ই-পেপার বিজ্ঞাপনের তালিকা মঙ্গলবার ৫ জুলাই ২০২২ ২১ আষাঢ় ১৪২৯
ই-পেপার মঙ্গলবার ৫ জুলাই ২০২২
http://www.shomoyeralo.com/ad/Amin Mohammad City (Online AD).jpg

গাফফার চৌধুরী, ইতিহাসের অগস্ত্য যাত্রা
জুয়েল রাজ
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মে, ২০২২, ৫:১৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ  Count : 478

আব্দুল গাফফার চৌধুরী, আমাদের গাফফার ভাই। লন্ডনের এক যুগেরও বেশী সময় ধরে তার স্নেহধন্য হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। শুধু আমি না, আমাদের প্রেরণার বাতিঘর ছিলেন তিনি। ছিলেন আমাদের আশ্রয় স্থল। মিথুন রোডের সেই বাড়ির দরজাটি আর অপেক্ষায় থাকবে না। দরজা খুলে দিবেন না বিনু অথবা ঝর্ণা আপা। 

চিরচেনা সেই ইজি চেয়ার থেকে হাঁক দিয়ে কেউ বলবে না, কে এসেছে? জুয়েল রাজ। আসো… আসো....বসলেই একদফা পূর্ব লন্ডনে বাঙালিদের কে কি করছে। নাম ধরে ধরে জিজ্ঞাসা করতেন। দেখা যেত যে কাজে গিয়েছি বা আলোচনা করতে গিয়েছি সেটি আলোচনা না করে অন্যান্য প্রসঙ্গেই সময় চলে যেত। 

দরজাটি চিরতরে বন্ধ হয়ে গেলো। সেই ৫৬ নাম্বার দরজার সাথে সাথে এক ইতিহাসও তালাবন্ধ হয়ে গেল অন্ধকার কফিনে। আপনার মৃত্যু সংবাদ শোনার পর থেকে বুকের ভিতর এক উথাল পাতাল অবস্থা যাচ্ছিল। প্রিয়জন বিয়োগের বেদনা বোধ করছি প্রতি মুহূর্তে। সার্বক্ষণিকভাবে বাংলাদেশের সংবাদপত্র, ব্রিটেনের প্রিয়জন সবার সাথে যোগাযোগ ও সর্বশেষ অবস্থা জানাতে গিয়ে নিজের বেদনার কথা আর লেখা হয়ে উঠেনি।

কিন্ত লিখতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলছি। কি লিখব আপনাকে নিয়ে, ঠিক কোথা থেকে লিখব? খুব কম সময়ে আপনি যেভাবে আমাকে কাছে টেনে নিয়েছিলেন। আপনার আস্থা, বিশ্বাস ও ভালবাসায় আবদ্ধ করেছিলেন এক জীবনে সেটাই তো অনেক বড় পাওয়া আমার। বঙ্গবন্ধুর সহকারী প্রেস সচিব ছিলেন প্রয়াত সাংবাদিক আমিনুল হক বাদশা। আপনাকে যিনি গুরু বলে সম্ভোধন করতেন। সেই বাদশা ভাইয়ের মাধ্যমেই আপনার এত কাছাকাছি  যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল আমার। আর ছিল, টেমস নদীর পাড়ে মৃদুল'দার মেম সাহেব রেস্টুরেন্ট। যেখানে দীর্ঘ আড্ডা, আপনার সাথে তর্কবিতর্ক সবকিছু আপনার স্নেহধন্য করেছিল আমাকে। 

যখন যে প্রয়োজনে আপনার কাছে গিয়েছি আপনি না বলেননি। অনেকের বইয়ের ভূমিকা লেখে দেয়ার জন্য, অনেকের সংগঠনের জন্য, আপনার সাথে একবার কথা বলিয়ে দেয়ার জন্য। বহু বইয়ের ভূমিকা, আপনি বলেছেন, আমি বসে নিজের হাতে লিখে নিয়ে এসেছি। কিন্ত নিজের জন্য কখনো কিছু চাইতে যাইনি আপনার কাছে। খুব কম সময়ের জন্য আপনার কাছে যেতাম, কিন্ত কথা বলা শুরু হলে কখন যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলে যেত সেই খেয়ালই থাকতো না। আপনার কথা বলার ধরণই ছিল গল্পের মতো। রাজনীতি, সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ প্রতিটা বিষয়ে আপনি নিজেই হয়ে উঠেছিলেন ইতিহাস। গল্পের ছলে কত অজানা ইতিহাস যে উঠে এসেছে, তার ইয়াত্তা নেই।

