ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা শনিবার ৩ ডিসেম্বর ২০২২ ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
ই-পেপার শনিবার ৩ ডিসেম্বর ২০২২
https://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

মানবিক সঙ্কটে অনন্য নিরাপত্তা বাহিনী
আলমগীর হোসেন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২, ১:১৪ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 265

করোনা বা কোভিড-১৯ তখন নতুন আগন্তুক ভয়ঙ্কর এক ভাইরাসের নাম। ঘরে-বাইরে সবখানে বিভীষিকাময় এক পরিস্থিতি। চারদিকে করোনার ভয়ানক আতঙ্ক। ‘লকডাউনে’ দোকানপাট ও বাজারঘাট সবকিছু বন্ধ। রাস্তাঘাটও শুনশান। অনেক অসহায় পরিবারে দেখা দেয় খাদ্যসঙ্কট। এমনকি করোনা মহামারির শুরুর দিকের ওই পরিস্থিতিতে মানুষের সঙ্গে মানুষের ‘দূরত্ব’ তৈরি হয়েছিল। দেখা দেয় চরম মানবিক সঙ্কট। পরিস্থিতি এমনই রূপ নেয় যে, করোনা আক্রান্ত হয়ে পিতা মারা গেলে প্রিয় সন্তানটিও বাবার লাশের কাছে যায়নি। 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে দূরে থেকেছিল। স্ত্রী মারা গেলেও একইভাবে স্বামী তার জীবনসঙ্গিনীর শেষ প্রয়াণে দূরে থেকেছে। একইভাবে মা-বাবা মারা গেলে সন্তানরাও লাশটি দাফন পর্যন্ত করতে যায়নি। এমন এক করুণ ও ভয়ানক পরিস্থিতিতেও জীবনকে তুচ্ছজ্ঞান করে মানবিক সহায়তায় ছুটে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। করোনায় মৃত লাশের দাফন, করোনাক্রান্ত রোগীদের আনানেওয়া, অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে খাদ্যপণ্য বিতরণ ও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে নিরাপত্তা বাহিনী এক অনন্য ভ‚মিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল। যেখানে হাতে থাকার কথা অস্ত্র-লাঠি সেখানে ছিল অসহায় মানুষদের জন্য অগাধ মমত্ববোধ ও মানবিক সহায়তা।

২০২০ সালের মার্চ-এপ্রিলের ঘটনা। করোনা তখন এক মহা আতঙ্কের নাম। রাজধানী ঢাকার উপকণ্ঠ ধামরাইয়ে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান পাখি মণ্ডল। আতঙ্কে তার মৃতদেহের কাছে কোনো স্বজন যাননি। দীর্ঘ সময় পড়ে ছিল পাখি মণ্ডলের মৃতদেহ। খবর পেয়ে লাশের কাছে এগিয়ে যায় ধামরাই থানা পুলিশ। জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ সদস্যরা লাশটি কায়েতপাড়া শ্মশানে নিয়ে সৎকার করেন। ওই সময়ে এমন আরেকটি ঘটনা ঘটে সাভারে। করোনা আক্রান্ত আশরাফুজ্জামানকে সাভারের বাসায় একা ফেলে রেখে চলে যান তার স্ত্রী ও সন্তান। খবর জানাজানি হলে পুলিশ গিয়ে অসুস্থ আশরাফুজ্জামানের দেখভালের দায়িত্ব নেয়। 

ভাড়াটিয়াদের কেউ করোনা আক্রান্তের খবর পেলে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হতো। সেখানেও ভাড়াটিয়ার পক্ষে মানবিক সহায়ক হয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালেও করোনা রোগীদের জন্য বিশেষ সেবা চালু করা হয়। এমন অসংখ্য মানবিক উদহারণ সৃষ্টি করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। পিপিই পরিধান করে লাশ দাফন বা সৎকারসহ সার্বিকভাবে অনন্য ভ‚মিকা পালন করেছিল পুলিশ। কতিপয় পুলিশ সদস্যের বিচ্ছিন্ন কিছু অমানবিক বা হিংস্র আচরণ মাঝেমধ্যে দেখা গেলেও করোনাকালের পুলিশিং ছিল মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।  

করোনা মহামারির সেই ভয়ানক পরিস্থিতিতে সবাই যখন ঘরে বন্দি, তখন অসহায় মানুষগুলোর পাশে ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। শুধু মানবিক দায়িত্বই নয়, করোনাকালে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, চিকিৎসাসেবা, পার্বত্য অঞ্চল ও উপকূলে ত্রাণ সহায়তাসহ রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক ক্ষেত্রেও ব্যাপক ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী। দুর্গম পাহাড়ি জনপদ কিংবা উপক‚লীয় ডোবা-নালায় ঘেরা প্রত্যন্ত এলাকা। যেখানে কোনো যানবাহন চলাচলেরও সুযোগ নেই। 

