন্ধুগণ, শেখ মণি’র আত্মাকে শান্তি দিতে হলে, বঙ্গবন্ধুর আত্মাকে শান্তি দিতে রাজপথে থেকে এই জামাত-শিবির কুচক্রীমহলকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে। তাদেরকে বিতাড়িত করতে হবে। তিনি আরও বলেন-বিএনপির নেতারা অভিযোগ করছেন সরকার নাকি খালেদার শরীরে বিষ প্রয়োগ করেছে। আমি বলতে চাই একজন বয়োজ্যেষ্ঠ সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শরীরে যদি বিষ প্রয়োগ হয়েও থাকে তাহলে সেই বিষ প্রয়োগ করেছে বিএনপির নেতারাই তাদের রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য। কারণ বিএনপি পন্থি ডাক্তাররাই খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করছেন। আপনারা মনে রাখবেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ, ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম হরণকারী এবং ২০০৪ সালের গ্রেনেড হামলায় আইভি রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মীর হত্যাকারী দল হল এই বিএনপি-জামাত।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে প্রফেসর ড. আব্দুল মান্নান চৌধুরী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা শুধু রাজনীতিবিদ তৈরি করবেন তা নয়, আপনারা নেতা তৈরি করবেন। সকল ক্ষেত্রে নেতার প্রয়োজন রয়েছে। আমরা যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন আপনাদের সাথে আছি। তিনি আরও বলেন-মণি ভাইয়ের জন্মদিনের আবহ তৈরি করা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের, বেদনা বিধুর। শেখ ফজলুল হক মনি শুধু ব্যক্তি নয়, একজন প্রতিষ্ঠানও বটে। বঙ্গবন্ধুর পরে এদেশের বিখ্যাত নেতাদের মধ্যে শেখ মণি আবির্ভূত হতেন। নেত্রী শেখ হাসিনা আসতেন ক্রমান্বয়ে সেটাই আমাদের প্রত্যাশা ছিল। যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে আপনারা শেখ হাসিনার পাশে থাকবেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর পরে অনেকেই রাস্তায় ছিলেন না। কিন্তু আমরা ছিলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ, মঞ্জুর আলম শাহীন, ডা. খালেদ শওকত আলী, শেখ ফজলে ফাহিম, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন এমপি, রফিকুল ইসলাম, নবী নেওয়াজ, এনামুল হক খান, ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন, মোয়াজ্জেম হোসেন, সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, ইঞ্জি. মৃনাল কান্তি জোদ্দার, তাজ উদ্দিন আহমেদ, জসিম মাতুব্বর, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ শেখ ফজলুল হক মণির ৮৩তম জন্মদিন উপলক্ষে সকাল ৯টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মণিসহ ১৫ আগস্টে নিহত সকল শহীদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও খাদ্য বিতরণ করা হয়। শ্রদ্ধা জ্ঞাপন শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, সত্য ও ন্যায়ের আদর্শ নিয়ে শেখ মনি যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এখানকার যুবকদের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সেই আদর্শের প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

/এসএম




সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]