ঠিক তার উল্টো পাশে আপনাকে নিয়ে নানা মিথ্যা গল্প বলতে বলতে এক সময় এক ধরণের সত্যতে রূপান্তর করে নিয়েছিল কিছু মানুষ। এবং অনেকেই তা বিশ্বাসও করেন। সেই গুজব গোষ্ঠীকে আমরা চিনি জানি, যারা মুখোশ ছেড়ে বের হয়ে এসেছে ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের সাজা বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার পর। ২০১৩ সাল আপনার আরো কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ করে দেয় আমাকে। 

আমার আপনাকে ভালবাসার মূল কারণ খুব সাধারণ। বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, অসাম্প্রদায়িকতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ এই বিষয়গুলো সত্যিকার ভাবেই আপনি বিশ্বাস করতেন, ধারণ করতেন এবং যাপিত জীবনে তার প্রয়োগ করতেন। বহু  ঝড়-ঝাপটা গেছে আপনার উপর দিয়ে। সেনা শাসক জিউয়াউর রহমান, এরশাদ সবাই চেয়েছে আপনাকে বশে নিতে। কিন্ত আপনি আপোষ করেননি। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পর আপনি বলেছিলেন সেনা শাসিত বাংলাদেশে আপনি ফিরবেন না, আপনি সেই বিশ্বাসে অনড় ছিলেন এবং ফিরেননি।  ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ জয়ী হওয়ার পরই দীর্ঘ স্বেচ্ছা নির্বাসন শেষে বাংলাদেশে ফিরেছিলেন। এবার যখন স্থায়ীভাবে দেশে ফিরছেন তখনো আপনার প্রিয় আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায়। আপনার জীবিত কালীন সেই জেদ আপনার মৃত্যুর মধ্য দিয়েও বাস্তবায়িত হয়েছে। কোন সেনা শাসকের শাসনামলে আপনার মরদেহও হয় তো দেশে নিয়ে যেতে নিষেধ করে যেতেন। সব স্মৃতিরা বিক্ষিপ্তভাবে ভিড় করছে। সর্বশেষ ৬ মে আপনার সাথে কথা হয়। প্রাণাধিক প্রিয় সন্তান বিনুকে হারিয়ে আপনি ভিতরে ভিতরে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছিলেন। 

আমি বলেছিলাম প্রার্থনা করি দ্রুত বাসায় ফিরে আসুন। আপনি খুব অভিমান নিয়ে বলেছিলেন, কিসের প্রার্থনা, কার কাছে প্রার্থনা। কেউ থাকলে নিশ্চয় আমাকে এই বয়সে এসে সন্তান হারানোর বেদনা ভোগ কর‍তে হতো না। বলেছিলেন বিশ্বাস করো জুয়েল, বিনুর মৃত্যুর পর আমি প্রার্থনা করা বাদ দিয়ে দিয়েছি। আমি হজ্ব করেছি, উমরা করেছি, প্রতিনিয়ত আল্লাহকে ডাকি। তবে কেন আমার প্রতি এই অবিচার করলেন! বলেছিলাম সব ঠিক হয়ে যাবে, আপনি বললেন কিচ্ছু ঠিক হবে না। বিনুহীন বাসায় আমি কিভাবে ফিরব? বিনুহীন বাসায় আপনাকে ফিরতে হয়নি গাফফার ভাই। তার আগেই আপনি আপনার স্থায়ী বাসায় ফিরে গেছেন। 

মৌলিক অনেক বিষয় নিয়ে আপনার সাথে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি এই দাবিটি আমরা কয়েকজন মিলে সর্বপ্রথম  উত্থাপন করেছিলাম। শাহমিকা আগুন, ইশা খান রাশেদ, ফয়সাল মাহামুদসহ আরো অনেকেই সে সময় আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন। আর ছায়া হয়ে ছিলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী।  এক বাক্যে আমাদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন। ব্রিটেনে হাই কমিশনার ছিলেন অকাল প্রয়াত মিজারুল কায়েস, তিনি গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখভাল করেছিলেন। সম্মিলিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের কোন্দল, আশ্রয়স্থল গাফফার ভাই। তিনিই সিদ্ধান্ত দিয়ে সমাধান করে দিচ্ছেন। আর আওয়ামী লীগের রাজনীতির অলিখিত উপদেষ্টা ছিলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী। এই যে নানা মত নানা বিশ্বাসের মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠা, ব্যক্তি থেকে একটি বিশ্বাস হয়ে উঠা খুব সহজ বিষয় নয়। যে মানুষটি কে আগের দিন দেখতাম গাফফার চৌধুরীর সমালোচনা  করেছেন, পরের দিন দেখি গাফফার চৌধুরীর সাথে ফেসবুকে ছবি দিয়ে বিশাল স্ট্যাটাস! অবাক হয়ে হাসতাম, মাঝে মাঝে জিজ্ঞাসা কর‍তাম, গাফফার ভাই এইটা কিভাবে সম্ভব! উনি হাসতেন, বলতেন সব কথা শুনতে নেই।