করোনা মহামারির ভয়ানক সেই পরিস্থিতিতেও ঘাড়ে বা পিঠে করে চাল-ডালসহ নানা সামগ্রী দুর্গম জনপদের অসহায় মানুষগুলোর কাছে নিয়মিত পৌঁছে দিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি বিমানবাহিনীও বিভিন্ন স্থানে ত্রাণসামগ্রী নিয়মিত বিতরণসহ সঙ্কটাপন্ন করোনাক্রান্ত রোগীদের দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় এনেছে। এ ছাড়া মানবিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে সেনাবাহিনীর ‘এক মিনিটের বাজারে’ উচ্ছ¡সিত ছিলেন করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়রা।

এদিকে ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার পর থেকে সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে কাজ করেছেন পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। ওই বছরের এপ্রিলে প্রথম পুলিশ বাহিনীতে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। পুলিশ সদর দফতরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, করোনায় মোট ১০৬ সদস্যকে হারিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। এ পর্যন্ত (৪ মার্চ ২০২০) পুলিশ বাহিনীর ২৭ হাজার ৬৯৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সদস্য সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, করোনাকলে প্লাজমা সরবরাহে দিকপাল হিসেবেও কাজ করেছে বাংলাশে পুলিশের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল। এখান থেকে সুস্থ হওয়া ৪ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্যের দেওয়া প্লাজমা ঢাকার সিএমএইচ, ইউনাইটেড, এভারকেয়ারসহ রাজধানীর বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়েছে। দেশে এই হাসপাতালেই সর্বপ্রথম হাইফ্লো ন্যাজ্যাল ক্যানুলা ব্যবহার করে রোগীদের সুস্থ করার ক্ষেত্রেও যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করা হয়। একই সঙ্গে ৫০টির বেশি হাইফ্লো ও প্রায় ২৫টি ভেন্টিলেটর স্থাপন করা হয়। এমনকি করোনা চিকিৎসায় সর্বপ্রথম রেমডিসিভির ও ফেভিপিরামিন প্রয়োগ করা হয়, যা আন্তর্জাতিক গবেষণায় কোভিডের কার্যকরী ওষুধ বলে পরবর্তীতে প্রমাণিত হয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় নানা ধরনের ভ‚মিকা রেখে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীও। সরকারের নির্দেশে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা করতে করোনার শুরুর দিক থেকেই মাঠে কাজ করেছে সশস্ত্র বাহিনী। জীবাণুনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও কাজ করা হয়েছে। করোনার মাঝে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল রাখাটা জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছিল। তখন সেনাবাহিনী প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে সবজি-তরকারি কিনে নিয়ে সেগুলো গরিবদেরকেই ফ্রি দিয়ে দিয়েছিল। 

করোনার সঙ্কটের মাঝে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষদের জন্য নিয়মিতভাবে পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে দুর্গম পাহাড়ে খাদ্য, চিকিৎসাসহ নানা মানবিক কাজ করেছে সেনাবাহিনী। সমতলেও নিয়মিত ত্রাণ বিতরণ, জনসচেতনতা ও সঙ্কটাপন্ন রোগীদের সহায়তাসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেনাবাহিনী। করোনায় বিপর্যস্ত অবস্থায় সমুদ্র উপক‚লীয় অঞ্চলে নিয়মিত খাদ্য, ইফতার ও ঈদ পোশাক বিতরণ করে নৌবাহিনী। এ ছাড়া ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি সঙ্কটাপন্ন করোনা রোগীদের আনা-নেওয়ায় কাজ করেছে বিমানবাহিনী। বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করে করোনা আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আনা-নেওয়া করা হয়। এমনকি দেশে আটকা পড়া বিদেশিদের নিজ দেশে পাঠাতে এবং প্রবাসে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনতেও কাজ করেছে বিমানবাহিনী।

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেকেই মৃত্যুপুরি বানিয়েছিল। প্রতিদিন হাজার হাজার মৃত্যু। দিশাহারা হয়ে পড়ে গোটা পৃথিবী। বাংলাদেশও একইভাবে করোনার ভয়ানক ছোবলে কাবু হয়ে পড়ে। কি গ্রাম আর কিবা শহর, প্রতিদিনই দেশে করোনা রোগী মৃত্যু ও শনাক্তের যে প্রতিযোগিতা তৈরি হয় তাতে সবার মাঝেই অজানা আতঙ্ক বিরাজ করছিল। কেননা, অনেক টাকাওয়ালা বা বিত্তশালী করোনা আক্রান্ত হয়ে যখন অসহায়ভাবে পৃথিবী ছেড়ে চলে যান, তখন পরিস্থিতি যেন সামলানোই দায় হয়ে পড়ে।

বিশ্বের অনেক আধুনিক দেশও বলতে বাধ্য হয়েছিল যে, করোনা ঠেকানোর হাল তারা ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশ ঠান্ডা মাথায় বরাবরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আমাদের মধ্যে অসচেতন মানুষের সংখ্যা অনেক দেশের তুলনায় বেশি, তারপরও ওইসব উন্নত-আধুনিক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে মৃত্যুহার ও শনাক্তের পরিমাণও কম ছিল বরাবরই। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে- বাংলাদেশে করোনায় এ পর্যন্ত (৪ মার্চ ২০২০) সর্বমোট ২৯ হাজার ৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৯ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬৯।

