ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২২ ১৪ মাঘ ১৪২৮
ই-পেপার শনিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

টাঙ্গাইলে গাছ কেটে দেদার চলছে বিক্রি, জানে না বন বিভাগ
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২২, ৭:০৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 42

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বিট এলাকা থেকে বন বিভাগের শাল-গজারি গাছ কেটে চলছে দেদার বিক্রি। অভিযোগ রয়েছে, বিট কর্মকর্তা ও বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে হতেয়া বিটের চতলবাইদ গ্রামের ‘রশিদ ভূঁইয়ার চালা’ থেকে পাঁচ শতাধিক শাল-গজারি গাছ বিক্রি করেছেন আব্দুল মজিদ মিয়া নামে এক প্রভাবশালী। তবে বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন হতেয়া বিট কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ।

স্থানীয়রা জানান, হতেয়া বিটের চতলবাইদ গ্রামের ‘রশিদ ভূঁইয়ার চালা’টি বন বিভাগের আওতাধীন। এর আগেও বন বিভাগের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে গাছ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন আব্দুল মজিদ মিয়া ও তার তিন ভাই। অভিযোগ রয়েছে, এ বছরও বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে গাছগুলো বিক্রি করেছেন আব্দুল মজিদ। এই পাঁচ শতাধিক গজারি গাছ আব্দুল মজিদ চার লাখ টাকার বিনিময়ে লিটন দেওয়ানের কাছে বিক্রি করেছেন।

গতকাল শনিবার ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ওই চালার অর্ধেকের বেশি শাল-গজারি গাছ কাটা শেষ। শ্রমিকরা গাছের পাতা ও কাঠ সরানোর কাজ করছে। পাশেই আব্দুল মজিদ মিয়া দাঁড়িয়ে তদারকি করছেন। 

এ সময় গাছ কাটা শ্রমিক হোসেন আলী জানান, তিন দিন ধরে তারা পাঁচজন প্রায় ২০০ গাছ কেটেছেন। বাকি আরও ৩০০-র ওপরে গাছ কাটতে অন্তত আরও পাঁচ দিন সময় লাগবে। এখানে গাছ কাটতে লিটন দেওয়ান তাদের নিয়ে এসেছেন। তারা শুনেছেন, স্থানীয় আব্দুল মজিদের কাছ থেকে চার লাখ টাকায় এই গাছগুলো লিটন দেওয়ান কিনেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, এই জমিটি আব্দুল মজিদ ও তার তিন ভাইয়ের নয়। তারা বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে ওই জায়গা চার ভাই ভোগদখল করছেন। বন বিভাগ থেকে কর্মকর্তারা এলে এর আগেও তারা পর্যাপ্ত কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।

শাল-গজারি গাছের ক্রেতা লিটন দেওয়ান বলেন, দুই মাস আগে তার শ্বশুর ওই গাছগুলো আব্দুল মজিদের কাছ থেকে কিনেছেন। দেড় মাস আগে তার শ্বশুর মারা যান। কেনা গাছগুলো কাটা হচ্ছে, তবে বাগানে তিনি যাননি।

অভিযুক্ত আবদুল মজিদ বলেন, এই জায়গাটি তাদের বাপ-দাদার সম্পত্তি। তাদের নামে রেকর্ড আছে। এর আগেও এই জায়গা থেকে তিনবার গাছ বিক্রি করেছেন তারা।
হতেয়া বিট কর্মকর্তা ও রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল আহাদ বলেন, বিষয়টি আগে জানতাম না। জানার পর গাছ কাটা বন্ধ করে দিয়েছি। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

/জেডও/


আরও সংবাদ   বিষয়:  গাছ কাটা   বন বিভাগ   




http://www.shomoyeralo.com/ad/BD Sports News.gif

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]