করোনাকালীন সময়েই পৃথিবীতে আসে আমার মেয়ে ‌‌‘‘রাজকুমারী জারিতা’’ তার নামকরণ নিয়েও আপনি বলেছেন বা! সাহসী কাজ করেছো। নামের আগে পিছে বংশ পদবী বাদ দিয়ে দিয়েছ। করোনার সময় যখন সবার সাথে দেখা সাক্ষাত প্রায় বন্ধ, তখনো আপনি ডেকে নিয়েছেন। ভয়ে ভয়ে বলেছি গাফফার ভাই এই সময়ে আসব?? আপনি বলতেন আরে আসো তোমাদের জন্য দরজা খোলা। যতবার দেখা হয়েছে কথা হয়েছে আমার মেয়েকে দেখতে চেয়েছিলেন আপনি। বারবার বলেছি নিয়ে আসব একদিন… আর হলো না। আমার মেয়েটি জানলো না সে কি হারিয়েছে। এক জীবন্ত ইতিহাস তার মাথায় হাত বুলাতে চেয়েছিল। ব্যক্তিগত স্মৃতিকথা লিখতে গেলে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়ে যাবে এই লেখাটি। 

আপনার চলে যাওয়াতে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়ে গেল প্রগতিশীল  আন্দোলনের। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের  মূল যে চেতনা ছিল তার প্রাণ পুরুষ ছিলেন আপনি। আপনার মত করে আওয়ামী লীগকে সাবধান করে দেয়ার একজন মানুষ আর রইলো না। সেই সাহসী এবং গ্রহণযোগ্য অভিভাবক বাংলাদেশ আর পাবে না। চাটুকার মেরুদণ্ডহীনদের ভীরে কাউকে আর পাওয়া যাবে না। যিনি শেখ হাসিনাকে বলতে পারেন আপনি ভুল করেছেন। এবং যার মন্তব্য এবং পরামর্শকে উচ্চ পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হবে। সেই অভাব পূরণ হবে না। 

আপনার ল্যান্ড লাইন এবং মোবাইল দুইটাই আপনি লাউড স্পীকারে কথা বলতেন। পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে আপনাকে ফোন দিত লোকজন। কতো জনের যে কতো অনুরোধ। কেউ এমপি নির্বাচন করবে, কেউ উপজেলা নির্বাচন করবে। কারো বইয়ের ভূমিকা লিখে দিতে হবে। বাংলাদেশের পত্রিকায় লেখা দিতে হবে। আপনি কত যত্ন সহকারে কথা বলতেন এবং বুঝাতেন আপনার কোন ক্ষমতা নেই এসব কিছু করার। কিন্তু মানুষগুলোর কণ্ঠ শুনলে মনে হতো না তারা সেটি বিশ্বাস করেছেন। 

বইয়ের ভূমিকা লেখা নিয়ে ও নানা মজার ঘটনা আছে। আপনি মুখে বলেছেন, আমি বহু মানুষের জন্য সেই বইয়ের ভূমিকা লিখেছি বসে বসে। অনেকবার ঘটেছে এই ঘটনা। কত সংগঠন, কত অনুষ্ঠানের জন্য, ব্যক্তির জন্য ভিডিও বার্তা নিয়ে এসেছি। আমার প্রথম কলামের সংকলনের নাম করণ করেছেন আপনি। সেই বইয়ের ভূমিকাও  লিখে দিয়েছিলেন আপনার নিজ হাতে।

অন্য এক লেখায় হয়তো লিখব সেসব। সবচেয়ে ভাল লাগার বিষয় ছিল আপনার প্রাণ প্রাচুর্য। প্রাণখুলে হাসতে পারতেন। আপনার কাছ থেকে ফিরে আসার সময় বারবার মনে হতো বয়স একটি সংখ্যা মাত্র। 