মহামারি করোনার এমন ভয়ানক তাণ্ডবের মাঝেও কোভিড-১৯ আমাদের অনেক কিছুই শিখিয়েছেও। যেমন- নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস, মাস্ক ব্যবহার করা, যেকোনো ধরনের খাবার গ্রহণের আগে তা জীবাণুমুক্ত করাসহ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের নানা অভ্যাসগত পরিবর্তন আনে করোনা। যদিও করোনা না থাকলেও এই অভ্যাসগুলো স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য বেশ উপকারী। তারপর এইসব ব্যবস্থা কিন্তু সহজেই মানানো যায়নি। 

একশ্রেণির মানুষকে স্বাস্থ্যবিধির আওতায় আনতে কখনও কখনও সরকারের আদেশে কঠোর হতে হয় পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীকে। লকডাউনে সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে নানা উপায়ে কাজ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ওই সময়ে যেকোনো সমস্যায় মুহূর্তেই পাওয়া গেছে পুলিশকে। কার ঘরে খাদ্য নেই, কে না খেয়ে আছে, কার ওষুধ দরকার- এসব মারাত্মক সঙ্কটে নিজ তাগিদে এমন অসহায়দের পাশে সহায়তা নিয়ে হাজির হন সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। করোনার শুরু থেকে দীর্ঘদিন ধরে তারা এই মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখেন। 

করোনার সংক্রমণ রোধে প্রায় সারা দেশে অঘোষিত ‘লকডাউনের’ ফলে গরিব অসহায় মানুষের জীবন-জীবিকা অনেকটাই স্থবির হয়ে পড়েছিল। রাস্তাঘাটে চলছিল না গণপরিবহন, লকডাউনের কারণে এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় যাওয়া যাচ্ছিল না। এ অবস্থার কারণে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছিল। সেখানে মানবিক সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়ে অনন্য নজির স্থাপন করেছিল সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী। করোনার এই মহাদুর্যোগের মাঝে মানবিক এক সশস্ত্র বাহিনীকে দেখেছে দেশবাসী। একইভাবে পুলিশ বাহিনীও স্মরণীয় ভ‚মিকা রেখেছিল করোনার মহা আতঙ্ককালে। এখনও করোনা বিরাজমান, তবে সেই ভয়ানক পরিস্থিতি আর নেই। কিন্তু করোনার থাবা বা ক্ষতচিহ্ন সর্বত্রই রয়েছে।

পুলিশ নিয়েও বিশেষ প্রসঙ্গ আনতেই হয়। কেননা, করোনাকালে পুলিশের কাজের তালিকা অনেক লম্বা ছিল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বাভাবিক দায়িত্ব পালনের বাইরেও করোনা প্রতিরোধে যেমন- সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা, রাস্তায় জীবাণুনাশক ছিটানো, শ্রমজীবী মানুষকে সহায়তা করা, খাদ্যসঙ্কটে থাকা মানুষগুলোকে খাবারসহ নানা সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা, সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণ করা, চিকিৎসা সঙ্কটে থাকা মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করাসহ করোনায় মৃতদের দাফনের ব্যবস্থাতেও সম্মুখসারিতে থাকতে হয়েছিল পুলিশকে। বলতে গেলে করোনায় মারা যাওয়া রোগীদের লাশ দাফন বা সৎকার নিয়ে বড় সঙ্কট তৈরি হলে মানবিকতা চরম হোঁচট খায়। তখন বীরদর্পে এগিয়ে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাশ দাফন বা সৎকারে প্রধান ভ‚মিকা রাখেন পুলিশ বাহিনীর গর্বিত সদস্যরা।

এখন কথা হলো, করোনাকালের মানবিক সঙ্কটে যেভাবে দেশের সশস্ত্র বাহিনী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল সেই ধারাবাহিকতা সব ক্ষেত্রে সব সময়ই দেখতে চায় সাধারণ মানুষ। সুনাম অর্জন করতে হয় অনেক কষ্ট ও ত্যাগের বিনিময়ে, কিন্তু নষ্ট হতে পারে খুব সহজেই বা ছোটখাটো কারণেই। তাই করোনাকালে বাহিনীগুলো সাধারণ মানুষের যে আস্থা, ভালোবাসা ও সুনাম অর্জন করেছে সেটাকে সেভাবেই যত্ন করে ধরে রাখতে হবে। তা না হলে বিচ্ছিন্ন আচরণে বা অমানবিকতায় পাহাড়সম মানবিক সুনামগুলো ম্লান হয়ে যেতে পারে।

লেখক: প্রধান প্রতিবেদক, দৈনিক সময়ের আলো।




https://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo@gmail.com