কতবার নতজানু হয়ে বসেছি আপনার পাশে। আপনি বারবার আশার বাণী শুনিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ হারবে না এবং শেখ হাসিনাকেই সেই নেতৃত্ব দিতে হবে। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ উঠে দাঁড়াবে এর কোন বিকল্প নেই। তেমনি আওয়ামী লীগের কট্টর সমালোচকও ছিলেন আপনি। উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান আমাদের সাহস যুগিয়েছে। যার কারণে বারবার উগ্রবাদীদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। কিন্ত মাথা নত করেননি, আপোষ করেননি। ২০১৩ সালের পর থেকে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সময় কাটিয়েছি আপনার সাথে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর নানাভাবে কখনো আপনাকে নাস্তিক, কখনো ইসলাম অবমাননাকারী,  কখনো সিলেট বিদ্বেষী নানাভাবেই আঘাত করেছে। এমন কি আপনার মরদেহ মাটি দেয়ার আগেই আপনার বিরুদ্ধে আবারো সরব হয়ে উঠেছে এই গোষ্ঠী। মৃত গাফফার চৌধুরীকেও তাদের ভয়। 

আপনার শেষ যাত্রায়ও তাদের শান্তি নেই। কেউ আপনার বিরুদ্ধে কবিতা লিখছে, কেউ ভিডিও বানাচ্ছে, কেউ ফতোয়া দিচ্ছে। গাফফার ভাই একবার এক ইন্টার্ভিউতে আমাকে বলেছিলেন ‌‌‘‘আমার জন্য ফরজ এ কেফায়া টু ফাইট দেম’’ এই নিয়ে দীর্ঘ একটা কলামও লিখেছিলাম ২০১৫ সালে। সেই ফাইটটা সব সময় দিয়ে গেছেন গাফফার চৌধুরী। যেমন লিখতেন না বাংলাদেশের প্রথম আলো পত্রিকায়, তেমনি লন্ডনের বহু টেলিভিশনে যেতেন না, সাক্ষাতকার দিতেন না। বহু পত্রিকা লেখা খুঁজলেও লেখা দিতেন না। এই জায়গাগুলোতে খুবই কঠোর ছিলেন। সবার সাথে সম্পর্ক রেখেও আদর্শিক জায়গা টুকো ধরে রাখা যায়, সেটা গাফফার ভাইয়ের কাছে শেখা। হাসতেন আর বলতেন, ব্রিটেনে যতদিন থাকবে মনে রেখো এই ফাইটটা তোমাদেরও করে যেতে হবে। এই গুজব ছড়ানো, ফতোয়াবাজ, হতভাগার দল জানে না। ইতিহাস নিজেই গাফফার চৌধুরীকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে বসিয়েছে। গাফফার চৌধুরী নিজেই এক ইতিহাস। তাকে ছোঁয়ার সাধ্য তাদের নেই। 

আপনার মৃত্যুর পর থেকেই সংবাদের প্রয়োজনে বারবার লিখতে হচ্ছিল, মরহুম, মৃতদেহ, লাশ, মারা গেছেন, বারবার টাইপ করতে গিয়ে আমার হাত কেঁপে উঠছিল। আমি বিকল্প শব্দ হাতড়াতে থাকি। আব্দুল গাফফার চৌধুরীর নামের আগে পরে এই শব্দগুলো আমি লিখতে চাই না।

সময়ের নিয়মে যাওয়াই নিয়ম। কেউ কেউ চলে যায়, কারো কারো চলে যেতে হয়। সময়ের নিয়মেই চলে গেলেন। এই শব্দগুলো অনিচ্ছা থাকা সত্বেও আমাকে লিখতে হয়েছে। অমোঘ সত্যকে অস্বীকার করার কোন পথ নেই। আপনি নেই এই বাস্তবটাই চরম সত্য। আপনার দেখানো পথেই আমাদের নতুন প্রজন্মের যুদ্ধটা চালিয়ে যাব। আপনার আদর্শিক সংগ্রাম আমাদের আমৃত্যু পথ দেখাবে। 

গাফফার ভাই, কত স্মৃতি, কত স্নেহ, কত প্রশ্রয় দিয়েছেন আপনি। সব কিছুর শেষে জানতাম আপনি আছেন ছায়া হয়ে মাথার উপর। আমার সৌভাগ্য আমাকে কখনো আপনি না বলেন নি...  আমার সেই আশ্রয়স্থল টুকো মহাশূন্যে মিলিয়ে গেলো। আমাদের ইতিহাসের খোলা বইয়ের অগস্ত্য যাত্রা হয়ে গেল। 

এফএইচ

http://www.shomoyeralo.com/ad/Local-Portal_Send-Money_728-X-90.gif



http://www.shomoyeralo.com/ad/Google-News.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বাধিক পঠিত


ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড
এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : [email protected]